আপনি কি বলেন?

বিধাতা আছেন কি নেই, আমি সেই বির্তকে যেতে চাই না কারন আমি সেই জ্ঞান ধারন করি না। আমি সীমাবদ্ধ মানুষ। খুব সাধারন আমার বুদ্ধিবৃত্তি। আমি সাদাকে সাদা ও কালকে কাল বলেই বিশ্বাস করি। বিধাতা ও মানুষের যে দুরত্ব তা ঘুচাবার কম্ম মানুষের নয়। মানুষ নাকি তার মগজের ৮৯% ভাগ না খাটিয়েই আজকের মানুষে রুপান্তরিত হয়েছে। যদি বাকী মগজের ইস্তেমাল করতে পারতো তা হলে কি হতো ভাবুন তো। আমি এত ভাবতে পারি না। আমার ধাতে সয় না। আমি শুধু বিশ্বাস করি বিধাতা ধর্ম পাঠাননি। ধর্ম মানুষের কৌশলগত অস্র। মানুষ হয়ে মানুষকে ধর্মের ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রনে নেয়ার কৌশলমাত্র। আর কিছু নয়। বিধাতা মানুষকে পরিপূর্ন করেই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। একমাত্র শিশু, প্রতিবন্দি ও পাগল ছাড়া সবাই ভালো ও মন্দের পার্থক্য বোঝে। এই ভালো ও মন্দ বুঝে চলার নামই একটি পরিপূর্ন ধর্মিও জীবন। সবাই বুঝে শুনে চললেই পৃথিবী ও সর্গের মধ্যে পার্থক্য থাকে না। যদি বিশ্বাসই করি যে, বিশ্বভ্রামন্ডে যা কিছু আছে সব তারই সৃষ্ট্রি। বিধাতা চাইলে মানুষকে র্ধামিক করেই পৃথিবীতে পাঠাতেন। মানুষ সেই ভাবেই চলত। তিনি মানুষকে শতভাগ স্বাধীনতা দিয়েই একটি জীবনকাল দিয়েছেন। তার ব্যাবহার সে কিভাবে করবে সেটা তার একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। সেখানে তিনি কোনরুপ বাধ সাধেন না। বাধ সাধলে অন্যায়ের সাজা সরাসরি বিধাতাই কার্যে পরিনত করতেন। কোন মানুষ অন্যায় করে পার পেত না। মানুষ যা কিছু করে সব জেনে বুঝেই করে। উপাশনা পাওয়াটাই যদি বিধাতার একমাত্র বিবেচ্য বিষয় হত, তবে তিনি উপাশনা করার একটি ক্রোমজম মানুষের জিনমচার্টে যোগ করে দিতেন। নিজেকে দেওলিয়া ঘোষনা করে প্রতিনিধি পাঠানোর মত বোকা বোকাই এর গল্প ফেদে বসতেন না বা এত গল্পগাথারও অবতারনা করতেন না।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 + 4 =