বিভাবরী

মাথার ডান দিকটা চিনচিন করছিল বিকেল থেকেই। অবশ্য তা এমন আহামরি কিছু ছিল না। কিন্তু সন্ধ্যের সময় প্রাইভেটে যাবার রাস্তায় সেটা এমন ভয়াবহ আকার ধারণ করবে কল্পনাও করিনি। অগত্যা আজ আর যাওয়া হল না। বাসার দিকে রওনা দিলাম। হাঁটতে হাঁটতে যখন খিলগাঁও রেল-গেটে এলাম, তখন থেকেই এই গল্পের শুরু।

পাগলামির খেয়াল আমার মাথায় অহরহই আসে। সেটা উল্লেখযোগ্য কিছু না। তাই, আজকেও তেমন হওয়া মনে রাখার মত কিছু না। বন্ধু সাকিব একবার বলেছিল, ‘প্রচণ্ড মাথাব্যথা নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরলে না’কি অদ্ভুত একটা মাদকতার অনুভূতি হয়’। সেটাই আজকে হঠাৎ কেন যেন অনুভব করার ইচ্ছে হল।

একটা বেনসন ধরিয়ে রেললাইন ধরে হাঁটতে শুরু করলাম। মালিবাগ রেল-গেটের দিকে। একসাথে মাথায় এসে ভর করালাম, রাজ্যের যত ভাবনা। বেনসন আর ব্ল্যাকের মাঝে তুলনা থেকে শুরু করে স্রষ্টার অস্তিত্ব-অনস্তিত্ব পর্যন্ত।

একটু পরেই সফল হলাম। মাথাব্যথাটা এখন অসহনীয় পর্যায়ে। তা না হলে অনুভূতিটা তীব্রতর হত না। ক্ষুদ্র কিছু পাওয়া আর কিছুই না পাওয়ার মাঝে পার্থক্যটা খুব সামান্য। আমি একটা সুতীব্র অনুভূতি চাই। কোন চিন্তা ভাবনা এখন কাজ করছে না। সামনে পা ফেলার নির্দেশটা পর্যন্ত মাথা থেকে পা পর্যন্ত আসতে পারছে না। এক রকম ঝোঁকের বসে প্রতিটা পা ফেলছি। সোজাসুজি পড়ছে না কোনটাই। আশেপাশের যে কেউ আমাকে দেখলে মনে করবে, বদ্ধ মাতাল। নাহ! মাতালরা শরৎচন্দ্রের সময়ের উপজীব্য। এখন সেখানে নিম্নস্তরে গাঁজা আর উচ্চস্তরে হেরোইন, ইয়াবা আর শিশা স্থান দখল করে নিয়েছে।

শিশা জিনিসটা এখনও খাওয়া হয় নি। আমার দৌড় সিগারেট আর গাঁজা পর্যন্তই। অবশ্য এটুকু জানি হেরোইন সিগারেটের প্যাকেটের রুপোলী কাগজটায় রেখে তার নিচে লাইটার ধরতে হয়। তারপর উড়ে আসা ধোয়া নাক দিয়ে টেনে নিতে হয়। ইয়াবাও অনেকটা একই রকম। ট্যাবলেটটা রুপোলী কাগজে রেখে নিচে লাইটার ধরতে হয়। ট্যাবলেট গলে তা থেকে ধোয়া ওড়ে। সেই ধোয়া নাক দিয়ে টেনে নিতে হয়। নতুন অনেকে অবশ্য না বুঝে পানির সাথে গিলে ফেলে মেডিসিন ট্যাবলেটের মত। শিশা লাউঞ্জেও কখনও যাওয়া হয় নি। একদিন যাওয়া যায়। আর কিছু না হোক, একটা গল্পের প্লট পেয়েও যেতে পারি। অবশ্য পকেটের অবস্থা এখন তথবৈচ।
আচ্ছা, পাশের এই বস্তিগুলোতে হেরোইন পাওয়া যাবে? যাবার সম্ভাবনা নেহাত কম না। এখানের অনেকেই বাস করে অন্ধকার জগতে। একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল- গত রোজার ঈদে আমরা কিছু বন্ধু মিলে ঠিক করি, কিছু পথ-শিশুকে এবার ঈদে নতুন পোশাক দেব। এদিকেই এসেছিলাম। তো আমার এক বন্ধু পোশাক দেবার জন্য একটা মেয়ের দিকে তাকিয়েছে। পেছন থেকে এক মহিলা ওকে ডেকে বলল, ‘ওকে কি দেখ? ও তো বাচ্চা। আমাকে দেখ, আমাকে!’ সাথে সাথে সবাই ভো দৌড়।

আজকে তেমন কিছু হলে খারাপ হয় না। বসে বসে তার ইন্টারভিউ নিতাম। অবশ্য পকেটে আছে মাত্র বত্রিশ টাকা। বত্রিশ টাকার জন্য তাদের কেউ সময় নষ্ট করবে বলে মনে হয় না। তাদের রাতের দাম আরও অনেক বেশি।

হঠাৎ, মধ্যমা আর তর্জনীতে প্রচণ্ড গরমের একটা অনুভূতি হল। তাকিয়ে দেখি সিগারেটের তামাক শেষ হয়ে ফিল্টার জ্বলতে শুরু করেছে। ফেলে দিয়ে, আবার হাঁটতে শুরু করলাম। চিন্তার রেশ কেটে গেছে। আবার নতুন কোন বিন্দুকে ঘিরে বৃত্ত আঁকতে হবে।

আকাশটার দিকে তাকালাম। ক’দিন আগেই পূর্ণিমা চিল। আজই ‘ইমা’ নাই হয়ে গেল! বোধ হয় ল্যাম্পপোস্টের বৈদ্যুতিক আলোয় বেরিয়ে আসতে লজ্জা পাচ্ছে। চোখ সামনে ফেললাম। এক জোড়া কপোত কপোতী। কপোতের এক হাত গিটারের তারে, অন্য হাত কপোতীর বুকে। কপোতী কপট রাগ দেখাচ্ছে। একবার ইচ্ছে হল, হঠাৎ করে ওদের সামনে লাফিয়ে পড়ে ওদের ভয় দেখাতে। আবার ভাবলাম, ‘আমি এখন আমার নিজের শরীরটাকেই বহন করতে পারছি না। প্রতিটা পা পড়ছে এলোমেলো। এখন ওদের সামনে লাফিয়ে পড়লে এমনও হতে পারে আমি কপোতীর গায়ের ওপর পড়ে গেলাম। পরের দিন খবরের কাগজের প্রথম পাতায় দেখা যাবে, “গণপিটুনিতে ইভ-টিজার নিহত”। আমার এখন পত্রিকার পাতায় আসার কোন ইচ্ছে নেই।
আরও খানিকটা এগোবার পর পাশাপাশি দু’টো চায়ের দোকান দেখলাম। সামনে তাকিয়ে দেখি মালিবাগ বাজার এসে গেছি। এক কাপ চা খেলাম যথাসম্ভব দীর্ঘসূত্রিতায়। বুড়ো দোকানি বার কয়েক বিরক্ত চোখে তাকাল। কিন্তু, কিছু বলল না। উঠতি বয়েসের ছেলেদের সবাই ই ভয় পায়। যদি আবার হয় আমার মত নেশাখোর তাহলে তো সোনায় সোহাগা।

আর একটা বেনসন ধরিয়ে উল্টো দিকে হাঁটা দিলাম। এবার চাঁদটাকে চোখে পড়ল। ফাজিলটা এতক্ষণ চুপি চুপি আমার পেছন পেছন আসছিল। এবার ধরা পড়ে গেছে। অপলক চোখে খানিকক্ষণ ওকে দেখলাম। পূর্ণিমার পর এই ক’দিনে খানিকটা ক্ষয়ে গেছে, কিন্তু রূপে এতটুকু টান পড়েনি।

ওর ওপর থেকে চোখ সরিয়ে আবার রেল-লাইন ধরে হাঁটতে শুরু করলাম। একটু পরেই পেছন থেকে ভেসে এল ট্রেনের তীক্ষ্ন সাইরেন। সাথে সাথে আমার মাথায় ভয়ঙ্কর একটা চিন্তা কাজ করতে শুরু করল। আমি এখান দিয়ে ঠিক এভাবেই হেঁটে যাব। ট্রেন থামার হলে থামবে না হয় আমার ওপর দিয়ে চলে যাবে। এবং আমি খুব ভাল করেই জানি, ট্রেন থামার সম্ভাবনা শূণ্য।
আমি দ্রুত হাঁটছি। এবং ট্রেনটা তার থেকেও দ্রুত আমার দিকে তেড়ে আসছে। অদ্ভূত একটা শিহরণ। মৃত্যুর ঠিক আগের এলোমেলো অনুভূতি। সেগুলোকে গুছিয়ে একটা পূর্ণাঙ্গ রূপ দেবার চেষ্টা করছি। ব্রেনের ওপর চাপ বাড়ছে। পেছন থেকে প্রচণ্ড দ্রুততায় ট্রেন আসছে। আরও একদলা রক্ত-মাংসের দলা দেখার প্রত্যাশায় ড্রাইভারের লোলুপ দৃষ্টি কল্পনা করছি। সে গতি বাড়াচ্ছে। ক্রমশ। ট্রেন দ্রুত থেকে দ্রুততর হচ্ছে যেন আমার শরীরের প্রতিটা অংশ ছিটকে দু’দিকে সরে যায়; ট্রেন চলার কোন প্রতিবন্ধকতা না থাকে। কল্পনা করছি, ব্রেনের ওপর চাপ বাড়ছে। ক্রমশ, আরও বেশি, আরও অনেক বেশি চাপ ব্রেনের ওপর। এবং সেই সাথে প্রচণ্ড মাথা ব্যথা। সহ্য করতে পারলাম না। মাথা ঘুরে ডান দিকে পড়ে গেলাম। স্থিতি জড়তার কারণে বা’হাতটা খানিকটা দেরি করল এবং শাস্তি স্বরূপ ট্রেন প্রবল আক্রোশে তাতেই ধাক্কা মেরে চলে গেল।

সাথে সাথে ডজন দুয়েক লোক আমাকে ঘিরে ধরল। ট্রেন চলে যাবার পর ওপাশ থেকে আরও ডজন দুই। তিরস্কারের রীতিমত সুনামি হয়ে গেল – ‘ওই মিয়া চোখ কান কি আকাশে রাইখা হাঁটেন না’কি? আর একটু হইলেই তো গেছিলেন…’ কোন রকমে তাদের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেয়ে পাশের রাস্তা ধরে হাঁটা শুরু করলাম। পেছন থেকে কয়েকজনকে বলতে শুনলাম, ‘আরে ভাই আজকালকার পোলাপাইন! আমি শিওর ওইডা গাজা খাইছে।’ ঠোটের কোণায় একটা মৃত হাসি জমিয়ে, এলোমেলো পদক্ষেপে সামনে এগোতে থাকলাম।

কিন্তু, আমার মস্তিষ্ক তখন চূড়ান্তভাবে উত্তেজিত। তাকে শান্ত করতে হলে আমাকেও উত্তেজিত করতে হবে। কী করব? কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। নিউরনের ডেনড্রাইটগুলো ক্রমাগত পরস্পরকে জড়িয়ে ধরছে এবং ছেড়ে দিচ্ছে। চিন্তা-ভাবনাগুলো পরস্পরের সাথে সাযুজ্য রাখতে পারছে না।

খিলগাঁও রেল-গেটে চলে এসেছি। এক কাপ চা খাওয়া যেতে পারে। গিয়ে চা দিতে বললাম। দোকানী অল্পবয়স্কা, হিন্দু সধবা। কয়েকদিন আগেও এখানে তার স্বামী বসত। এখন কি হয়েছে কে জানে? তার ছেলে মায়ের আচল ধরে দাড়িয়ে আছে। আর ভয়ার্ত চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। তার মায়ের চোখেও খানিকটা আতঙ্ক। এসব কাস্টমাররা কখন কি করে তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। চায়ে চুমুক দিয়ে দোকানের শো কেসের কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখলাম; টকটকে দু’টো লাল চোখ আর সবকিছুকে আড়াল করে রেখেছে।

আর একটা বেনসন ধরিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করেছি; তিলপা পাড়া রোড দিয়ে। মানুষ বড্ড বেশি। আমার ভ্রুক্ষেপ করার কথা না। তবুও করছি। মাথার জট বিন্দুমাত্র কমেনি। বরং বেড়েছে। ৫ নং রোডে ঢুকে গেলাম। বেশ নির্জন। ল্যাম্প পোস্ট আছে ৪ আর ৭ নং রোডে। মাঝের দু’টো অন্ধকার। তাই এই দু’টো দিয়েই সবসময় আসা যাওয়া করি।

যন্ত্রণায় মাথা চেপে ধরে আছি। একটুও কমছে না। বরং বোধ হয় বেড়ে যাচ্ছে। পায়ের কাছে একটা বেড়াল ঘুরঘুর করছে।

কোলে তুলে নিলাম। পিঠে মাথায় হাত বুলিয়ে দিলাম। সে মিউ মিউ করে জানাল সে খুশি হয়েছে। কিন্তু, আমি খুশি হই নি। আমার মস্তিষ্ক এখনও চরমভাবে উত্তেজিত। তাকে শান্ত করতে আমাকেও উত্তেজক কিছু করতে হবে। এই বিড়ালটি কি তার উপলক্ষ হতে পারে? হ্যাঁ, পারে।
বিড়ালটার দিকে তাকালাম। ধবধবে সাদা রংয়ের মেনি বিড়াল। দেখে বিশ্বাসই হতে চায় না, এর রক্তের রংও লাল। টকটকে লাল।

বিড়ালটার গলা চেপে ধরলাম। হঠাৎ আমার এ ধরনের আচরণে বিস্মিত হল কি’না বোঝা গেল না। শুধু গলা দিয়ে ভোতা একটা আওয়াজ বের হচ্ছে।

নাহ! এভাবে হচ্ছে না। গলা থেকে হাত সরিয়ে নিলাম তিন সেকেন্ডের জন্য। বিড়ালটা শেষবারের মত এক ফুসফুস বাতাস টেনে নিলো। তারপরই বিড়ালটার গলার সাথে আড়াআড়ি ভাবে তর্জনীটা চেপে ধরলাম; গেঁথে দেয়ার মত করে। বিড়ালটা তার স্বরে চিৎকার করছে। শব্দটা মিউ এর ধারে কাছেও নেই। বরং ঘেউ এর নিকটবর্তী কোন স্বজন। একটা মৃত হাসি ঠোটের কোণায় জমা হল। মৃত্যু ক্ষণে বিড়াল কুকুরের মত ডাকে। অবশ্য মেনি বিড়ালের জায়গায় হুলো বিড়াল হলে বিষয়টা আরও জমত। এখন ওর গলায় অসহায়ত্ব আছে। হুলো বিড়াল হলে থাকত হিংস্রতা।

একটু পরেই আঙ্গুলটা বিড়ালের কণ্ঠনালী ভেদ করে ভেতরে ঢুকে গেল। ছিটকে রক্ত বেরিয়ে এসে শার্টে লাগল। কণ্ঠনালীর ফুটো দিয়ে আর একটা আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলাম। তারপর শরীরের সর্বশক্তি দিয়ে দু’দিকে টেনে সামনের ওপরের অংশ ছিঁড়ে ফেললাম। গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছে। দু’হাত দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। এতটুকু পুঁচকে বিড়ালের গায়ে এত রক্ত কোথা থেকে আসে, কে জানে?

এরপর টেনে বিড়ালটার চামড়া ছিঁড়ে ফেললাম। বুকের হাড়ের মাঝ দিয়ে মাংসের আবরণ ভেদ করে হাতটা ঢুকিয়ে দিলাম। টেনে কলজেটা বের করে এনে বার কয়েক উল্টে পাল্টে দেখলাম। নিরতিশয় সাদামাটা জিনিস। বিড়ালটার দিকে তাকালাম। মাথা ছাড়া দেহের আর কোন অংশ অক্ষত নেই। একটা ইট তুলে এনে সজোরে মাথার ওপর আঘাত করলাম। ইটটা সরিয়ে নিলাম। হলুদ মগজ আর লাল রক্ত মিলে একটা কমলা আবহ তৈরি করেছে। দেখতে খারাপ লাগছে না। খানিকক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম। এরপর রক্ত মাংসের দলাটাকে ধরে ছুড়ে ফেললাম, যতটা দুরে পারা যায়।

নিজের দিকে একবার তাকালাম। নীল শার্ট রক্তে ভিজে বেগুনী হয়ে আছে। দু’হাতে জমে থাকা অণুচক্রিকাগুলো জমাট বাধতে শুরু করেছে। মস্তিষ্ক এখন নিরুত্তেজিত, প্রায় বিধ্বস্ত। ডেনড্রাইটগুলো পরস্পরকে ছেড়ে দিয়েছে। মস্তিষ্ক এখন নিরুপদ্রব। আশ্চর্য রকমের শান্ত। তার কোন কার্যক্ষমতা নেই। খানিকটা এগিয়ে রাস্তায় কোনায় শুয়ে পড়লাম- একটা নেড়ি কুকুরকে জড়িয়ে ধরে। কুকুরটা পরম মমতায় দু’বার কুই কুই শব্দ করল। হয়তো খানিকটা আকুতি। খানিকটা ভালবাসার প্রত্যাশা। কিংবা, অর্থহীন কোন উচ্চারণ। যে কোন শ্রেণিতেই তাকে ফেলা যেতে পারে। ওপরে তাকালাম একবার জোছনার তীব্র বর্ষণ হচ্ছে। অদ্ভুত মত্ত বিভাবরী। অদ্ভুত মত্ত নিরুপদ্রব হৃদয়।

দু’চোখ ভরে ঘুম নেমে এল।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৫ thoughts on “বিভাবরী

  1. আমি এতক্ষণ আপনার লিখা আর,
    আমি এতক্ষণ আপনার লিখা আর, আপনার প্রফাইল দেখে যা বুঝলাম!
    এইটা আপনার ৩য় লিখা! এই লিখাটা পড়ার পর বাকি তিনটা পড়ার তীব্র অনুভূতি দমাইতে পারলাম না!!
    অসম্ভব সুন্দর গল্প বলতে পারেন আপনি!
    খুব খুব খুব ভাল লাগল; এত এত প্রবন্ধের মধ্যে চমৎকার গল্পটা পরে।
    আরও পড়ার আশাই থাকলাম…

    1. দ্রষ্টব্য: এটা ইশটিশনে আমার
      দ্রষ্টব্য: এটা ইশটিশনে আমার তৃতীয় লেখা। ফেবুতে এবং সামু/আমুতে আরও বেশি কিছু আছে।

  2. আপনার গল্প বলার ক্ষমতা মুগ্ধ
    আপনার গল্প বলার ক্ষমতা মুগ্ধ করার মতো। অসাধারণ। স্থান-কাল-পাত্রের বর্ননায় ডিটেইলিংগুলো আমি খুব মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করে পড়েছি। গল্প লেখার এটা একটা বিরাট আর্ট, আপনি সেটা খুব ভালো করেই পারেন। নিয়মিত লেখা চাই। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  3. অসাধারণ। দারুন লিখেছেন।
    অসাধারণ। দারুন লিখেছেন। ইষ্টিশনে ঘন ঘন আপনার লেখা আশা করছি। এই লাইনটা জোস লাগলো-

    মাতালরা শরৎচন্দ্রের সময়ের উপজীব্য। এখন সেখানে নিম্নস্তরে গাঁজা আর উচ্চস্তরে হেরোইন, ইয়াবা আর শিশা স্থান দখল করে নিয়েছে।

  4. খুব ভাল হয়েছে কোন সন্দেহ নাই।
    খুব ভাল হয়েছে কোন সন্দেহ নাই। আপনার লেখার সিকোয়েন্সগুলো খুব ভাল লেগেছে। চালিয়ে যান.. পাঠক হিসেবে আমরা আছি….

  5. গল্পটা শেষ করলাম পড়া… মাথা
    গল্পটা শেষ করলাম পড়া… মাথা ঝিম ঝিম করছে।
    পকেটে গাঁজা কেনার টাকা নাই। আপনার লেখা পড়বো সবসময়, গাঁজার নেশা এর ভিতরেই খুঁজে নেবো! অদ্ভুত মাদকতা আপনার লেখায়!

  6. অসাধারণ একটা গল্প। এটা আমি
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    অসাধারণ একটা গল্প। এটা আমি মিস করলাম কেমনে? :মাথাঠুকি:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

30 − = 29