মেয়েটি কাউকে খুঁজতো

মেয়েটি কাউকে খুঁজতো । কাকে খুঁজতো জানিনা। কিন্তু খুঁজতো। তার কথার মাঝে কেউ ছিলো। জানতে চাইনি তা কিন্তু নয় , উত্তরে হাসতো।

মাঝে মাঝে সে একজনের হাসির কথা বলতো আনমনে। খুব মায়ার এক হাসির কথা। বলতে বলতে সে নিজেই হাসতো। দেখে মনে হতো মানুষটা ঠিক তার সামনে বসেই হাসছে এখনো।

মেয়েটার সেই মানুষটা মনে হয় পাহাড় ভালবাসতো। মাঝে মাঝে দেখতাম তাকে পাহাড় দেখতে। পাহাড় পছন্দ নাকি জানতে চাওয়ায় বলতো এখন পছন্দ। জানতে চাইলাম, কেনো আগে ছিলো না! তাতেও উওর হাসি।

প্রত্যেকটা মুহূর্তেই সে কারো প্রতীক্ষা করে যেতো। বললে বলতো কই নাতো। এমন কিছু নেই। আমি বুঝতাম। মাঝে মাঝে বুঝানোর চেষ্টা করতাম কাজ হতো না। উত্তরটা খুব আজব আসতো, বলতো থাকুক না একটু নীল, কি এমন ক্ষতি হবে নীলটা পাশে থাকলে। এই উওরের মানে আমার জানা নেই।

মেয়েটার অনেক কথারই মানে আজো বুঝিনি। বেশির ভাগ সময় উওর এড়াতে সে শুধু হাসতো। হাসিতে এড়ানোর গুণটা তার অনেক। হয়তো সবকিছুর মানে বুঝতে হয়না। তাই আমারো বুঝতে পারা হলো না কি ছিল কথা। তবু আশা তো রাখা যায়। তাতে তো দোষের কিছু নেই। আশা রাখি তার সে প্রতীক্ষা শেষ হোক। মেকী পালানো হাসি দিয়ে নয়, ভালো থাকুক সে তার সত্যি হাসি নিয়ে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

1 + 4 =