‘ব্রাইড ফ্যাক্টরি’

আজকে আলাদা করে ছুটি নিয়েছি। একটা ম্যাট্রিমনি তে যেয়ে নাম লেখাতে যাওয়ার জন্য। কালকেই যেতাম, কিন্তু খবরটা পাই অনেক রাতে। আমার হবু কনে মারা গেছে। অবাক হচ্ছেন? পুরো ব্যাপারটা জানতে পারলে তখন আর অবাক হবেন না, আমার মত ভয়ে হিম হয়ে যেতেন। কনের জন্য বুকিং দেয়া ইদানিং শুধু নিয়ম না, বলতে পারেন কম্পালসারী। কনের যে কি ভীষণ ক্রাইসিস আপনি ভাবতেও পারবেন না। এসবের জন্য সন্তান ছোট থাকতেই বুকিং দিয়ে রাখা হয়। কোথাও কোন কন্যা সন্তান জন্মালে প্রায় নিলামে তোলার অবস্থা। আমার জন্যও বুকিং দেয়া ছিল, মানে একজন কনে ঠিক করা ছিল। আমার যখন পাঁচ বছর বয়স তখন। সেই হবু কনে গতকাল মারা গেছে।

বুঝুন এখন আমার অবস্থা। এখন কনে কোথায় পাব? একমাত্র ভরসা যদি বুকিং দেয়া কোন কনের হবু স্বামী মারা যায়। সেখানেও বিস্তর লাইন। আমার মত সমস্যায় অনেকেই আছে। এধরনের ক্যান্ডিডেটের ভেতর এখন সিরিয়ালে যেন নিজের নামটা আগে থাকে, তাই এতো তাড়াহুড়া করে ছুটছি। আজকে বুকিং দিলে হয়তো বছর দশেক পরে কনে জুটবে। কিংবা আদৌ নাও জুটতে পারে। বিশ্বাস হচ্ছে না? সবটা না বললে বুঝবেন না।
‘জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং’ আর ‘আর্টিফিশিয়াল ফার্টিলাইজেশানে’র দারুণ উন্নতি হয়েছে। এখন বেশ কম খরচে আর ইনস্টলমেন্টে পাওয়া যায়। যেমন চান তেমন সন্তান পাবেন। ফর্সা চান? পাবেন। লম্বা চান? পাবেন। নিজের সন্তানের ভেতর যেমন গুন চান সে সব মিলিয়ে তৈরি হবে ‘জিন’। এরপর আপনার স্পার্ম আর ওভামের ভেতর সেই ‘জিন’ ঢুকিয়ে দেয়া হবে। এরপরের কাজ ‘টেস্ট টিউব বেবি’ তৈরি করা, মানে ভ্রূণ শরীরের বাইরে তৈরি হবে। একসময় তা জরায়ুতে প্রবেশ করিয়ে দেয়া হবে। ব্যাস নিজের পছন্দের সন্তান তৈরি। তবে এই সিস্টেম সবাই অ্যাফর্ড করতে পারে না। অনেক খরচ পরে যায়।

‘টেস্ট টিউবে বেবী’ ব্যাপারটা উচ্চবিত্তের ভেতরেই ছিল। মধ্য আর নিম্নবিত্তরা আগের নিয়মেই সন্তান নিচ্ছিলেন। এতে খুব একটা সমস্যা হচ্ছিল না। সমস্যা শুরু হল নতুন আইন পাস করার পরে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন এক আইন পাশ করা হলো, একটার বেশী সন্তান নেয়া যাবে না। নিলে, জেল জরিমানা করে সে এক হুলুস্থল অবস্থা তৈরি করা হয়। সাড়া জীবনের সঞ্চয় এক নিমিষেই বেড়িয়ে যাবে। ফলে সমস্ত সঞ্চয় জমিয়ে রাখা শুরু হল এই টেস্ট টিউব বেবীর জন্য। প্রথমটাই ছেলে হওয়া চাই।

মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্তের জন্য হল সমস্যা। প্রথমটা ছেলে হলে খুব একটা সমস্যা হত না। সমস্যা দেখা দিত প্রথমটা মেয়ে হলে। এমন সব দম্পতি তখন নিঃসন্তান দম্পতির খোঁজে বের হতেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করতেন। এবার যদি পুত্র হয় তবে মেয়ে সন্তানটা ডোনেট করবেন আর কন্যা হলে নতুন কন্যাটাকে নিজেদের বলে তাঁরা চালাবেন। এরপর আবার সন্তান নেয়া। খুব লুকিয়ে চুরিয়ে ঘটতো ঘটনাটা। শেষ কয়েক মাস তো প্রসুতি মা বাড়ীর বাইরে বের হতেন না। এভাবেই চলে আসছিল। গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে ধরা পড়লে বাধ্যতামূলক অ্যাবরশান আর পরে জানাজানি হলে জেল, জরিমানা এসব।

এমন সময় বাজারে আসলো ‘ইজি সেক্স ডিটারমিনেশান কিট’। এর সাহায্যে খুব সহজেই আলাদা করে ফেলা যায় ‘ওয়াই’ যুক্ত স্পার্ম। এরপরের যে কাজটা বাকী থাকে তা হচ্ছে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্সেমিনেশান’। এটা বেশ সস্তায় সেরে ফেলা যায়, ‘টেস্ট টিউব বেবী’র মত অত কস্টলি না। ফলে এখন ছেলে সন্তান পেতে আর কোন সমস্যা হয় না। বাজারে আসবার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যাপারটা দারুণ জনপ্রিয়তা পেল। পাড়ায় পাড়ায় ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্সেমিনেশান’ ক্লিনিক খুলে গেল। এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হতে সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ল। দেখতে দেখতে দারুণ জমজমাট এক ব্যবসা হয়ে দাঁড়াল এই ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্সেমিনেশান’ ক্লিনিক।

আমিও এভাবেই তৈরি হওয়া একজন ছেলে সন্তান। বেশ আরাম আয়েশেই জীবনের পঁচিশ বছর পার করলাম। চাকরিও একটা পেয়ে গেছি। এবারের চাওয়া একটা নিজের সংসার। একজন কনে। বুঝতেই পারছেন, কোন পরিবারেই কন্যা জন্মায় না। নেহাত যাদের ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্সেমিনেশানে’র পয়সা নেই, তাঁদের ঘরেই কালে ভদ্রে মেয়ে জন্মায়। তাঁদের নিয়েও বেশ কাড়াকাড়ি পরে যায়। আগে থেকে বুকিং দিয়ে রাখতে হয়। আমার সেই বুকিং দেয়া কনের মৃত্যুতে, আমার ওপর প্রায় আকাশ ভেঙে পড়ার অবস্থা। তাই জরুরী ছুটি নিয়ে আজকেই যাচ্ছি ম্যাট্রিমনিতে, নাম লেখাতে আর বুকিং দিতে।

পত্রিকাটা রাখতে যাব, এমন সময় চোখে পড়ল একটা বিজ্ঞাপন। ‘ব্রাইড ফ্যাক্টরি’। পেছনের পাতায় দিয়েছে বিজ্ঞাপনটা। পত্রিকাটা উঠিয়ে আবার পড়লাম। আমেরিকার প্রখ্যাত ‘সুইট ব্রাইড ফ্যাক্টরি’র এজেন্ট এঁরা। নতুন কনসেপ্ট মনে হচ্ছে। কন্যা সন্তানের আকাল হওয়াতে হয়তো অনেকেই নিজেদের সন্তানদের জন্য কনে তৈরির অর্ডার দিয়ে রাখেন। কোন গরিব পরিবারে পালিত হবে হবু কনে। এরপরে বিয়ের সময় নিয়ে আসা হবে। তবে ‘ফ্যাক্টরি’ শব্দটা পুরো ব্যাপারটাকে কেমন যেন গোলমেলে করে দিল। বিদেশী কোম্পানির এজেন্ট বলাতে ব্যাপারটায় কেমন যেন একটা ‘টেকনলজিক্যাল ব্রেক থ্রু’র গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ঠিকানাটা টুকে নিলাম।


অফিসটা বেশ ছিমছাম। সুন্দরী একজন রিসেপশানিস্টও আছে। লোকজন কাউকে দেখলাম না। নতুন শুরু করেছে বলে হয়তো এখনও ক্লায়েন্ট পায় নি। তবে অচিরেই পেয়ে যাবে। একেবারে ফালতু যেসব ম্যাট্রিমনি সেগুলোও ভালো চলে। কনে জোগাড় করে দেয়ার কোন গ্যারান্টি দেবে না তারপরও নাম লেখাতে একগাদা টাকা দিতে হবে। একটু নামী দামী গুলো কনে জোগাড়ের গ্যারান্টি দেয়। আসলে ওদের নেটওয়ার্ক খুব ভালো। কোথায় কখন কন্যা জন্মাচ্ছে সব খবর রাখে। অনেকে তো সোনোলজিস্টের কাছ থেকেই খবর নিয়ে নেয়।

‘মে আই হেল্প ইউ?’
আমার অবস্থা তো বুঝতেই পারছেন। কপালে কনে জোটার তেমন কোন সম্ভাবনা নাই। তাই হয়তো রিসেপশানিস্ট মেয়েটার দিকে একটু বেশীক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। মেয়েটার প্রশ্নে সম্বিৎ ফিরে পেলাম। সঙ্গে কিছুটা অস্বস্তিও লাগলো।
‘আপনাদের অ্যাড দেখে আসলাম।’
‘কনে চাই?’
বলে কি মেয়ে। চাইলেই পাওয়া যাবে নাকি? এমন ভাবে বলছে যেন বললেই এখন দশটা কনে এনে হাজির করবে। রাগটা প্রকাশ করলাম না। জানতে চাইলাম,
‘কার সঙ্গে কথা বলব?’
‘আমাদের এম ডি স্যার এর সঙ্গেও কথা বলতে পারেন। তবে প্রাথমিক কোন জিজ্ঞাসা থাকলে আপনি আমাকে করতে পারেন।‘
‘আপনার বিয়ে হয়েছে কি না?’ জিজ্ঞেস করতে যেয়েও থেমে গেলাম। বেশী বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। আসলে আমার সবচেয়ে বেশী কৌতূহল ‘ফ্যাক্টরি’ শব্দটা নিয়ে। ফ্যক্টরিতে যেমন অর্ডার দিয়ে জিনিস বানানো যায়, তেমন কোন কিছু? ওদের কি অনেক কনে তৈরি আছে? মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির শাখা। ফলে হয়তো অন্য কোন গরীব দেশে যেখানে ‘এক সন্তানে’র আইন নেই সেখানে তৈরি হয়ে আছে। আমার এখন যা অবস্থা, আফ্রিকার কোন গরীব দেশের চলনসই একজন কনে পেলেও হয়তো রাজী হয়ে যাব।
‘আমি এম ডি এর সঙ্গেই কথা বলতে চাই।’ আমার সিদ্ধান্ত জানালাম।
রিসেপশানিস্ট ইন্টারকমে কথা বলল। ভেতরে হয়তো উনি ফ্রি ছিলেন। আমি দেখা করার অনুমুতি পেলাম, ‘আপনি ভেতরে যেতে পারেন।‘
এই রুমটা মাঝারী সাইজের। বড় একটা সেক্রেটারিয়েট টেবিলের পেছনে এম ডি সাহেব বসে আছেন। টেবিলে রাখা কম্পিউটার মনিটারে কোন কাজ করছিলেন হয়তো। আমি ঢুকতেই উনি উঠে দাঁড়ালেন।
‘আসুন।‘
এগিয়ে গিয়ে হ্যান্ডশেক করলাম।
‘বসুন। মনে মনে ঠিক করে রেখেছিলাম, প্রথম ক্লায়েন্টকে সর্বোচ্চ ডিস্কাউন্ট দেব। হোপ, ইউ উইল বি দ্যাট লাকী ওয়ান।‘
ভদ্রলোক বেশ স্মার্ট, সন্দেহ নাই। আমাকে যদিও ইম্প্রেস করার জন্য ডিস্কাউন্টের কথাটা বললেন, তবে আমি এখনও ইম্প্রেসড হইনি। ওদের হাতে কনে কতজন আছে তাঁর ওপর নির্ভর করছে আমার ইম্প্রেস হওয়া। তবে তাঁর আগে আমার অস্বস্তির কারণটা জানাতে চাই।
‘যদি কিছু মনে না করেন, আমার একটা প্রশ্ন ছিল।‘
‘সিওর, গো অ্যাহেড।’
‘আপনাদের ম্যাট্রিমনির নামে ‘ফ্যাক্টরি’ কথাটা কেন ব্যবহার করেছেন। অবশ্য এটা যদি ইন রিয়েল সেন্স ম্যট্রিমনি হয়।‘
ভদ্রলোক সুন্দর করে হাসলেন। ‘আপনি কি শুধু কৌতূহলের কারণেই এসেছেন না কনেও চাই?’
দুটোই।
‘ইন দ্যাট কেস, দ্বিতীয় ব্যাপারটা নিয়ে আলাপ করি, প্রথম প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। আরেকটা কথা, আমি কিন্তু আপনাকে ইম্প্রেস করার জন্য ডিস্কাউন্টের কথা বলি নি। আমাদের প্রজেক্ট কিন্তু বেশ কস্টলি। বড় সর ডিস্কাউন্ট না দিলে মনে হয় না আপনি অ্যাফর্ড করতে পারবেন।‘
এম ডি সাহেব বেশ চৌকশ মনে হচ্ছে। এবার সত্যিই কিছুটা ইম্প্রেসড হলাম। আমাকে উদ্ধার করতে পারলে বাকীটা হব। পারবেন কি উনি?


‘এটা কোন সমস্যাই না।’
নিজের কান কেই বিশ্বাস করতে পারছি না। এ কি আদৌ সম্ভব? এতো স্বল্প নোটিশে কনে জোগাড় করা? ফ্রড টাইপের কোনো ব্যাপার না তো? টাকা নিয়ে পরে ঘুরাবে, ‘কাল আসেন’ কিংবা ‘আর কিছু দিন লাগবে’ এমন সব বাহানা শুরু করবে। এরপর একদিন পাততাড়ি গুটিয়ে পালিয়ে যাবে। জানতে চাইলাম,
‘কবে নাগাদ রেজাল্ট পাব?’
‘কবে চান?’
‘কালকে বললে কি কালকেই দিতে পারবেন?’
‘একটু খরচ বেশী পড়বে।‘
বলে কি? যদিও ইন্টেরেস্টেড ফিল করছি তাঁর চেয়ে বেশী জানতে ইচ্ছে করছে আসল ঘটনাটা। আমতা আমতা করে বললাম,
‘পুরো ব্যাপারটাকে কি একটু বুঝিয়ে বলতে পারেন?’
প্রথমে একটু স্মিত হাসলেন। এরপর বললেন,
‘বিশ্বাস হচ্ছে না তো? না হওয়ার ই কথা। প্রজেক্টটা বেশ নতুন। ইনফ্যাক্ট আমেরিকাতেও অনেকেই জানে না। ওখানে তো আবার নতুন কিছুর অনুমুতি নিতে অনেক ঝক্কি। তাই ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান করেছে, যেসব দেশে আইন অত কড়াকড়ি না, সেখানে শুরু করতে। ক্ল্যায়েন্ট প্রয়োজনে ওখান থেকে এখানে আসবে।‘
‘আমি কিন্তু এখনও কিছু বুঝতে পারছি না।‘
‘বলছি। টাইম মেশিনের নাম তো শুনেছেন।‘
‘এর মাঝে টাইম মেশিন আসছে কথা থেকে? অতীতের কোন কনে কে ধরে আনবেন নাকি?’
‘না না। বর্তমানের ই কনে পাবেন। পুরো ব্যাপারটা শুনুন আগে। আপনার তো সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড।‘
‘জ্বি’
‘দেন, জিন তো বোঝেন। আমাদের সব গুনাগুণ নিয়ন্ত্রণ করে এই জিন। তো, প্রথমে আমরা যেটা করি, আপনার কনের ভেতর যেসব গুন চান, তাঁর একটা লিস্ট করি। যেমন ধরুন ফর্সা, লম্বা, চুলের রঙ, চোখের মনির রঙ এসব আরকি। এরপর আমাদের কাছে সেসব গুণের জিন থাকলে, সেগুলো দিয়ে আমরা পুরো ক্রোমোজোম বানাই। এরপর সেই পুরো সেট দিয়ে আমরা স্পার্ম আর অভাম বানাই। দেন ভ্রূণ তৈরি হয় টেস্ট টিউবে। এরপর সেই ভ্রূণ ইমপ্ল্যান্ট করা হয় একজন মায়ের জরায়ুতে।‘
‘বেশ এডভান্সড টেকনিক সন্দেহ নাই। প্রশ্ন হচ্ছে এখন যদি আমি অর্ডার দিই, কালকে আমি কনে পাব কিভাবে?’
‘এখানেই আমরা টাইম মেশিনের হেল্প নিই। বিশ বছর পিছিয়ে যাই, ভ্রূণ ইমপ্ল্যান্ট করি, দেন ফিরে আসি।‘
আমার মাথা ঠিক কাজ করছে না। কথা গুলো কি বিশ্বাস করবো? খুব অবিস্বাস্য লাগছে না। এরকম প্রোডাক্ট দেখতে চাইবো? ক্ষতি কি, ক্লায়েন্ট হিসেবে আমি তো চাইতেই পারি।‘
‘এমন কোন কনে কি আপনারা সাপ্লাই দিয়েছেন?’
‘বাইরে রিসেপশানিস্ট কে দেখেছেন?’
‘উনি কনে?’
‘হ্যাঁ এবং না।‘
‘মানে?’
‘হ্যাঁ, কারণ উনি আমাদের ফ্যাক্টরি থেকে তৈরি প্রডাক্ট। আর না একারণে, শি ইজ মাই ওয়াইফ অ্যান্ড নো মোর অ্যাভাইলেবল।‘
‘আই অ্যাম এক্সট্রিমলি সরি। আমি বুঝতে পারি নি।‘
‘আই আন্ডারস্ট্যান্ড। তবে আপনি চাইলে আমি অ্যারেঞ্জ করতে পারি।‘
দারুণ হোঁচট খেলাম। বলে কি ব্যাটা?
‘এক্স কিউজ মি।‘
‘না না ভুল বুঝবেন না। আমার ওয়াইফ কে ক্রিয়েট করার সময় অনেকগুলো ভ্রূণ তৈরি করা হয়। এর অনেকগুলো রেফ্রিজারেটরে আছে। ইফ ইউ উইশ, আপনার জন্য একটা অ্যারেঞ্জ করতে পারি। যেহেতু ক্রোমোজোম তৈরির চার্জ দিতে হচ্ছে না, সো কস্ট একটু কম পড়বে। অনলি টাইম মেশিন আর ইমপ্ল্যান্ট চার্জ দিলেই হবে। এর ওপর ফাস্ট ক্লায়েন্ট হিসেবে ডিস্কাউন্ট তো পাচ্ছেন ই। কি বলেন, অর্ডার দেবেন?‘

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “‘ব্রাইড ফ্যাক্টরি’

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 5 = 4