তোমার একটা ছবির গল্প – ২

তোমার অনেক গুলো ছবির গল্প আমার চোখে ভাসছে। একটা একটা করে সব লেখে ফেলবো। ছবি গুলো দেখলেই মনে হয় না লেখলে ভুল হবে। না লেখলে অনেক কিছু ছেড়ে আসা হবে। আমি ছেড়ে আসতে চাইনা তোমার একটি ছিটেও।

এক অপরূপ চারপাশ নিয়ে তুমি দাঁড়িয়ে। তোমার স্বপ্নের জায়গায়। সুউচ্চ পর্বতের চূড়ায়। হাতে শক্ত করে ধরে আছো লাল সবুজের পতাকা। এটা তোমার জন্য কত যে আনন্দের, কত ভালবাসার আমি জানি। কি যে বিশাল আনন্দ তোমার চোখে আমি টের পেয়েছি, মোটা সেই গ্লাস তোমার ভিতরের ধুকপুক আটকাতে পারেনি আমার কাছে।

শীতে জমে যে অস্থির বুঝতে পারছিলাম। আর একটু গরম কাপড় পরলেই পারতে। হয়তো এর থেকে বেশি কাপড় পরলে পাহাড়ে উঠতে কষ্ট হতো। পায়ের ওই জুতোঁটাই তো এক মণ দেখে মনে হলো। কি করে যে এটা পরলে ভাবলেই অবাক লাগে। কি করে এই ভারী জিনিস পরে বরফ কেটে এতো দূরে উঠলে ভাবলে কিন্তু আমারই কষ্ট হচ্ছে।

শীত জমে ঠোঁটটা নীলচে কালো হয়েছিল। ইসস কষ্ট হয়েছিল না অনেক! আহারে। পরনে নীল রঙের জ্যাকেট। সেই নীল। আমার আর তোমার নীল। এই রঙটা শুধুই তোমার। আর কাউকে মানায় না আর মানাবেও না।

মাথার উপর তোমার হালকা নীল আর সাদার মেঘ ভেলার আকাশ। দেখে মনে হচ্ছিল তুমিই বুঝি এই আকাশ আর পাহাড়ের সব। ওদের আর তোমাকে ছাড়া কিছুর প্রয়োজন নেই ঠিক আমার মতোন।

তোমার এই মহা আনন্দের ভাগ তুমি আমায় দাওনি। আমিও কিন্তু এর ভাগ পাই। তোমার এই যে পাখির জীবন এর মাঝে অমরাবতীরও দাবী আছে। এক জীবনে তো আর সবার কথা পূরণ করা যায় না তাই না। আমি বুঝি। তাইতো পরের জনমটা তোমার আমি বুকিং দিয়ে রেখেছি। তখন কিন্তু আমি কোন কথা শুনবো না। কোন না শুনবো না। সেদিন আর তুমি কারোরই না শুনো না, নিজেরও না। একদম তোমার মনের মতোন হয়েই আমি পরের বার আসবো। দেখি কি সাহসে তুমি আমায় রেখে আসো।

তোমায় বলেছিলাম না একটু সময় দাও তোমার সব স্বপ্ন পূরণ হবে। সেদিন তো হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলে। এখন দেখো কি করে সব হয়ে যাচ্ছে। আরো সব হয়ে যাবে দেখো।

ভালো থেকো আমার ছবির পাহাড় মানব। হাসতে কিন্তু ভুলো না। ওই হাসিতে আমার প্রাণ ভোমরা রেখে এসেছি। আমার প্রাণ ভোমরা কে যত্নে রেখো।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

62 − = 57