ফিদেল ক্যাস্ট্রোর মৃত্যু এবং গণতন্ত্র ও উন্নয়ন বিতর্ক

স্বাধীনতা।মোটা দাগে প্রথমত দুইভাগে ভাগ করা যায় : রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। বহুল কথিত বাকস্বাধীনতা বা মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা একটি রাজনৈতিক স্বাধীনতা। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে বুঝি ব্যক্তির অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার যথেষ্ট ব্যবস্থা থাকা- জীবনধারণের জন্য আয় উপার্জন করার মতো কাজের নিশ্চয়তা এবং দারিদ্র্যমুক্ত থেকে জীবনযাপন করতে পারার সক্ষমতা। দুটো স্বাধীনতাই ব্যক্তি আশা করে। কিন্তুু রাষ্ট্র তার সম্পদের সীমাবদ্ধতা এবং রাজনৈতিক কাঠামোর কারণে অনেকসময়ই তার নাগরিকদেরকে দুটো স্বাধীনতা একইসাথে ভোগ করতে দিতে চায় না। বেশিরভাগ রাষ্ট্রই আগে তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে প্রাধান্য দেয়। আমার পেট ভরে ভাত খাওয়ার স্বাধীনতার সাথে আমার মতামত প্রকাশের স্বাধীনতার কোন বিরোধ নেই। অথচ রাষ্ট্র এমন একটা আচরণ করে যে আমাকে পেট ভরে খেতে হলে চুপচাপ থাকতে হবে। রাষ্ট্রের কোন বিষয়ে আমার কোন মতামত থাকবেনা।

স্বৈরতান্ত্রিক সরকার বলপ্রয়োগ করে জনগনকে চুপ থাকতে বাধ্য করে। তবে কোন অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশের বাস্তবতা যদি এমন হয় যে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতার মধ্যে যেকোন একটিকে বেছে নিতে হবে জনগন অর্থনৈতিক নিরাপত্তাটাই বেছে নেবে। কারণ এটি সরাসরি জীবনধারনের সাথে সম্পর্কিত।রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বিঘ্নিত করে, জীবনে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে এবং সর্বোপরি মানুষ নিরাপত্তার অভাববোধ করে। সেই সময়ে মানুষ যেকোন মূল্যে নিরাপত্তা চায় : জীবনের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বা সম্পদের নিরাপত্তা। তখন তারা স্থিতিশীলতার স্বার্থে সামরিক বা অনির্বাচিত সরকারকেও স্বাগত জানায়। পাকিস্তানে আইয়ুব খানের ক্ষমতায় আসা এবং বাংলাদেশে ফকরুদ্দিন আহমেদের ক্ষমতা গ্রহণের কথা মনে করা যেতে পারে। দুটোই প্রথমদিকে নন্দিত হয়েছিলো। স্থিতিশীলতার জন্য জনআকুতির এই সুযোগটাই নেয় সামরিক, স্বৈরশাসক এবং একনায়কেরা। তবে গবেষণা বলছে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথেই জনগনের মধ্যে রাজনৈতিক স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা জাগে।কোন দেশ এই আকাঙ্ক্ষাকে স্বীকৃতি দেয়;যেমন দক্ষিণ কোরিয়া গণতন্ত্রের পথে গেছে। কেউ দেয়না;যেমন চীন, রাশিয়া, কিউবা।

জনগনের জীবনমানের উন্নয়ন উচ্চ আয়ের উপর নির্ভরশীল-এমন বিশ্বাস আগে প্রচলিত ছিলো। নির্বাচিত বা অনির্বাচিত শাসকেরা তাই দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটিয়ে জনগনের জীবনমানের উন্নতির চেষ্টা করেছেন। এর উদাহরণ পায় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, মালয়েশিয়ায়। চীন, জাপান,কিউবাও হয়তো এমনই। যদিও তাত্ত্বিকভাবে রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতাকে পরষ্পরবিরোধী মনে হয়না বরং পরিপূরক মনে হয়, তবুও অনেক গবেষণাতেই দেখা যায় যে এইদুটোর মধ্যে শক্তিশালী কোন ইতিবাচক বা নেতিবাচক সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ গবেষণা বলছে রাজনৈতিক ব্যবস্থা যেমনই হোক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যদি পরিকল্পিত উপায়ে এগিয়ে নেওয়া যায় তাহলে জনগনের অর্থনৈতিক জীবনমান উন্নত হয়। উদাহরণ দক্ষিণ কোরিয়া এবং সিঙ্গাপুর। দক্ষিণ কোরিয়ায় পার্ক চুং হি (১৯৬১-১৯৭৯),মালয়েশিয়ায় মাহাথির মোহাম্মদ (১৯৮১-২০০৩), সিঙ্গাপুরে লি কুয়ান ইউ (১৯৫৯-১৯৯০ ) এবং ইন্দোনেশিয়ায় সুহার্তো (১৯৬৬-১৯৯৮)এমনকি উত্তর কোরিয়ার কিম দ্বিতীয় সাং (১৯৪৮-১৯৯৪) এর শাসনামলে দুর্নীতি রোধের অব্যাহত প্রচেষ্টা, ভবিষ্যৎমুখী এবং সাস্টেনেবল অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ, প্রভূত সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার আর দেশের প্রতি ডেডিকেশন ওই সব দেশকে এশিয়ার শক্তিশালী অর্থনীতিতে পরিণত করেছে। এদের মধ্যে মাহাথির এবং লি কুয়ান বাদে বাকি সকলেই সেনাবাহিনী থেকে আগত। তবুও তাদের মধ্যে মিল একজায়গায়। তারা সবাই ” Development first and Democracy later ” যেটাকে এ্যকাডেমিক্যালি বলা হয় Authoritarian Developmentalism সেই তত্ত্বের সমর্থক। অমর্ত্য সেন বলছেন যে এসমস্ত দেশগুলোর উন্নয়নের পর্যায়ে একনায়কেরা যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যেমন ভূমি সংস্কার, আর্ন্তজাতিক বাজার ব্যবহার এবং এক্সপোর্ট সাবসিডি সেগুলোও আসলে গণতান্ত্রিক কৌশল।

তাই বলে যারা ভাবছেন Authoritarian regime will bring about higher economic prosperity তাদের জন্য দুঃসংবাদ আছে প্রচুর। Democracy and Development নিয়ে গত বিশবছরে অসংখ্য গবেষণা হয়েছে,বিশেষ করে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে প্রবন্ধ নিবন্ধ বেরিয়েছে প্রচুর। কোন গবেষকই সুনির্দিষ্ট উপসংহারে পৌছাতে পারেনি যে কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থা সত্যিকারেই উন্নয়ন সহায়ক কিনা। যারা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সিঙ্গাপুর, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশের উদাহরণ দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কাউন্টার এক্সজাম্পলও আছে। যেমন ফিলিপাইনস, ইন্দোনেশিয়া, আর আফ্রিকার দেশগুলো। এইদেশগুলোতে কর্তৃত্ববাদী শাসন চালু থাকা সত্ত্বেও উন্নতি করতে পারেনি। আবার বতসোয়ানা গণতান্ত্রিক শাসনেই উন্নতি করেছে।

University of California at Berkeley এর অধ্যাপক প্রবণ বর্ধনের একটি প্রবন্ধ “Democracy and Development : A Complex Relationship. এখানে তিনি গণতন্ত্র ও উন্নয়নের মধ্যে সম্পর্কের বিষয়ে অন্য যেসব গবেষণা আছে সেগুলো পর্যালোচনা করে বলেছেন যে গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের মধ্যে তিন ধরনের সম্পর্ক ওইসব গবেষণাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এক. নেতিবাচক সম্পর্ক অর্থাৎ গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক। দুই. ইতিবাচক সম্পর্ক অর্থাৎ একটি অপরটির সম্পূরক। তিন. এগনোস্টিক। এটা একটু ব্যাখ্যা করি। এগনোস্টিক বলতে বোঝানো হয়েছে গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের মধ্যে সম্পর্ক অজানা। এই গবেষণাটা করেছেন Adam Przeworski and Limongi যেটা ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত হয়। তাদের ভাষায় ” we do not know whether democracy fosters or hinders economic growth “.

Seymour Lipset বলছেন ” অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গণতন্ত্র বয়ে আনে ” এবং সেজন্য “আগে উন্নয়ন, পরে গণতন্ত্র “। Samuel Hantington (1968) সালে লিখেছেন যে একটি দেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের সাথে সাথে তার প্রাচীন রাজনৈতিক কাঠামো ভেঙে যায় এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে ওঠে।এরপরই আসছে একটা চমক! Mesquita and George Downs ২০০৫ সালে তাদের গবেষণায় চীনের ক্ষেত্রে দেখাচ্ছেন যে চীন যথেষ্ট পরিমাণ অর্থনৈতিক উন্নতি করলেও গণতন্ত্রের দিকে যায়নি। তবে যারা যেমন Joseph Siegle,Michael Weinstein বলেন যে “আগে গণতন্ত্র, পরে উন্নয়ন ” তারা দেখিয়েছেন যে গণতান্ত্রিক দেশগুলো সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সূচকে অগণতান্ত্রিক দেশের চাইতে এগিয়ে থাকে। তাই তাদের মত হচ্ছে উন্নয়নশীল দেশে আগে গণতন্ত্রায়ন হওয়া দরকার।

উন্নয়ন ধারণাটা এখন আর আগের মতো নেই। উন্নয়ন মানে শুধু ত্রিশ বিলিয়ন ডলারের ফরেন রিজার্ভ, টেনেটুনে ছয় শতাংশ প্রবৃদ্ধি, সুউচ্চ সুরম্য প্রাসাদ, মেট্রোরেল আর পদ্মাসেতু এবং চৌদ্দশ ডলার মাথাপিছু আয় নয়। উন্নয়নের আধুনিককালের সংজ্ঞাটা পড়ে দেখা দরকার। অমর্ত্য সেন কী বলেন, ইউনেস্কো কী বলে, জাতিসংঘের ভাষ্য কী, এসব খোঁজ রাখতে হবে। দেশে আয় ও সম্পদ বৈষম্য কত, রাজনৈতিক স্বাধীনতা আছে না নেই, ফ্রিডম অব স্পিস এ্যান্ড প্রেসের কি হাল? বড় বড় হাসপাতাল আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হলেই দেশের উন্নয়ন হয়না এখন আর, আগে হতো। কত শতাংশ মানুষ ওইসব প্রতিষ্ঠানের সেবা ক্রয় করতে পারে? দেশে ষাটটা বাণিজ্যিক ব্যাংক থাকলেই হবেনা। কত শতাংশ মানুষের কত টাকা আমানত আছে ওসব ব্যাংকে? এইসব হিসাব করে তারপর বলতে হবে উন্নয়ন কতখানি হলো।

কিউবার নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রো মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর নেতৃত্ব এবং তাঁর শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে তাই এখনই কোন উপসংহারে পৌছাতে পাচ্ছিনা। কিউবানদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অর্থনীতি যথেষ্ট সমৃদ্ধ বলেই জেনেছি। কীভাবে সেটা সম্ভব হলো তাই নিয়েই বরং গবেষণা হওয়া উচিত।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “ফিদেল ক্যাস্ট্রোর মৃত্যু এবং গণতন্ত্র ও উন্নয়ন বিতর্ক

  1. পৃথিবীতে মত প্রকাশের
    পৃথিবীতে মত প্রকাশের স্বাধীনতার স্বর্গরাজ্য হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের মানবিক উন্নয়ন সুচক গুলোর সাথে কিউবার তুলনা করে দেখুন, উত্তর পেয়ে যাবেন। মত প্রকাশের স্বাধীনতা ভাতের নিশ্চয়তা দেয়না, তাই মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নটি – তাদের জন্যেই জরুরী, যাদের ভাড়ার ঘরে আগামী কয়েক বছরের খাবার মজুদ আছে। কিউবার সকল মানুষের তা ছিলো না, কিন্তু আজ আছে। আর আমেরিকার সকল মানুষের কোনও কালেই ভাতের নিসচয়তা ছিলোনা, আজও নেই। এই ডিসেম্বরে, আমেরিকায় শীতের যেকোনো রাতে প্রায় ছয় লক্ষ মানুষ গৃহহীন হয়ে পার্কে বা পারকিং লটে ঘুমাতে বাধ্য হবে। এদের কাছে মত প্রকাশের স্বাধীনতার মুল্য টা ঠিক কোথায়?

    সমাজ হিসাবে, কিউবার সাফল্য আমার মতামতের তোয়াক্কা করেনা, এ সাফল্যের রহস্যের কুল কিনারা করার জন্যে খোদ মার্কিন এজেন্সি গুলোও কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। সুতরাং ফিদেল ক্যাস্ট্রোর সাফল্য কে যারা মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিপরীতে দাঁড় করিয়ে খাটো করে বা করতে চায়, তাঁরা আংকেল স্যাম এর ভাতিজা বৈ আর কেহ নন।

    তবে আপনার লেখাটা ভালো লেগেছে।

  2. সারোয়ার ভাই
    সারোয়ার ভাই
    আমি কিন্তুু মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিপরিতে ভাতের স্বাধীনতাকে দাড় করায়নি। বিভিন্ন গবেষণার রেফারেন্স দিয়ে শুধু এটুকুই বলেছি যে ভাত ও মতের স্বাধীনতা সম্পূরক নাকি বিপরীত এ বিষয়ে কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌছানো যাবেনা এই মুহূর্তে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

    1. সুবিনয় মুস্তফী, দুঃখিত আমার
      সুবিনয় মুস্তফী, দুঃখিত আমার মন্তব্যটি পরিস্কার হয়নি। আমি বলতে চাইনি ভাত ও মতের স্বাধীনতা কে আপনি বিপরীতে দাঁড় করাচ্ছেন, বরং এটা একটা পুরনো প্রবনতা। এটার আদি উৎস ইউরোপীয় এনলাইটেনমেন্টই আছে। তবে অন্তত গত চার দশক ধরে পশ্চিমা বিশ্ব কিউবার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ টি করে আসছে। এর রকম ফের আছে – আমেরিকা যেভাবে বলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ গুলো সেভাবে বলেনা। তবে সবাই কম বেশী কিউবার মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার নিয়ে উচ্চকিত। যদিও – কিউবা থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে, গুয়ান্তানামো নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা মার্কিন যুক্তরাস্ট্র কে খুব সরব হতে দেখবেন না। তাই – মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়টির পোশাকী দিকটাও মুল্যায়ন করাটা জরুরী।

      আমার একজন ব্রিটিশ বন্ধুকে বলেছিলাম, “ব্রিটিশ রানী, তুমি আর পাবলিকের টাকার অপচয় করোনা” এই রকমের লেখা সম্বলিত একটি প্ল্যাকার্ড নিয়ে কি তুমি বাকিংহ্যাম প্যালেসের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে? বন্ধুটি স্মার্ট ভাবে উত্তর দিয়েছিলো – নিশ্চয় পারবো, অন্তত পুলিশ তুলে নেয়ার আগ পর্যন্ত তো বলতে পারবো। আমার কথা বাড়াবাড়ি মনে হতে পারে, তবে পশ্চিমা মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলতে আমরা যা বুঝি, সাধারনের জন্যে, তাঁর চরিত্র টা ঠিক এরকমেরই, পুলিশ তুলে নিয়ে যাবার আগ পর্যন্ত আপনি স্বাধীন – মত প্রকাশের ক্ষেত্রে।

      পুঁজির নিজের বিকাশের জন্যেও মত প্রকাশের স্বাধীনতা জরুরী। পশ্চিমা দুনিয়ার “মত প্রকাশের স্বাধীনতা” কি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে নাকি পুঁজির বিকাশের পথ প্রশস্ত করবার জন্যে, সেই বিতর্ক টাও কিন্তু জরুরী।

      আপনার লেখা আমার ভালো লাগে, আপনি অনুসন্ধিৎসু লেখক, এই বিশয় গুলো নিয়ে আপনার লেখা দেখতে চাই।

      1. মত প্রকাশের স্বাধীনতার
        মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে আপনি নন,আমিও নই। কিন্তুু রাষ্ট্র জনগনের সবধরনের স্বাধীনতাকেই ভয় পাই। আর পুঁজির বিকাশের সাথে মত প্রকাশের স্বাধীনতার সম্পর্ক নিয়ে যে সংশয় প্রকাশ করলেন সেটা যথার্থ। খুবই চমৎকার একটা প্রশ্ন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

74 + = 80