মাটির যে বৃক্ষ আগুন গিলে রাখে

যেহেতু শরীর মাটির সেহেতু আমি একখণ্ড স্যাঁতস্যাঁতে ভূখণ্ড
কিলবিলে কেঁচো একে অন্যকে স্পর্শ করে মাড়িয়ে- আমার হাড়ের ভেতর পূর্বপুরুষের জীবাশ্ম খায়।
এমন ভয়ানক দৃশ্যের কাছে দার্শনিকেরাও ফেলেনি নোঙর। বাতাসে মেশা আমার পচনের তিব্রতায় নাক ঢাকা দিয়ে এ জ্যোতিষ্ক ছেড়ে গেলো। ঈশ্বর আর আমি এখন একসাথেই সমুদ্রে বেড়াতে যাবার স্বপ্ন দেখি…
কিছু কাঁকের জার্নালে আমাদের এই গোপন মেলামেশা সচিত্র এসেছিলো শিরোনাম হয়ে। শরীরে এত রসদ জেনে কাঁকেরা তাবু টাঙাল আমার নাভির নিচে বেলে মাটির উপর। সেখানে ভীষণ শীত…
একটি তাবু, দুটি তাবু, তিনটি, চারটি…… লক্ষ অজুত…… অসীম কালো কাঁক ঢেকে দিলো শরীর- দূরবীন দিয়ে দেখলে একজন কৌতূহলী আবিষ্কার করবেন আরেকটি ব্লাক-হোল।
ঈশ্বর আপনি মহান যেহেতু আপনার পাসওয়ার্ড ভেঙ্গে আমি এরকম একটি গোপন চিত্র দেখেছিলাম যেখানে একদল আগুন্তুক পাথরে পাথর ঘষছে আর আমি বৃক্ষ হয়ে আগুন গিলে রেখেছি।।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

76 − 75 =