ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান(The Historical Role of Islamrits) HQপিডিএফ

মানবেন্দ্ৰ নাথ রায় (১৮৮৭-১৯৫৪) এদেশে এম. এন. রায় নামেই সবিশেষ পরিচিত। রেডিক্যাল হিউম্যানিস্ট আন্দোলনের পুরোধা এই ব্যক্তি লেনিন-স্ট্যালিনের সহকর্মী ও কমরেড হিসেবে কাজ করেছেন এবং সুপ্রিম সোভিয়েতের পোলিট ব্যুরোর সদস্য ছিলেন। সানিয়াতসেন সহ বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকের সকল বিশ্ব-ব্যক্তিত্বের সংসম্পর্শে এসেছিলেন এবং আমেরিকায় গড়ে তুলেছিলেন বিশ্বের দ্বিতীয় সমাজতান্ত্রিক দল। অন্ততঃ দশবার তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করেছেন পুলিশী হাঙ্গামা এড়াবার জন্য এবং পিকিং থেকে পায়ে হেঁটে মস্কো পৌছে গেছেন বিশ্ব-বিপ্লবের লক্ষ্যে।

বইঃ ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান(The Historical Role of Islamrits) HQপিডিএফ
লেখকঃমানবেন্দ্ৰ নাথ রায়
বই দিয়েছেনঃ কাজী মাহমুদুল হক
স্ক্যান ও এডিটঃ গোলাম মাওলা আকাশ
সাইজঃ ৭.৮০ মেগাবাইট
লিঙ্কঃ https://www.pdf-archive.com/2016/12/05/islamer-oitihasik-obodan-gmakas/
Short link: ঃ https://document.li/zh9f

মানবেন্দ্ৰ নাথ রায় (১৮৮৭-১৯৫৪) এদেশে এম. এন. রায় নামেই সবিশেষ পরিচিত। রেডিক্যাল হিউম্যানিস্ট আন্দোলনের পুরোধা এই ব্যক্তি লেনিন-স্ট্যালিনের সহকর্মী ও কমরেড হিসেবে কাজ করেছেন এবং সুপ্রিম সোভিয়েতের পোলিট ব্যুরোর সদস্য ছিলেন। সানিয়াতসেন সহ বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকের সকল বিশ্ব-ব্যক্তিত্বের সংসম্পর্শে এসেছিলেন এবং আমেরিকায় গড়ে তুলেছিলেন বিশ্বের দ্বিতীয় সমাজতান্ত্রিক দল। অন্ততঃ দশবার তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করেছেন পুলিশী হাঙ্গামা এড়াবার জন্য এবং পিকিং থেকে পায়ে হেঁটে মস্কো পৌছে গেছেন বিশ্ব-বিপ্লবের লক্ষ্যে।
তীক্ষ বিশ্লেষণে পারঙ্গম ও মানব সভ্যতার প্রতি মমতাময় দূরদৃষ্টির অধিকারী এম. এন. রায় ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, লেখক ও বৈজ্ঞানিক। তিরিশের দশকে জেলে থাকাকালীন সুযোগে তিনি ইসলামের উপর পড়াশুনা করেন এবং The Historical Role of Islamrits এই অসাধারণ পুস্তিকাটি লেখেন। বইটি ১৯৩৬ সনে প্রথম পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয় এবং ১৯৪৮-এ বাংলায় অনুদিত হয়। ইতিমধ্যেই কমু্যনিজমের অগ্রপথিক এম. এন. রায় কমু্যনিজম ত্যাগ করে রেডিক্যাল হিউম্যানিজমের নতুন আদর্শে দীক্ষা নিয়েছেন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান(The Historical Role of Islamrits) HQপিডিএফ

  1. কিন্ত ইসলামের ভুল, বিচ্যুতি ও
    কিন্ত ইসলামের ভুল, বিচ্যুতি ও কালো দিকগুলো কেউ দেখিয়ে দিলেই হয় তার বইটি নিষিদ্ধ করা হবে বা তার গর্দান কাটা হবে! একজন বিখ্যাত পন্ডিত বলেছিলেন, মুসলিমরাই হলো ইসলামের প্রথম শিকার!!! আজ বিশ্বে প্রতিবছর যে কয়েক লক্ষ মুসলিম মারা যাচ্ছে তার ৯৫% ই মরছে মুসলিমদের হাতেই!!! সুতরাং উক্তিটি প্রমাণিত!!!

  2. এম.এন রায়ের বইখানি অনেক আগেই
    এম.এন রায়ের বইখানি অনেক আগেই পড়েছি। বইটা ইসলামবাজদের অতি পছন্দের বই। ইসলামের বিপক্ষে যায় এমন সমস্ত ঐতিহাসিক ঘটনাকে অস্বীকার করা হয়েছে পর্যাপ্ত কারণ ছাড়াই- যেমন আলেজান্দ্রিয়ার গ্রন্থাগার পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা। আবার ইসলামিক সাম্রাজ্যে জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার অতিরঞ্জিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। ইসলামিক ইতিহাসে পরিস্কার ধারণা ছিল বলেও তার লেখা পড়ে মনে হয় না। গোটা লেখায় সিরাত গ্রন্থগুলি যেগুলী ইসলামিক ইতিহাসের একমাত্র উপাদান সেগুলীর কোন উল্লেখই নেই। মনে হয় তিনি লেখার জন্য কিছু পাতি পশ্চিমা লেখালিখি থেকেই উপাদান সংগ্রহ করেছিলেন। এক কথায় এই বিষয়ে এত ফালতু লেখা আমার অার চোখে পড়েনি, যদিও কিছু বামপন্থী মহলে বইটি এখনও জনপ্রিয়। ইসলামের নবীর ডাকাতিকে পর্যন্ত্য ঘুড়িয়ে ফিরিযে সমর্থন করা হয়েছে।

    তিনি কোন ক্রিটিকাল অ্যানালিসিস করারও চেষ্টা করেননি, শুধু ইসলামের ভূয়সী প্রশংসাই করেছেন। তার জন্য অবশ্য তাকে দোষ দেওয়া যায় না, কারণ তখনও পর্যন্ত এই সংক্রান্ত গবেষনা শুরুই হয়নি। নলডেকের প্রবন্ধটি লেখা হয়ে চোখের আড়ালে চলে গিয়েছিল। Revisionist School of Islamic Studies এর জন্ম হওয়ার আগে পর্যন্ত্য এই সম্পর্কে আমাদের কারুরই সম্যক ধারণা ছিল না। আর উনি লেনিনের সহযোদ্ধা হলেও একসময়ে বলেছিলেন ‘আমি মার্কসিস্ট নই, মার্কসিয়ান’। ভারতের বামপন্থী আন্দোলনে উনি আদপেই কোন ভূমিকা রাখতে পারেন, বরং একটা পর্যায়ে এসে বিরোধীতা করেছেন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 55 = 64