রোহিঙ্গা

সভ্য শব্দটা এখন জাতিবাচক। ধর্মটা আমাদের জাতি নির্ধারণ করে দেয়। রোহিঙ্গারা দলে দলে ঢুকছে। বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিবৃতি দিছে মানবিক আচরণ দেখানো হবে। খুব ভাল লাগল।

ইতোমধ্যে অনেক রোহিঙ্গাই এসেছে। আমার কথা হচ্ছে হিসাবটা আছে তো!!!? যারা এসছে তাদের মৌলিক চাহিদা ( অন্তত খাদ্য, বাসস্থান) মিটছে কীভাবে? এদের তো বাঁচতে হবে। পেটে পাথর বেঁধে তে আর কেউ থাকতে পারেনা। একসময় দেখা যাবে পেটের দায়ে চুরি ডাকাতি করছে। তখন তার দায় কে নিবে?

আমরা কতদিনই বা তাদের হজম করব। এসব ব্যাপারে আসলে পরিষ্কার কিছুই বলা হয়নি। শুধু “মানবতা” বলে বিবৃতি দিলেই খেল খতম না। চুরি ডাকাতি করলে তো আমাদেরই যাবে। আপনার চুরি গেলে আপনিই তখন মানবতার “গোষ্ঠী কিলাই” বলে রোহিঙ্গার চৌদ্ধ গোষ্ঠী উদ্ধার করবেন।

এতো গেল সমস্যা। সমাধান তো ভাবা দরকার। মানবতার কথা বলে যেহেতু বৈধতা দিলেন সেহেতু তাদের প্রকৃত হিসাবটা দরকার। যাতে পরে তাদের ফিরিয়ে দেয়া যায় ( জানি ফিরে যাওয়ার জন্য কেউ দেশ ত্যাগ করেনা)। কূটনৈতিক আলাপ এখন জরুরি। ছোট্ট দেশ এমনিতেই জনবহুল সেখানে উটকো জনসংখ্যা তো… নির্দিষ্ট সময় আশ্রয়ের বিনিময়ে আমরা মায়ানমার থেকে কি কি সুবিধা পেতে পারি তা ভেবে রাখা দরকার।

আমার বিজ্ঞ পাঠকবৃন্দ এই ইসূতে কোন সমাধান ভেবে থাকলে জানাবেন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “রোহিঙ্গা

  1. প্রকৃত সমাধান নেই । মানুষকে
    প্রকৃত সমাধান নেই । মানুষকে ভাবতে হবে কেনও মানুষের উপর এমন আঘাত নেমে আসচ্ছে ? এর মূল জায়গার সমাধান দিতে হবে । কেননা শুধু রোহিঙ্গেরাই এর শিকার না । বিডির হিন্দুরাও এর শিকার । অতএব যেখানে এর মূল উৎস সেই জায়গাটা বের করে কেটে বাদ দিতে হবে । তা না হলে এজ্বালা মানুষকে ভোগ করতেই হবে ।

  2. অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার এইরকম
    অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার এইরকম একটি সুনির্দিষ্ট ও সুচিন্তিত পোস্ট করার জন্য।

    আমরা কতদিনই বা তাদের হজম করব। এসব ব্যাপারে আসলে পরিষ্কার কিছুই বলা হয়নি। শুধু “মানবতা” বলে বিবৃতি দিলেই খেল খতম না। চুরি ডাকাতি করলে তো আমাদেরই যাবে। আপনার চুরি গেলে আপনিই তখন মানবতার “গোষ্ঠী কিলাই” বলে রোহিঙ্গার চৌদ্ধ গোষ্ঠী উদ্ধার করবেন।

    এই লিখাটা দেখে খুবই ভালো লাগল, আপনি বর্তমান ভবিষ্যত দুটোই চিন্তা করেছেন।

    তবে আমার মনে হচ্ছে, আপনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের অবস্থান সম্পর্কে পরিপূর্ণ অবগত নন। কথাটা বলার কারণ হল- কক্সবাজারে বর্তমানে রোহিঙ্গা জিনিসটা ভাইরাসের মত মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। তাদের অপরাধের সীমা আমি আপনার চিন্তা ক্ষমতার বাইরে। মনে রাখা উচিত যে, বাংলাদেশে এইডসের জনক রোহিঙ্গাই।

    তাদের অপরাধের যে বিষয়টার কথা বলেছেন সেটাতে ইতোমধ্যেই তারা বেশ পারদর্শী হয়ে উঠেছে (এটা অনেক মানবতাবাদীদের অজানা)। তারা শুধু মানবতা মানবতা বলে গলার পানি শুকিয়েই যাচ্ছেন, রোহিঙ্গারা কি রকম মারাত্মক হতে পারে সে সম্পর্কে তাদের কোন ধারণাই নেই। এমন কোন খারাপ কাজ নেই, যেটা তারা করছে না। আমি নিজেই একটা জরিপ চালিয়ে দেখেছি যে, কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়ে যে মানুষগুলো বিভিন্নভাবে নানান হয়রানির স্বীকার হন তাদের ৯০ শতাংশই রোহিঙ্গাদের হাতে।

    শুধু কক্সবাজারে নয়, এরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, টেকনাফ, বাশখালী, সাতাকানিয়া, লোহাগাড়া, বান্দরবান, কুতুবদিয়া সহ আরও অনেক জায়গায়। উপরোক্ত তথ্যগুলো কারো কাছ থেকে শোনা বা জানা নয়, আমি নিজেই এর প্রত্যক্ষদর্শী।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

44 + = 53