একটি আইজুদ্দীন বালছাল

অনেকক্ষন ধরে ভাবছি কিভাবে শুরু করব কিন্তু কোন কিছুই মাথায় আসছে না দেখে এমনিতেই শুরু করে দিলাম। শিরোনামটা খুবই পরিচিত তাই নয় কি! যতদুর জেনেছি এরকম শিরোনামের যিনি লেখক তিনি দীর্ঘ ছয়টি বছর ধরে আত্মগোপন থাকার পর “চৌকশ” একটি সাইবার দল(!) কর্তৃক মূল পরিচয়ে ধরা পড়েছেন।

গত কয়েকদিন থেকে আইজুদ্দীন সম্পর্কে অনলাইন মহল কতটা সক্রিয় তা ইস্টিশন ব্লগের বিভিন্ন ব্লগারের পোস্ট দেখেই বুঝতে পারছি। যেখানে অনলাইন মহল সাভার, গণজাগরন কিনবা যুদ্ধাপরাধ ইস্যু নিয়ে মাতোয়ারা থাকে সেখানে সব ছাপিয়ে স্থান নিয়েছে আইজু। এসব থেকেই কিন্তু বোঝা যায় আইজুর প্রভাবটা ঠিক কতবড়।

অনেকবার বলেছি বাংলা অনলাইন জগত বা ব্লগস্ফিয়ারে আমার আগমন খুব বেশিদিনের না, খুব অল্পদিনের হলেও ভাগ্য সুপ্রসন্ন হবার খাতিরে তরতর করে অনলাইন জগতের তারকাদের সান্নিধ্যে আসতে সক্ষম হয়েছি বলে তাদের সাথে একটা সুসম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। আর এদের মাঝে অন্যতম হলো ডাক্তার আইজু।

আইজু সম্পর্কে নতুন করে কিছুই বলার অবকাশ থাকে না। সে কিরকম প্রকৃতির চরিত্র তা ইতোমধ্যেই বিভিন্নজনের পোস্টে উঠে এসেছে। পক্ষে-বিপক্ষেও অনেক কথা এসেছে। সুতরাং এখানে নতুন করে তুলে ধরবার কিছুই নেই। তবে এক কথায় বাংলা অনলাইন জগতে “ছাগুপোন্দক” হিসেবে তার খ্যাতি অস্বাভাবিক রকমের উঁচু পর্যায়ে। তার ঐ ছদ্মবেশের সবচাইতে বড় গুনটি ছিলো অকপটে চরম সত্য কথা বলে ফেলা। যেসব কথা আমরা সামনাসামনি বলতাম, আলোচনা করতাম সেসব কথা সে অকপটে অনলাইনে তুলে ধরতো।

যেদিন পিয়াল ভাই আইজুকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়ে তাকে ব্লক করে কিনবা যেদিন সিডুও একই পথে চলে সেদিনও আমার মত অখ্যাত এক্টিভিস্ট আইজুকে ছাড়ি নাই। হতে পারে আইজুর বোনের জামাই জামায়াত করে, হতে পারে আইজু নিকধারীরা হাসিনা বিদ্বেষী, হতে পারে তারা কট্টর ইসলাম পন্থী। কিন্তু অস্বীকার করা যাবে আইজুর ভূমিকাগুলো? যদি বলেন আইজু নিকধারীরা স্রেফ অভিনয় করেছে তাহলে বলব তারা পাক্কা অভিনেতা। যার অভিনয়ে হার মেনেছে বাংলা ব্লগ জগতের “এ” টিম। যদি এটাই হয় তাহলে আমি বলব তারা “এ” টিম হতে পারে না। কেননা তারা প্রতারিত হয়েছে, প্রভাবিত হয়েছে সুতরাং তারা “এ” টিমের অযোগ্য। বাংলা ব্লগ জগতে “এ” টিমের প্রত্যেক সদস্য ভীষণরকমভাবে সম্মানিত এবং গ্রহণযোগ্য। এখন যদি আইজু ঐ “এ” টিমের সদস্য হয় এবং সে যদি অভিনয় কলা দিয়ে ছয় ছয়টি বছর খেয়াল করুন ছয় ছয়টি বছর পুরো “এ” টিমকে ঘোলা পানি খাইয়েছে আর সেই ঘোলা পানি আমরাও খেয়েছি। “এ” টিমের সদস্যরা কি জানতো না আইজুর বোনের জামাই জামায়াত করে কিনবা আইজু নিকধারীর চরিত্র সম্পর্কে কি তাদের একজনও ওয়াকিবহল ছিলো না? কেউ যদি বলে, না তারা ওয়াকিবহল ছিলো না তাহলে বলব তুমি মিয়া বালটা ছিঁড়া ছাড়া আর কিছুই জানোনা আর যদি সত্যিই তারা না জেনে থাকে তাহলে আবারো বলতে হয় তারা বাংলা ব্লগ জগতের “এ” টিম হতে পারেনা।

ফেসবুক থেকে আইডি ডিএকটিভেট করেছি বেশ কয়েকদিন হয়েছে আর তাই অতটা আপডেটেড না বিভিন্ন ব্যাপারে বিশেষ করে এই ব্যাপারে। তারপরেও গত একটি বছরের অভিজ্ঞতার বলেই এই পোস্ট লিখতে পারছি। ফেসবুকে কি চলছে সেটিও পুরোপুরিভাবে জানতে পারছি না। তবে যতদুর শুনেছি আইজু হিসাব চেয়েছে বলেই আজ তার মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে।

একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি, ব্যক্তি জীবনে একসময়ে মাঠপর্যায়ের রাজনীতি করতাম। শ্লোগান ধরা থেকে শুরু করে, ছেলে-পুলে ম্যানেজ করে মিছিল করা থেকে শুরু করে মারামারি পর্যন্ত করেছিলাম। কিন্তু দুঃসময়ে যখন কাউকে কাছে পাইনি, যখন খেয়ে না খেয়ে অহেতুক হয়রানির শিকার হয়েছি তখনও কাউকে পাশে পাইনি। উল্টো নানা জ্ঞানের বুলি শুনেছি ক্ষুধার্ত পেটে তখনই মাথায় চাপিয়েছিলাম অনেক হয়েছে এবার আর না। অনেক করেছি তোদের জন্য এবার ক্ষ্যামা দিবোই। যখন তোদের দরকার তখন মাথায় নিয়ে নাচিস আর দরকার ফুরোলেই ধুম করে আছাড় মারিস এর চাইতে নিজের হয়ে থাকাই ভালো এইরকম ভাবনা যখন মাথায় চেপেছে তখন থেকেই সরে গিয়েছিলাম। কিন্তু মনে কত দুঃখ-বেদনা ছিলো তা কখনো মুখ ফুটে কাউকে বলিনি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার কম হইনি তাদের হয়ে কাজ করতে গিয়ে অথচ যখন ফল আসলো উল্টো তখন নিজের জীবনটাকে বৃথা মনে হয়েছে।

এসব কথা একারণেই বলছি অনলাইনের যে সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা ছিলো তা আজ আর নেই। এখানেও বাণিজ্য চলে এসেছে। হয় তাদের কথামতো চলো, তাদের দেখানো পথে চলো, তাদের সুরেই সুর মেলাও নয়তো “তুমি একটা ছাগু/চীনা বাদাম” সহ নানারকম উপাধি এসে জুড়ে যাবে নিজের নামের সাথে। একবার যখন অসুস্থ রাজনীতি থেকে সরে এসেছি তখন কেন আবার সেই অসুস্থ রাজনীতিতে জড়াব? এই ভাবনা থেকেই সরে এলাম ফেসবুক থেকে। এখন বুঝতে পারছি সরে এসে কতটা মঙ্গল কাজ করলাম।

আবারো আইজু প্রসঙ্গ, একবার ভাবুন ছয় ছয়টি বছর আপনি লড়াই করেছেন আর ছয় বছর পর এসে একটি “চৌকশ” সাইবার দল আপনাকে ছাগু সাব্যস্ত করেছে। প্রমাণ হিসেবে জুড়ে দিয়েছে আপনার বোন জামাই জামায়াত, আপনি হাসিনা বিদ্বেষী, আপনি কট্টর ইস্লামিস্ট, কেমন লাগবে আপনার? চোখ বুঝে একটিবার ভাবুন।
এই হ্যাডা মার্কা “চৌকশ” সাইবার দলের সুত্র মোতাবেক আপনার পরিবারের কেউ যদি জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে তাহলে আপনি নিঃসন্দেহে একজন ছাগু/ছুপা কিন্তু বড় বড় আমলা নেতাদের মায়ের পেটের ভাই/বোন বা ছেলে/পুলে যদি সম্পৃক্ত থাকে তাহলে বলা হবে এটা রাজনৈতিক গুন!!!

এদের দ্বিতীয় সুত্র মোতাবেক আপনাকে হাসিনার অন্ধ ভক্ত হতে হবে ঠিক যেমনটি সংসদ অধিবেশনে আমলারা করে থাকে, বঙ্গবন্ধুর নাম নেয় একবার আর বাকী সময়টা জননেত্রীর গুনগানে শ্যাষ। এই গুন না থাকলে আপনি একজন ছাগু/ছুপা অথবা চৈনিক চীনা।

এদের তৃতীয় সুত্র মোতাবেক আপনি কট্টর ইস্লামিস্ট হতে পারবেন না, যদি হন তাহলে আপনার পক্ষে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে অবস্থান নেয়াটা সন্দেহজনক হবে। অথচ এই চুদির ভাইরা স্বনামে এসে নাস্তিকদের একাকার করে ফেলে এই বলে যে নাস্তিকরাই নাকি মুক্তিযুদ্ধ আর ধর্মকে মুখোমুখি করেছে কিন্তু চুতিয়ারা এটা দেখলো না তাদের আদর্শ ও নীতি কি বলে।

আজ যদি আইজু ছাগু বা ছুপা হয় হিসাব চাইবার কারণে, তাহলে বলব গত ছয়টি বছর আইজুকে যারা প্রমোট করেছে তারা সকলেই একই দোষে দুষ্ট। কেননা তাদের কারণেই আজ আইজু প্রভাব রাখতে সক্ষম হয়েছে। তাই তারা চাইলেও এর দায়ভার এড়িয়ে যেতে পারেনা। ঠিক একইরকমভাবে আমার মত হাজারো আইজু ভক্তরাও একই দোষে দুষ্ট। কেননা আইজু ছয় ছয়টি বছর তার পরিচয় গোপন রেখে আমাদের সকলের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে, তার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছি আমরা আর তাকে সহায়তা করেছে “এ” টিম। সুতরাং এদিক থেকে আমরাই সকলেই অযোগ্য প্রমাণিত হলাম।

সবশেষে এসে বলবো আইজু চলে গিয়েছে কিন্তু ফাঁদে ফেলে দিয়েছে আমাদের। আজ আইজু হিসাব চেয়েছে, যার জন্যে তাকে ছুপা সাবস্ত্য করা হয়েছে কাল আমি চাইবো পরশু আপনি চাইবেন এরপর জনগন চাইবে তখন কি করবে এই হ্যাডা মার্কা “চৌকশ” সাইবার দল!! তাই সময় থাকতে বুঝে শুনে চলা উচিৎ, এখন কি আর সেইদিন আছে? দিন বদলাইছে না!!!
এই বাংলার কম করে হলেও ১২ কোটি জনগন তাদের সমস্ত কিছু দিয়েছে এর হিসাব না দিয়ে পার পেয়ে যাওয়া খুব খুব খুব কঠিন।

জয় বাংলা…. জয় বঙ্গবন্ধু।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৯ thoughts on “একটি আইজুদ্দীন বালছাল

  1. মন্তব্য করছি না, অপেক্ষায়
    মন্তব্য করছি না, অপেক্ষায় আছি…
    তবে আমার ব্যক্তিগত একটা মজার বিষয় বলি, আমার দাদা সক্রিয় ভাবে জাতীয় পার্টিতে ছিলেন। আমার বাবা কলেজে পড়া কালীন সময়ে জেলা ছাত্রলীগের কিছু একটা ছিলেন। এইদিকে আমার নানা কট্টর বিএনপি ভক্ত!!

    এখন যদি কেউ আমার বাবা, দাদা বা নানার রাজনৈতিক দৃষ্টি দিয়ে আমার রাজনৈতিক মতামত বিবেচনা করে, তো সাঙ্ঘাতিক ভুল করবে

    1. এতো অপেক্ষা………. আর
      এতো অপেক্ষা………. আর সহেনা।
      সে যাই হোক আপনি জানেন কিনা জানিনা এদের কাছে মুক্তিযুদ্ধ ব্যাপারটা টেন্ডারবাজির মাধ্যমে দখল করা সম্পত্তির মতো। অমুকের বোনের জামাই জামায়াতের সাথে যুক্ত থাকলে তার ল্যাঞ্জা বের করা সহজ কিন্তু নিজের শ্বশুর যদি জামায়াত হয় সেখানে সমস্যা নাই কেননা ভালোবাসা জড়িত সেখানে। :মানেকি: :মানেকি: :মানেকি:

  2. তার মানসিকতা আমার কখনই পছন্দ
    তার মানসিকতা আমার কখনই পছন্দ ছিল না। কিন্তু, তাকে যেভাবে ছাগু অপবাদ দিয়ে সরিয়ে দেয়া হল, সেটাও মেনে নিতে পারছি না।

    1. ভাবতেই অবাক লাগছে ছয় ছয়টি বছর
      ভাবতেই অবাক লাগছে ছয় ছয়টি বছর ছাগু পোন্দানোর পর তারেই ছাগু ট্যাগ!!!
      শিট ম্যান। তার বিরুদ্ধে যেসকল অভিযোগ দাঁড় করানো হয়েছে সেসকল যুক্তি তুড়িতেই উড়িয়ে দিতে পারবে যে কেউ।
      মনে মনে ভাবছি মালাউন পরিবারে জন্মেছি বলে আমাকে জামায়াত-শিবির ট্যাগ দিতে পারবে না তারা, নইলে খবরই ছিলো আমার।

  3. ক্ষমতার রাজনীতি খুব নির্মম।
    ক্ষমতার রাজনীতি খুব নির্মম। ক্ষ্মমতার রাজনীতির কাছে পিতা-মাতা, ভাই-বোন, বন্ধু বান্দব সবই গৌন। ক্ষ্মমতার রাজনীতির কাছে ক্ষমতাই মুখ্য। এতো ক্ষমতার লড়াই সুমিত। আর এ লড়াইয়ে যে যেভাবে পারে সে সেভাবে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে চায়।আজ আপনি যা দেখছেন তা ক্ষমতালোভী দুই গ্রুপের লড়াই।

    কথা শুরুর আগে নিকট অতীতের কিছু ইতিহাস আপনাদের জানানো উচিত। আমার ব্লগ লেখা শুরু হয়েছিলো আইজুদ্দিনের সাথে ঝগড়ার মাধ্যমে। আমার ব্লগে বলতে গেলে প্রতিদিনই তার সাথে এবং ইফতেখার মোহাম্মদের সাথে ঝগড়া হতো। তাদের আওয়ামী দালালীপনা এতোই তীব্র যে তাদের এ সময়ের রাজাকার বললে ভুল হবে না। টিপাইমুখ বাঁদ, পিএসসি চুক্তি, ফুলবাড়ির কয়লা খনি থেকে শুরু করে প্রতিটি দেশ বিরোধী চুক্তির পক্ষে তারা দালালী করেছে নির্লজ্জের মতো(আমার ব্লগের ৪-৫ বছর আগের পোস্টগুলো দেখুন আপনি নিজেই তার প্রমান পাবেন। জানিনা এসব পোষ্ট তারা মুছে দিয়েছে কিনা) তথ্য-প্রমান- যুক্তি তাদের কাছে পাত্তাই পেতনা। যারাই তাদের বক্তব্যের বিরুদ্ধে কথা বলেছে তাদেরকে তারা গালির মাধ্যমে, ব্যাক্তিগত আক্রমনের মাধ্যমে চুপ করানোর চেষ্টা করেছে।

    আইজুদ্দিন গং রা এতোই সরকার ভক্ত যে তাদের কাছে টিপাইমুখ বাঁধ, পিএসসি চুক্তি, ফুলবাড়ি কয়লা খনির মতো দেশ বিরধী চুক্তিও ছিলো রাইট। আর সম্প্রতি সময়ে রামপালের বিদ্যুত কেন্দ্র নিয়ে আইজু কি বলেছে তা তো হয়তো আপনারা সবাই দেখেছেন।আপনি তাদের কথার বাইরে যাবেন তো আপনি ছাগু অথবা চীনা বাম। তারা স্বাধীনতা এবং যুদ্ধাপরাধের বিচার কে ব্যবহার করেছে অস্ত্র হিসেবে। যে কোন বিষয়ে আপনি তাদের ব্যাখ্যার বাইরে গেছেন তো আপনি ছাগু। ব্লগে আমি তাদের যে আচরন এবং দালালীপনা দেখেছি তাতে আমি আইজুদ্দিন গংদের কিছুতেই ভালো বলতে পারিনা। অতীতে তাদের গণবিরোধী নীতির বিরোধিতা করেছি এখনো করছি এবং ভবিষ্যতেও করবো।

    আমি আইজুদ্দিনের নীতির চরম বিরোধী হওয়া সত্বেও তার ব্যাক্তিগত জীবন জনসম্মক্ষে প্রকাশের বিপক্ষে। প্রজন্ম ব্লগ, শাহাবাগের সাইবার যুদ্ধ যা করেছে তা এককথায় ডিসগাস্টিং। তাদের এই কাজ তাদের আসল চেহারা উম্মোচন করলো । তাদের এই কাজ আইজুদ্দিনের প্রতিটি কোয়েশ্চন এবং অভিযোগ ভেলিড করে দিয়েছে। তাদের সাথে আইজুর চরম বিরোধ থাকতে পারে কিন্তু তাই বলে তারা আইজুদ্দিনের ব্যাক্তিগত জীবন, তার পরিবারের ছবি কিছুতেই জনসমক্ষে প্রকাশ করতে পারেন না। এটা মারাত্বক অন্যায়। আমি এদেরকে আইজুদ্দিনের চেয়েও বড় অপরাধী বলবো। আইজুর বাজে নীতির কারনে আইজুর পরিবার কে তারা সবার সামনে হেয় করতে পারেন না। এটা অন্যায়। মানুষ হিসেবে আমাদের সবার এধরনের জঘন্য কাজের তীব্র প্রতিবাদ করা উচিত।

    আর শাহাবাগ আন্দোলন কোনদিকে যাচ্ছে তা তো আমরা সবাই দেখতে পাচ্ছি। যারা এই আন্দলনকে কুক্ষিগত করেছে,যারা এই আন্দোলনকে নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গড়ে তুলে নিজেদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়তে ব্যস্ত তাদের উদ্দেশ্য আমি একটা কথাই বলবো, ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। আপনাদের অবশ্যই রাজনীতি করার অধিকার আছে। স্বাভাবিক প্রকৃয়ায় সবাই যেভাবে রাজনীতি করে সেভাবে আপনারাও রাজনীতি করুন।তাতে কারো কিছু বলার থাকবে না। পেছনের দরজা দিয়ে অথবা অরাজনৈতিক শক্তির হাত ধরে যদি কিছু করতে যান তাহলে পরিনতি খুব একটা সুখকর হবে না।

    ( গালি অথাব আযৌক্তিক কথার মাধ্যমে আলোচনা করতে আসলে আমি কোন মন্তব্যের উত্তর দেবো না। ধন্যবাদ। )

    1. ভালো বলেছেন।
      এইসব কুলাঙ্গার

      ভালো বলেছেন।
      এইসব কুলাঙ্গার প্রকৃতির অমানুষদের জন্য আজকাল কারো সাথে মন খুলে মিশতে মন চায় না। ভয় হয় কখন না জানি বন্ধুত্বের ছলে তারা আমাকেই তাদের ক্ষমতার আসনে চড়তে বলির পাঁঠা বানিয়ে ছেড়ে দেয়।

  4. যা বলার সকাল ভাই বলে দিয়েছেন।
    যা বলার সকাল ভাই বলে দিয়েছেন। খ্যাতি আর ক্ষমতার মোহ কঠিন জিনিস। এই মোহই শেষ পর্যন্ত গ্রাস করতে চলেছে ব্লগারদেরও, যাদের একসময় নির্মোহ বলেই মনে হতো অনেকটাই। আইজু আমার ফ্রেন্ড লিস্টে ছিলোনা কখনও, ফলোয়ার হিসেবেও ছিলাম না। আমার ব্লগেও সেভাবে কখনও বিচরন ছিলোনা। তাই আইজুর চরিত্র বিশ্লেষণে যাওয়াটা আমার আওতার বাইরে। তবে যারা আজ আইজুকে তুলোধুনা করছে তারাই আইজুকে আইজু হয়ে উঠতে সহায়তা করেছে বলেই সবার মন্তব্য থেকে বুঝতে পারছি।
    অনেকেই দেখলাম বলছে পরিচয়ের আড়ালে থেকে নীতিকথা বলার নৈতিক অধিকার কারো নেই। তাহলে ভার্চুয়াল এই চরিত্রের কথায় এতো নাচানাচিই বা কেন সেটা আমার মাথায় ধরে না। যাকে আপনি নাকচ করে দিচ্ছেন একটা যুক্তি দিয়ে, তার কথা নিয়েই নাচানাচি করাটা দ্বিচারিতা।

    1. অনেকেই দেখলাম বলছে পরিচয়ের

      অনেকেই দেখলাম বলছে পরিচয়ের আড়ালে থেকে নীতিকথা বলার নৈতিক অধিকার কারো নেই। তাহলে ভার্চুয়াল এই চরিত্রের কথায় এতো নাচানাচিই বা কেন সেটা আমার মাথায় ধরে না। যাকে আপনি নাকচ করে দিচ্ছেন একটা যুক্তি দিয়ে, তার কথা নিয়েই নাচানাচি করাটা দ্বিচারিতা।

      এরা থাকবে ভার্চুয়ালে কিন্তু স্বাদ পেতে চায় বাস্তবের, এদের স্বভাবটা বড়ই জঘণ্য।

  5. আমার ব্লগ ডটকমে ডাক্তার আইজুর
    আমার ব্লগ ডটকমে ডাক্তার আইজুর লেখা ব্লগগুলি পড়লে বোঝা যায় যে আইজু কি জিনিস !!! আইজু আর যাই হোক, জামাতি যুদ্ধপরাধীদের পক্ষের নয় । :মানেকি:
    ছাগু, ছুপা ছাগু, ছাগবান্ধবদের জন্য ভয়ংকর এক নাম “ডাক্তার আইজু” শেষ পর্যন্ত স্বপক্ষের কারো কাছ থেকে “ছাগু” অপবাদ নিয়ে এভাবে আড়াল হয়ে যাবে সেটা মেনে নেওয়া যায়না । :মাথাঠুকি:

    তাই, আমি চাই ডাক্তার আইজু আবার ফিরে আসুক :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

    1. আইজু ফিরে আসবে কিনা সেটা উনার
      আইজু ফিরে আসবে কিনা সেটা উনার ব্যক্তিগত ব্যাপার তবে সে যদি তার বোনের জামাই জামায়াত করার কারণে “ছাগু” হয় তাহলে কারো শ্বশুর যদি জামায়াতের হয় সেক্ষেত্রে কি করা যায়?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

18 − 9 =