ইন্টারনেট ব্যবহারে কেন সময়ের বাধ্যবাধকতা?

একবিংশ শতাব্দীর এই বিশ্বায়নের যুগে তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার সর্বত্র বিদ্যমান। বাংলাদেশে একটু দেরিতে হলেও এর ব্যবহার ব্যাপক ভাবে বিস্তৃতি লাভ করছে। যে কোন দেশের উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থা অন্যতম ভূমিকা রাখে। বিশ্বের অগ্রযাত্রায় ক্ষুদ্রাতীতভাবে হলেও আজ শামিল হতে পেরেছি বিশ্ব কাতারে। বাংলাদেশে বর্তমানে ছয়টি মোবাইল অপারেটর সক্রিয় রয়েছে। গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক, সিটিসেল, এয়ারটেল, টেলিটক। মোবাইল ব্যবহারের সাথে সাথে আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষ এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। আমরা জানি বর্তমানে দেশে যে কয়টি মোবাইল অপারেটর রয়েছে সব থেকে বড় মোবাইল কোম্পানি গ্রামীনফোন। বিশেষ করে গ্রামীন ইন্টারনেট অফার সকল কোম্পানির চেয়ে বর্তমানে বেশি, এবং তাও আবার থ্রিজি ইন্টারনেট! কোন টুজি ইন্টারনেট অফার নেই। গ্রামীন ফোন অপারেটরের সাথে রবিরও ভাল উন্নতি লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য মোবাইল অপারেটর গুলোর কিছু নিয়মতান্ত্রিকতার বাধ্যবাধকতায় দেশের সাধারন মানুষ অনেকটা অতিষ্ঠ এবং বিব্রত। বিশেষ করে অপারেটরদের অপ্রয়োজনীয় বিরামহীন মেসেজ এবং ইন্টারনেট ব্যবহারে সীমিত সময়ের বাধ্যবাধকতা। আমরা জানি যে কেউ ব্যবসা শুরু করে লাভের আশায় এতে দ্বিমত করার সুযোগ নেই কিন্তু লাভের আশায় লোভে পড়া আর লোভের শিকার দেশের অসচেতন এবং সরল সাধারন মানুষ যা রীতিমত অন্যায় এবং অগ্রহণযোগ্য। সাধারন ভাষায় যদি বলি এমবি কিংবা জিবি যাই বলি, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সঠিক মুল্য পরিশোধের মাধ্যমেই যে কোন অপারেটর থেকে কিনে তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে কেন এত সময়ের বাধ্যবাধকতা? হ্যা ধরে নিচ্ছি একটা নিয়মের মধ্যে রাখা চাই কিন্তু কেন অন্য সব শর্তাবলীগুলোর সাথে অসামঞ্জস্য? কেন সীমিত সময়ের? মুল্য পরিশোধের পরও কেন তাদের হস্তক্ষেপের কালো হাত? এইসব কী সেবামুলক কোম্পানী নাকি নিতান্তই ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান। এই রক্তচোষা ব্যবসায়ীক মনোভাব থেকে একটু সরে আসুন একটু সেবামুলক মনোভাব গড়ে তুলুন। ব্যবসা তার নিজের গতিতেই গন্তব্যে পৌছে যাবে, সাথে অর্জিত হবে ১৬ কোটি মানুষের শক্তির হাত।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “ইন্টারনেট ব্যবহারে কেন সময়ের বাধ্যবাধকতা?

  1. এই রক্তচোষা ব্যবসায়ীক মনোভাব
    এই রক্তচোষা ব্যবসায়ীক মনোভাব থেকে সরে এসে সেবামুলক মনোভাব গড়ে তুলতে পারলে ব্যবসা তার নিজের গতিতেই গন্তব্যে পৌছে যাবে, সাথে অর্জিত হবে ১৬ কোটি মানুষের শক্তির হাত।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 40 = 48