পাকিস্তান-পায়খানা আবার দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে

পাকিস্তান-পায়খানা আবার দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে
সাইয়িদ রফিকুল হক

এই পৃথিবীতে কাউকে যদি সবচেয়ে নির্লজ্জ-জাতির নাম জিজ্ঞাসা করা হয়—তাহলে, সে নির্দ্বিধায় পাকিস্তানীদের নাম বলে দিবে। আর এতে কারও মনে কোনো সন্দেহ নাই। এমন একটা অসভ্য জাতি এই পৃথিবীতে আর নাই। আর এইরকম একটি অসভ্য জাতি যদি এই পৃথিবীতে আরও একটি থাকতো—তাহলে, পৃথিবী অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে যেতো। একটা পাকিস্তান আজ সারাবিশ্বের মানুষের প্রচণ্ড মাথাব্যথার কারণ। এদের মতো হিংস্র আর অসভ্য আর ক্ষিপ্ত কোনো জাতি পৃথিবীতে আর আসবে না। এই পশুগুলো বিশ্বের মানচিত্রে শুধুই একটা আপদবিপদের নাম।

পাকিস্তানীদের কোনো লজ্জা নাই। কিন্তু বনের পশুরও লজ্জা আছে। আর এমন একটা অধম-জাতি মানুষের সামনে কথা বলে কীভাবে? এই আদিমপশুগুলো দিনের-পর-দিন মানবসমাজে ধৃষ্টতাপ্রদর্শন করে চলেছে। এদের এবার থামাতেই হবে। আর পাকিস্তান ধ্বংস না হলে বিশ্বমানবের কোনো স্বস্তি নাই। মানবজাতির জন্য পাকিস্তান ধ্বংস হওয়াটা জরুরি।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ জারজরাষ্ট্র এই পাকিস্তান। আর জারজরাষ্ট্রগুলোর তালিকায় এরা বরাবরের মতোই শীর্ষস্থানদখল করে আছে। অতিসম্প্রতি এই জারজরাষ্ট্রটি বাংলাদেশের কাছে প্রায় একহাজার কোটি রুপি দাবি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এইব্যাপারে তাদের দাবির পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তত করার জন্য ‘স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান’কে নির্দেশ দিয়েছে! ধৃষ্টতা আর কাকে বলে! শয়তানী আর কাকে বলে! চোরের মা’র বড় গলা! আর ভূতের মুখে রাম-নাম!

১৯৭১ সালে, বিশ্বের জারজরাষ্ট্র-পাকিস্তান আরও কয়েকটি জারজরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়েও বীর-বাঙালির সঙ্গে যুদ্ধ করে জয়লাভ করতে পারেনি। এই জারজ-পাকিস্তানীরা ১৯৭১ সালে, বাংলার ‘কাছা দেওয়া’ মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে মার খেয়ে ওদের আদিপিতা ও শয়তানের জারজপুত্র জিন্নার নাম জপতে-জপতে পাকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছে। আর যারা পালাতে পারেনি তারা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর প্রকাশ্যে মাফ-ক্ষমা চেয়ে বীর-বাঙালির কাছে পরাজয়স্বীকার করে ঘাড় হেঁট করে (মাথানিচু করে) বাংলাদেশরাষ্ট্রকে স্বীকার করে নিয়েছে।
এই জারজ-পাকিস্তানীরা অবৈধভাবে ২৪টি বছর আমাদের ভূখণ্ডদখল করে রেখেছিলো। ১৯৪৭ সালে আমরা পাকিস্তানে যোগ দিতে চাইনি। ওদের জারজ-পিতা জিন্না ইংরেজদের সঙ্গে ভয়ানক ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশকে দায়েঠেকে পাকিস্তানে যোগ দিতে বাধ্য করে। আর ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১—এই ২৪বছর পাকিস্তানীজানোয়াররা আমাদের কেবলই শাসনের নামে শোষণ করেছে। আর সবসময় আমাদের দেশের যাবতীয় সম্পদ লুটপাট করেছে। আর এই ‘জারজ-পাকিস্তানী’ নামক দস্যুচক্র আমাদের দেশের বিভিন্ন সম্পদ লুটপাট করে পাকিস্তানে চালান করে দিয়েছে। আর ২৪বছর যাবৎ তারা এভাবে বাংলাদেশের সম্পদ লুটপাট করেছে। আর সেই জারজ-জাতি আমাদের কাছে এখন ৯২১ কোটি রুপি ফেরত চায়! আর ১৯৭১ সালের নয়টি মাসে পাকিস্তানীহায়েনারা বাংলাদেশে যে পরিমাণ হত্যালীলা ও ধ্বংযজ্ঞ চালিয়েছে—তাতে বাংলাদেশের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে কমপক্ষে ৫০হাজার কোটি টাকা। আরে, গোমূর্খ-হারামজাদা-পাকিস্তানী, ক্ষতিপূরণ যদি চাইতেই হয় তবে তা চাইতে পারে একমাত্র বাঙালি-জাতি। আর এটি বাংলাদেশের ন্যায়সঙ্গত পাওনা ও অধিকার।

এই জারজ-পাকিস্তানীরা বাঙালির টাকায় বউয়ের সালোয়ার-কামিজ কিনেছে, সন্তানসন্ততির পোশাকআশাকও কিনেছে, আর নিজেরা বাঙালির টাকায় ফুটানি করে কাবুলিপোশাক, সাধারণ পোশাক, আর শয়তানী-অপকর্মের জন্য সামরিকপোশাকও পরিধান করেছে। এদের পরনের পোশাক কেনারও মুরোদ হতো না—যদি বাঙালির অর্থসম্পদ এদের হস্তগত না হতো। যে-জাতির পরনের পোশাক কেনা হয়েছে বাঙালির টাকায়, আর যাদের পেটের ভাত ও রুটিরুজির ব্যবস্থা হয়েছে বাঙালির মাঠভরা ফসলের দানে—আর সেই ভিক্ষুক ও লুটেরা-দস্যু-জাতি কিনা এতোকাল পরে বাঙালির কাছে ‘৯২১ কোটি রুপি’ ফেরত চাওয়ার ধৃষ্টতা দেখায়! বাঙালির অন্নে একদিন প্রতিপালিত হয়েছিলো ‘পাকিস্তানী’ নামক চতুষ্পদ-জীবগুলো। বিশ্বসংসারে এরা আজও সামান্যতম মানুষও হয়নি। এদের মানুষ হওয়ার কোনো যোগ্যতা আছে বলে মনে করি না। এই পাপিষ্ঠ-জাতি আর কবে মানুষ হবে? আর কে এদের মানুষ বানাবে? এদের পথপ্রদর্শকরা তো নিজেরাই ছিল একেকজন সাংঘাতিকরকমের চতুষ্পদ-জন্তু।

পাকিস্তানীপশুদের জাতির পিতা জিন্নার মতো কুচক্রী আর শয়তান পৃথিবীতে নাই। এই শয়তান ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ‘দ্বিজাতিতত্ত্বে’র নামে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ায়। এই হারামজাদাগোষ্ঠী তৎকালে বাংলাদেশে ‘জারজ-উর্দু’কে রাষ্ট্রভাষা করে আড়াই-হাজার-বছরের ঐতিহ্যবাহী বাংলাভাষাকে ঘায়েল করতে চেয়েছিলো। এরপর পাকিস্তানে আসে শয়তানের জারজপুত্র জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা, তারপর আসে শয়তানের আরেক জারজপুত্র আইয়ুব খান। তারপর আসে শয়তানের আরেক জারজপুত্র ইয়াহিয়া। এর সঙ্গী ছিল শয়তানের আরেক জারজপুত্র জুলফিকার ভুট্টো। এরপর পাকিস্তানের শাসক হয়েছে শয়তানের জারজপুত্র জেনারেল-নামধারী জিয়াউল হক, শয়তানের জারজপুত্র জেনারেল আসলাম বেগ, শয়তানের জারজপুত্র পারভেজ মোশারফ ইত্যাদি। আর এখন আছে শয়তানের জারজপুত্র নেওয়াজ শরীফ, ইমরান খানগং। এরা তো প্রায় সবাই পাঞ্জাবি-জারজ। আর শাসকের নামে এদের একমাত্র কাজ হলো: মানুষহত্যা, জঙ্গিতৎপরতা, জঙ্গিউৎপাদন, আর সর্বত্র জঙ্গিলালনপালন, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, লুটতরাজ, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি। কাজেকাজেই এরা তো মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বাংলাদেশের কাছে ৯২১ কোটি রুপি চাইবেই।

আমাদের দেশের একাত্তরের চিহ্নিত-যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-বানচাল করার জন্য পাকিস্তান-পায়খানা অনেক দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে। সারাবিশ্ব তাদের থুথু দিয়েছে। এই শয়তানদের পক্ষে কেউ সাড়া দেয়নি। এরা এখন আবার নতুন করে পায়খানা ছড়াচ্ছে। পাকিস্তান-পায়খানা আবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে।

বিশ্বের সকল দেশের মানুষ ও মানবজাতি প্রতিদিন আরও ভালো ও আধুনিকমানুষ হওয়ার চেষ্টা করছে। আর পাকিস্তানীরা দিন-দিন আরও বেশি হিংস্র আর আরও বড় শূয়র—মানে, আদিমশূযর হওয়ার চেষ্টা করছে। এই শূয়রদের বধ না করা পর্যন্ত এরা মানবজাতির জন্য চিরকাল হুমকি হয়েই রবে। ধ্বংস হোক পাকিস্তান। পাকিস্তান-মুরদাবাদ। পাকিস্তান-পায়খানা নিপাত যাক।

পুনশ্চ: সবাই চেষ্টা করে মানুষ হওয়ার আর পাকিস্তানীরা চেষ্টা করছে আদিমশূয়র হওয়ার!

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
১৭/১১/২০১৬

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

41 + = 43