ইসলাম কি আসলে পাথর পুজা ? শয়তানকে পাথর মারাটা কি জিনিস ?

হিন্দুরা তাদের দেব দেবীর প্রতিমা গড়ে পুজা দেয়, মুমিনরা সেটাকে বলে মূর্তি পুজা। কিন্তু সেই একই যুক্তিতে পাপ মোচনের আশায় মুসলমানরা কাবা ঘরের কাল পাথরকে চুম্মা খায় , সেটা কিন্তু পাথর পুজা না। পুরো বিষয়টা বুঝতে গেলে প্রথমে জানতে হবে পুজা জিনিসটা কি। আর তাহলেই বোঝা যাবে হিন্দুদের পুজাটা মূর্তি পুজা কি না , আর মুসলমানদের কাল পাথর চুম্বন পাথর পুজা কি না। তাহলে দেখা যাক।

হিন্দুরা তাদের দেব দেবীর প্রতিমা গড়ে পুজা দেয়, মুমিনরা সেটাকে বলে মূর্তি পুজা। কিন্তু সেই একই যুক্তিতে পাপ মোচনের আশায় মুসলমানরা কাবা ঘরের কাল পাথরকে চুম্মা খায় , সেটা কিন্তু পাথর পুজা না। পুরো বিষয়টা বুঝতে গেলে প্রথমে জানতে হবে পুজা জিনিসটা কি। আর তাহলেই বোঝা যাবে হিন্দুদের পুজাটা মূর্তি পুজা কি না , আর মুসলমানদের কাল পাথর চুম্বন পাথর পুজা কি না। তাহলে দেখা যাক।

পূজা অর্থ শ্রদ্ধা নিবেদন। হিন্দুরা সে অর্থেই পুজা শব্দটাকে ব্যবহার করে। তারা যে তাদের দেব দেবতাদের মূর্তি গড়ে তার সামনে পুজার অনুষ্ঠান করে,সেটা আসলে তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করে। তাদের বিশ্বাস তাদের ঈশ্বরের অনন্ত গুন আছে , তার মধ্যে হিন্দুরা যে গুন কামনা করে , ঈশ্বরের সেই গুনের প্রতিরূপ হিসাবে একটা দেবতার নাম দিয়ে তার মুর্তি গড়ে তার সামনে পূজা করে। উদাহরন – ঈশ্বরের একটা গুন হলো শক্তি। সেই শক্তিকে তারা দূর্গার নাম দিয়ে , দুর্গার একটা প্রতিমা গড়ে তার সামনে পূজা করে অর্থাৎ শ্রদ্ধা নিবেদন করে, যেন সেই শক্তি তাদেরকে রক্ষা করে। হিন্দুরা বিশ্বাস করে ঈশ্বর সর্বত্র বিদ্যমান ,তাই ঈশ্বরের সেই শক্তিরূপ দূর্গা তাদের গড়া প্রতিমার মধ্যেও বিদ্যমান। তাই তাদের বিশ্বাস এভাবে ঈশ্বরের শক্তিরূপ দুর্গাকে পুজা করলে তারা নানাবিধ বালা মুসিবত থেকে রক্ষা পাবে। তাদের যুক্তি , তারা প্রতিমার পুজা করে না , বরং তারা যাকে কল্পনা করে প্রতিমা গড়েছে ঈশ্বরের সেই শক্তি, তার পুজাই করে। কিন্তু মুমিনরা এটাকেই বলে মূর্তি পুজা। তাই তারা মাঝে মাঝে ইমানী জোসে সেই মূর্তি ভাঙ্গে। আর চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলে – যে দেব দেবতা তাদের মূর্তি রক্ষা করতে পারে না , তার পুজা কেন?

কথাটা ঠিক , যৌক্তিক আর বাস্তব সম্মত। এখন এই একই যুক্তি ইসলামে খাটাই।

সহিহ আত্ তিরমিজি :: হাজরে আসওয়াদ, রুকন ও মাকামে ইবরাহীমের ফযীলত অনূচ্ছেদ, অধ্যায় ৯ :: হাদিস ৮৭৭————–
হযরত ইবন আব্বাস (রাঃ) হতে বর্নিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: জান্নাত হতে হাজরে আসওয়াদ অবতীর্ন হয়েছিলো দুধ হতেও বেশি সাদা অবস্থায়। কিন্তু এটিকে আদম সন্তানের গুনাহ এমন কালো করে দিয়েছে।

সহিহ আত্ তিরমিজি :: হজ্জ অধ্যায়, অধ্যায় ৯ :: হাদিস ৯৫৯
কুতায়বা (র.)….. উমায়র (র.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, ইবন উমার (রা.) চাপাচাপি করে হলেও হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামনী বায়তুল্লাহর এই দুই রুকনে যেতেন। আমি একদিন তাঁকে বলাম, আপনি এ দুটি রুকনে ভীড়ে চাপাচাপি করে হলেও গিয়ে উপস্থিত হন কিন্তু অন্য কোন সাহাবী তো ইমন চাপাচাপি করে সেখানে যেতে দেখি না। তিনি বললেন, যদি অমি এরূপ চাপাচাপি-ধাক্কাধাক্কি করি তাতে দোষ কি? আমি তো রাসূলুল্লাহ(সা.)-কে বলতে শুনেছি, এ দুটো রুকন স্পর্শ করণে গুনাহসমূহের কাফফারা হয়ে যায় তাঁকে আরো বলতে শুনেছি, কেউ যদি যথাযথ ভাবে বায়তুল্লাহ্র সাতবার তাওয়াফ করে একটি ক্রীতদাস করার মত ছওয়াব হয়। আমি তাঁকে আরো বলতে শুনেছি , তাওয়াফ করতে গিয়ে এমন কোন কদম সে রাখেনা বা তা উঠায়না যদ্বারা তার একটি গুনাহ মাফ না হয় এবং একটি নেকী লেখা না হয়।

তার মানে হাদিস বলছে কাল পাথরকে স্পর্শ করলে মুমিনের পাপ মোচন হয়ে যায়। ফলে মুমিনের কি অবস্থা হয় সেটাও আছে হাদিসে —-

হজ্বে বাধাপ্রাপ্ত হওয়া অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৩ :: অধ্যায় ২৮ :: হাদিস ৪৬
মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ (র)… আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (সাঃ)বলেছেন, যে ব্যক্তি এ ঘরের হজ্জ আদায় করল, অশ্লীলতায় লিপ্ত হলনা এবং আল্লাহর নাফরমানী করল না, সে মাতৃগর্ভ থেকে সদ্য প্রসূত শিশুর মত হয়ে (হজ্জ) প্রত্যাবর্তন করবে।

অর্থাৎ হজ্জ করলে মুমিন সদ্য প্রসূত শিশুর মত নিষ্পাপ হয়ে যায়। তার কারন সে হজ্জের সময় কাল পাথর বা হজরে আসওয়াদ চুমু খেয়েছে বা স্পর্শ করেছে , আর কাল পাথর সাথে সাথেই তার সব পাপ শোষন করে নিয়ে তাকে সম্পূর্ন নিস্পাপ বানিয়েছে। যার সোজা অর্থ কাল পাথর মুমিনের সব পাপ মোচন করেছে। আর ঠিক সেই কারনেই মুহাম্মদ নিজেও তার পাপ মোচনের জন্যে কাল পাথরকে চুম্বন করত, যেমন —

হজ্ব অধ্যায় :: সহিহ বুখারী :: খন্ড ২ :: অধ্যায় ২৬ :: হাদিস ৬৮০
মুসাদ্দাদ (র)… যুবাইর ইবন ‘আরাবী (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি হজরে আসওয়াদ সম্পর্কে ইবন ‘উমর (রা)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে তা স্পর্শ ও চুম্বন করতে দেখেছি। সে ব্যক্তি বলল, যদি ভীড়ে আটকে যাই বা অপারগ হই তাহলে (চুম্বন করা, না করা সম্পর্কে) আপনার অভিমত কি? তিনি বললেন, আপনার অভিমত কি? এ কথাটি ইয়ামনে রেখে দাও। আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে তা স্পর্শ ও চুম্বন করতে দেখেছি। মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ ফেরেবরী (র) বলেন, আমি আবূ জা’ফর (র)-এর কিতাবে পেয়েছি তিনি বললেন, আবূ ‘আবদুল্লাহ যুবাইর ইবন ‘আদী (র) তিনি হলেন কূফী আর যুবাইর ইবন ‘আরাবী (র) তিনি হলেন বসরী।

অথচ কোরান বলছে –

সুরা আম্বিয়া -২১:৫১-৬৬:আর, আমি ইতিপূর্বে ইব্রাহীমকে তার সৎপন্থা দান করেছিলাম এবং আমি তার সম্পর্কে সম্যক পরিজ্ঞাত ও ছিলাম। যখন তিনি তাঁর পিতা ও তাঁর সম্প্রদায়কে বললেনঃ এই মূর্তিগুলো কী, যাদের তোমরা পূজারী হয়ে বসে আছ। তারা বললঃ আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে এদের পুজা করতে দেখেছি। তিনি বললেনঃ তোমরা প্রকাশ্য গোমরাহীতে আছ এবং তোমাদের বাপ-দাদারাও। তারা বললঃ তুমি কি আমাদের কাছে সত্যসহ আগমন করেছ, না তুমি কৌতুক করছ?তিনি বললেনঃ না, তিনিই তোমাদের পালনকর্তা যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের পালনকর্তা, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন; এবং আমি এই বিষয়েরই সাক্ষ্যদাতা।আল্লাহর কসম, যখন তোমরা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যাবে, তখন আমি তোমাদের মূর্তিগুলোর ব্যাপারে একটা ব্যবস্থা অবলম্বন করব। অতঃপর তিনি সেগুলোকে চূর্ণ-বিচুর্ণ করে দিলেন ওদের প্রধানটি ব্যতীতঃ যাতে তারা তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তন করে।তারা বললঃ আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার কে করল? সে তো নিশ্চয়ই কোন জালিম।কতক লোকে বললঃ আমরা এক যুবককে তাদের সম্পর্কে বিরূপ আলোচনা করতে শুনেছি; তাকে ইব্রাহীম বলা হয়।তারা বললঃ তাকে জনসমক্ষে উপস্থিত কর, যাতে তারা দেখে। তারা বললঃ হে ইব্রাহীম তুমিই কি আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার করেছ? তিনি বললেনঃ না এদের এই প্রধানই তো একাজ করেছে। অতএব তাদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তারা কথা বলতে পারে।অতঃপর মনে মনে চিন্তা করল এবং বললঃ লোক সকল; তোমরাই বে ইনসাফ।অতঃপর তারা ঝুঁকে গেল মস্তক নত করে, তুমি তো জান যে, এরা কথা বলে না।তিনি বললেনঃ তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর এবাদত কর, যা তোমাদের কোন উপকার ও করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না ?

কোরান বলছে মূর্তি কারও কোন উপকার করতে পারে না, তাই ইব্রাহীম তার পূর্ব পুরুষদের আরাধ্য দেব দেবীর মূর্তি ভেঙ্গে ফেলেছিল। মুহাম্মদও ঠিক একই কাজ করেছিল মক্কা বিজয়ের পর, যেমন —

হজ্ব অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ২ :: অধ্যায় ২৬ :: হাদিস ৬৭১
আবূ মা’মার (র)… ইবনে ‘আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) যখন (মক্কা) এলেন, তখন কা’বা ঘরে প্রবেশ করতে অস্বীকৃতি জানান। কেননা কা’বাঘরের ভিতর মূর্তি ছিল। তিনি নির্দেশ দিলেন এবং মূর্তিগুলো বের করে ফেলা হল। (এক পর্যায়ে) ইবরাহীম ও ইসমা’ইল (‘আ)- এর প্রতিকৃতি বের করে আনা হয়- তাদের উভয়ের হাতে জুয়া খেলার তীর ছিল। তখন নবী করীম (সঃ) বললেনঃ আল্লাহ ! (মুশরিকদের) ধ্বংস করুন। আল্লাহর কসম ! অবশ্যই তারা জানে যে,[ ইব্রাহীম ও ইসমা’ঈল (আ) ] তীর দিয়ে অংশ নির্ধারণের ভাগ্য পরীক্ষা কখনো করেন নি। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) কা’বা ঘরে প্রবেশ করেন এবং ঘরের চারদিকে তাকবীর বলেন। কিন্তু ঘরের ভিতরে সালাত আদায় করেন নি।

অর্থাৎ মুমিনরা বিশ্বাস করে ও ইসলামের বিধান- পাপ মোচনের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। আবার তারা একই সাথে এটাও বিশ্বাস করে কাল পাথরও পাপ মোচন করতে পারে। তাহলে তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী কাল পাথরটাই কি আল্লাহ হয়ে গেল না ? মুমিনকে এ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা মাত্রই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে নানারকম আগডুম বাগডুম কথা বলা শুরু করবে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে , মুমিনরা এই কাল পাথরকে কায় মনোবাক্যে শ্রদ্ধা করে কারন তারা নিষ্পাপ হতে চায় এবং দল বেধে হজ্জে গিয়ে কাল পাথরকে স্পর্শ করে নিষ্পাপ হওয়ার জন্যে তারা এতটা উন্মাদ হয়ে যায় যে অনেক সময় ভীড়ের চাপে বহু মুমিন পটল তোলে। অর্থাৎ স্পর্শ বা চুমুর মাধ্যমে কাল পাথরকে শ্রদ্ধা দেখাতে গিয়ে তারা জীবনকে বিপদগ্রস্থ করতেও পিছপা হয় না।

সুতরাং তারা যে যুক্তিতে হিন্দুদেরকে বলে যে তারা মূর্তি পুজা করে , ঠিক সেই একই যুক্তিতে মুসলমানরা কি কাল পাথর পুজা করে না ? নাকি হিন্দুদের বেলায় এক ধরনের যুক্তি , আর মুসলমানদের বেলায় ভিন্ন ?

হিন্দুরা তো তবু কল্পনা করে যে তাদের ঈশ্বর বা ঈশ্বরের গুন রূপ দেবতা তাদের প্রতিমার মধ্যে বিধ্যমান, কিন্তু মুসলমানরা তো কখনই মনে করে না যে কাল পাথরের মধ্যে তাদের আল্লাহ বিদ্যমান অথচ আবার সেই কাল পাথরকেই পাপ মোচনের মাধ্যম হিসাবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। তার মানে হিন্দুরা যেখানে আংশিক ভাবে হলেও মূর্তি পুজাই করে , সেখানে মুসলমানরা কি ১০০% ই পাথর পুজা করে না ?

এতক্ষনে মুমিনরা দল বেধে ওমর কথিত একটা হাদিস দেখিয়ে বলবে যে, ওমর বলেছে কাল পাথরের কোন গুন নেই। যেমন-

হজ্ব অধ্যায় :: সহিহ বুখারী :: খন্ড ২ :: অধ্যায় ২৬ :: হাদিস ৬৬৭
মুহাম্মদ ইবনে কাসীর (র)… ‘উমর (রা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি হাজরে আসওয়াদের কাছে এসে তা চুম্বন করে বললেন, আমি অবশ্যই জানি যে, তুমি একখানা পাথর মাত্র, তুমি কারো কল্যাণ বা অকল্যাণ করতে পার না। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-কে তোমায় চুম্বন করতে না দেখলে কখনো আমি তোমাকে চুম্বন করতাম না।

ওমরের বক্তব্য অনুযায়ী, তাই কাল পাথরকে চুম্বন বা স্পর্শ করলে কারও পাপ মোচন হয় না। কিন্তু প্রশ্ন হলো – কার কথা ইসলাম ? মুহাম্মদের কথা , নাকি ওমরের কথা ? কোন এ্কটি বিষয়ে মুহাম্মদ যে কথা বলবে , ঠিক সেই একই বিষয়ে ওমর যদি ভিন্ন কথা বলে , তাহলে কার কথা গ্রহন করতে হবে ? সুতরাং যারা মুহাম্মদের কথা ও শিক্ষাকে বাদ দিয়ে, কাল পাথরের বিষয়ে শুধুমাত্র ওমরের বক্তব্যকে গ্রহন করতে চায়, তারা কি আসলে মুহাম্মদকে নবী হিসাবে অস্বীকার করে ওমরকে তাদের নবী বানাচ্ছে না ? আর এর পরেও নিজেকে সহিহ মুমিন হিসাবে দাবী করছে। কিন্তু বাস্তবে তারা কি আসলে মুনাফিক না ?

এরপর হজ্জের সময় , শয়তানকে পাথর মারার প্রথা চালু আছে। একটা কাল দেয়াল আছে মক্কাতে , সেই কাল দেয়ালকে মনে করা হয় শয়তান আর মুমিনরা সেই শয়তানের ওপর পাথর ছোড়ার জন্যে হুড়োহুড়ি করে , উন্মাদ হয়ে যায়। গত বছর এমন হুড়োহুড়িতে ৩০০০ এর বেশী হাজী পদপিষ্ট হয়ে বেঘোরে প্রান হারায়। তো কাল দেয়ালটা কি শয়তান ? আর তার গায় পাথর ছুড়লে সেটা কি শয়তানের গায়ে গিয়ে লাগে ? এটাও কি পৌত্তলিকতা নয় ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

18 + = 24