শিবের নিচে কাবা আর সরকারের এক ঢিলে দুই পাখি মারা !

কাবার ছবির উপর শিবের একটি ছবি এডিট করে ফেসবুকে পোস্ট করা নিয়ে কিছুদিন পূর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে শান্তির অনুসারীদের তান্ডবের ইতিহাস আমাদের সবার জানা।ছবিটি যার ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট হয়েছিল সেই রসরাজ ছিল হিন্দু।৯৫% মুসলিমের দেশে একজন হিন্দুর এতবড়ো সাহস বরদাশ করা যায়না।তাই তাকে সহ তার পাড়া প্রতিবেশী সকলের উপর মধ্যযুগীয় সেই হামলা ছিল ইসলামিক মতে বৈধ।এখন ধরেন এই একই কাজ কোনো শান্তির অনুসারী করলো সেই ক্ষেত্রে শান্তির ধর্মের বিধান কি হবে ?
?efg=eyJpIjoiYiJ9&oh=8e83c052433b259df48714a368fdacd3&oe=58BAB3E2″ width=”500″ />
উসকানিদাতা হিসেবে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বাড়িঘরে হামলার অন্যতম উসকানিদাতা হিসেবে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার দিনগত মধ্যরাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কালাশ্রীপাড়া নৌকাঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশের একটি দল। তিনি যে সাইবার ক্যাফে চালান সেখান থেকেই রসরাজের ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে ধর্ম অবমাননার পোস্টটি দেওয়া হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জাহাঙ্গীর হরিপুর এলাকার আল-আমিন সাইবার পয়েন্ট ও স্টুডিও’র মালিক। নাসিরনগরে হামলার ঘটনায় পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত।এছাড়া আদালতে দেওয়া দুই ট্রাকচালকের জবানবন্দিতে হামলার ঘটনায় ট্রাক ভাড়াকারী হিসেবে যে কয়জনের নাম উঠে এসেছে তারমধ্যেও জাহাঙ্গীর অন্যতম।

শান্তির অনুসারীদের কাছে এখন আমার প্রশ্ন এই জাহাঙ্গীর কি শান্তির ধর্মের লোক নাকি অন্য ধর্মের লোক?যে অপরাধ করে একজন হিন্দু তার নিজের বাড়ি ঘর সহ আরো তিনশো বাড়ি ঘর শান্তির অনুসারী দ্বারা আগুনে ভস্মিভুত হলো ,লুটপাট করে সর্বশান্ত করে দেয়া হলো অনেকের বেঁচে থাকার স্বপ্ন, ভয়ে আতংকে নীরবে নিভৃতে দেশ ত্যাগ করলো কয়েকটি পরিবার।সেই একই অপরাধে কেন এখন জাহাঙ্গীরের বাড়ি ঘর আত্মীয় স্বজনের উপর হামলা করা হচ্ছে না।তাহলে কি এটাই বুঝবো
আল্লা বা নবীকে নগ্ন করুক আর কোরান ছিড়ে ছুড়ে ফেলুক এতে কারোরই ইমান্দন্ড খাড়া হবেনা যদি সে হয় শান্তির অনুসারী।কিন্তু অমুসলিম হলে তার রক্ষা নেই।সকলের ঈমানদণ্ডই তখন দাঁড়িয়ে যাবে।আকাশের দিকে উত্থিত হয়ে “আল্লাহু আকবর” “আল্লাহু আকবর” বলে কম্পিত হবে।

সরকার এই উস্কানির মূল হোতাকে গেরেপ্তার করেছে এই আনন্দে এদেশের বোকা হিন্দু গুলো আনন্দে লাফাচ্ছে। তারা ভুলে যাচ্ছে যে এটা সরকারের একটি মাস্টার প্ল্যান।আচ্ছা বলুনতো রসরাজ যদি নির্দোষী হয় তাহলে তাকে কেন এখনো জেলে বন্দি রাখা হয়েছে? কেন তার পরিবারের অন্য সদস্যরা দেশ ত্যাগ করেছে? কেন ওই এলাকার আরো সাত আটটি পরিবারের সন্ধান এখনো মেলেনি? উত্তর আছে আপনার কাছে।বলা হচ্ছে জাহাঙ্গীর নাকি বিনপি র রাজনীতির সাথে জড়িত।একে নিয়ে এখন একটি রাজনৈতিক নাটক শুরু হবে।সরকার একদিকে এদেশের বোকা হিন্দু গুলোকে বোঝাতে চাচ্ছে যে তারা তাদের পক্ষেই আছে।অপর দিকে ভারত সরকার কে তারা বোঝাতে চাচ্ছে এ কাজটি বিপক্ষ রাজনৈতিক দল করেছে আর তারা তা কঠোর হাতে দমন করছে।লাভের লাভ যা হিন্দুরা যে মাইনকার চিপায় পড়ে আছে আজীবন সেই চিপায় ই পড়ে থাকবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

22 − 14 =