পার্বত্য চুক্তি পরবর্তী সংঘটিত সাম্প্রদায়িক হামলা

পাহাড় কি আদৌ মুক্ত?প্রতারণার চুক্তির মাধ্যমে হাসিনা জাতিসংঘ থেকে শান্তি পুরস্কার কবজা করলেও বটে,এটা ছিল আন্দোলনকে দমিয়ে রাখার একটা কৌশল মাত্র।পার্বত্য চট্টগ্রামকে এখনও দেশের মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে।এখানকার সংবাদ দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে পাওয়া যায় না,যৎসামান্য পাওয়া গেলেও সেগুলো ভুলে ভরা আর সেনা প্রশাসনের সেন্সরের মাধ্যমে সত্য বিবর্জিত।

২ ডিসেম্বর পার্বত্য চুক্তির ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে। সরকারের হর্তাকর্তারা ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর জনসংহতি সমিতির সাথে স্বাক্ষরিত এ চুক্তিকে “শান্তি চুক্তি” নামে বুলি আওড়ালেও আদতে এ চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে যে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি তা বলাই বাহুল্য। পার্বত্য চুক্তির পর পাহাড়িদের উপর চালানো সাম্প্রদায়িক হামলাগুলোই তার প্রমাণ দেয়।

এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, পার্বত্য চুক্তির পর ১৯৯৯ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত পাহাড়িদের উপর কমপক্ষে ২২টি সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১৯৯৯ সালে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে ৩টি, ২০০১ খাগড়াছড়িতে ২টি, ২০০৩ সালে খাগড়াছড়িতে ২টি, ২০০৬ সালে খাগড়াছড়িতে ১টি, ২০০৮ সালে রাঙামাটিতে ১টি, ২০১০ সালে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে ৩টি, ২০১১ সালে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে ৩টি, ২০১২ সালে রাঙামাটিতে ১টি, ২০১৩ সালে খাগড়াছড়িতে ২টি ও ২০১৪ সালে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে ২টি এবং ২০১৫ সালে রাঙামাটিতে ২টি। এসব হামলার সংক্ষিপ্ত চিত্র এখানে তুলে ধরা হলো:

১৯৯৯
৪ এপ্রিল: বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট বাজারে এক পাহাড়ি মেয়েকে বাঙালি দোকানদার কর্তৃক অশোভন আচরণের প্রতিবাদ করায় সেটলারর বাঙালিরা পাহাড়িদের উপর হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে নিকটস্থ সেনাক্যাম্প হতে সেনা সদস্যরা এতে তাতে যোগ দেয় এবং পাহাড়িদেরকে ধরে ধরে মারপিট করে। এতে বেশ কয়েকজন পাহাড়ি আহত হয়।
১৬ অক্টোবর : বাবুছড়া বাজারে আসা এক পাহাড়ি তরুণীর সাথে অশোভন আচরণের দায়ে সেনাবাহিনীর এক সদস্য গণধোলাইয়ের শিকার হয়। এরপর সেনাবাহিনী ও সেটলার বাঙালিরর লাঠিসোটা, দা, বর্শা ইত্যাদি নিয়ে পাহাড়িদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। এ সময় সেটলাররা দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এতে তিনজন নিহত ও শতাধিক আহত হয়।
৩০ অক্টোবর : খাগড়াছড়ি জেলার মং সার্কেলের রাজা পাইহ্লা প্রু চৌধুরীর উপর বহিরাগত সেটলাররা হামলা চালায়। এ হামলায় রাজসহ ৪/৫জন আহত হয়।

২০০১
১৮ মে: দীঘিনালার মধ্য বোয়ালখালীতে সেটলাররা হামলা চালিয়ে ৪৬টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়। এতে ১৫ জন আহত হয়।
২৫ জুন : খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় ৬টি গ্রামে সেটলার বাঙালিরা হামলা চালায়। গ্রামগুলো হলো- মাষ্টার পাড়া, গর্জনটিলা, জগন্নাথ পাড়া, ডেবার পাড়, বল্টুরাম পাড়া, শ্মশান টিলা ও চৌধুরী পাড়া। এতে ২২৭টি বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ১১০টি ঘরের কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

২০০৩
১৯ এপ্রিল: খাগড়াছড়ি সদর উপজেলাধীন ভুয়োছড়িতে পাহাড়ি গ্রামে সেনা-সেটলাররা হামলা চালায়। তারা ৯টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক লুটপাট চালায়।
২৬ আগস্ট: খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার ১০টি পাহাড়ি গ্রামে সেনা-সেটলাররা হামলা চালিয়ে তিন শতাধিক বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। এছাড়া ৪টি বৌদ্ধ মন্দিরে অগ্নিসংযোগ, বুদ্ধমূর্তি ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এ হামলায় ৮ মাস বয়সী এক শিশু ও ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে হত্যা করে এবং ৯জন পাহাড়ি নারী ধর্ষিত হয়। হামলায় অসংখ্য পাহাড়ি আহত হন।

২০০৬
৩ এপ্রিল: খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়িতে নোয়াপাড়া ও সাপ্রু পাড়ায় সেটলাররা নিরীহ পাহাড়িদের উপর হামলা চালায়। এ হামলায় কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়, ৪জন পাহাড়ি নারী গণধর্ষণের শিকার ও এক বৌদ্ধ ভিক্ষু লাঞ্ছিত হয়।

২০০৮
২০ এপ্রিল : রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের ৪টি পাহাড়ি গ্রামে সেনা-সেটলাররা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। এতে ৭৭টি বসতবাড়ি, ১টি গীর্জা ও ২টি ইউনিসেফ পরিচিালিত পাড়া কেন্দ্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বাড়িঘরে আগুন দেয়ার আগে ব্যাপক লুটপাট চালানো হয়। বাঘাইহাট জোন কমাণ্ডার লে. কর্নেল সাজিদ ইমতিয়াজ, মেজর হাফিজ ও বাঘাইহাট বাজারের ব্যবসায়ী গোলাম মওলা এ হামলার নেতৃত্ব দেয়।

২০১০
১৯-২০ ফেব্রুয়ারী: রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে পাহাড়িদের উপর সেনা-সেটলাররা সাম্প্রদায়িক হামলা চালায়। সেনারা সেটলারদের পক্ষ নিয়ে বেপরোয়াভাবে পাহাড়িদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে সেনাবাহিনীর গুলিতে লক্ষী বিজয় চাকমা ও বুদ্ধপুদি চাকমা নিহত হয় এবং অনেকে আহত হয়। সেটলারা পাহাড়িদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে বৌদ্ধ মন্দির সহ কমপক্ষে ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই করে দেয়।
২৩ ফেব্রুয়ারী: খাগড়াছড়ি জেলা শহরে সেটলার বাঙালিরা পাহাড়িদের গ্রাম ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। তারা মহাজন পাড়া, সাতভাইয়া পাড়া, কলেজ পাড়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে পাহাড়িদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ, ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। এতে কমপক্ষে ৬৩টি বাড়ি ও দোকান পুড়ে ছাই করে দেয়া হয়।
১২ জুন: কল্পনা চাকমার অপহরণকারীদের বিচারের দাবিতে সড়ক ও নৌপথ অবরোধ ও অবস্থান ধর্মঘট পালনকালে রাঙামাটির মানিকছড়িতে সেটলার বাঙালিরা হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নেতা-কর্মী ও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এতে চার সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ১৮ জন আহত হয়।

২০১১
১৭ ফেব্রুয়ারী : রাঙামাটির লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের রঞ্জিত পাড়া ও বগাচদর ইউনিয়নের রাঙ্গী পাড়া এলাকায় সেটলাররা পাহাড়িদের উপর সাম্প্রদায়িক হামলা চালায় ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করে। এতে কমপক্ষে ২৩টি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়।
১৭ এপ্রিল: সেটলাররা খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়, মানিকছড়ি ও গুইমারায় পাহাড়ি গ্রামে সাম্প্রদায়িক হামলা চালায়। সেটলাররা উত্তর শনখোলা পাড়া, সুলুডঙ পাড়া, রেম্রঙ পাড়া, তৈকর্মা পাড়া, পদাছড়া ও মানিকছড়ির মহামুনি পাড়ায অগ্নিসংযোগ করে একটি বৌদ্ধ বিহারসহ কমপক্ষে ৯৫টি বাড়ি পুড়ে ছাই করে দেয়। এছাড়া সেটলাররা জালিয়া পাড়ায় যাত্রীবাহী বাসে হামলা চালিয়ে বহু পাহাড়িকে আহত করে। এ ঘটনায় মিপ্রু মারমা নামের এক কিশোরী গুরুতর আহত হয় এবং আশীষ চাকমা নামে এক ছাত্র নিঁখোজ হয়ে যায়। আজ পর্যন্ত আশীষ চাকমার কোন হদিস পাওয়া যায়নি।
১৪ ডিসেম্বর: বাঘাইছড়ি সদর ও দিঘীনালা উপজেলার কবাখালীতে সেটলাররা পাহাড়িদের উপর হামলা চালায়। সেটলারদের এ হামলায় কবাখালী এলাকার চিগোন মিলা চাকমা নিহত হয় এবং কমপক্ষে ১১জন পাহাড়ি আহত হয়। এক বাঙালি মোটর সাইকেল চালকের লাশ পাওয়াকে কেন্দ্র করে সেটলাররা এ হামলা চালায়।

২০১২
২২-২৩ সেপ্টেম্বর: রাঙামাটি শহরে সেটলাররা পরিকল্পিতভাবে পাহাড়িদের উপর হামলা চালায়। বাসের সিটে বসাকে কেন্দ্র করে সেটলারদের এ হামলায় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, চিকিৎসক সহ কমপক্ষে শতাধিক পাহাড়ি আহত হয়। সেটলাররা পাহাড়িদের বেশ কয়েকটি দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পাহাড়ি চিকিৎসকদের চেম্বারে হামলা চালায় ও ব্যাপক ভাঙচুর করে। সেনা সদস্যদের উপস্থিতিতেই সেটলাররা এ হামলা চালায়।

২০১৩
২৫ জানুয়ারি: খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার হরিধন মগ পাড়া ও হেমঙ্গ পাড়ায় সেটলাররা হামলা, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এতে কমপক্ষে ২টি বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয় এবং ৩৫টি বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়।
৩ আগস্ট: খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার তাইন্দংয়ে সেটলাররা পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ি গ্রামে হামলা, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এতে পাহাড়িদের ৩৫টি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া সেটলাররা দু’টি বৌদ্ধ বিহার আক্রমণ করে। একটি বৌদ্ধ বিহারের দেশনা ঘর পুড়ে দেয়া সহ দু’টি বৌদ্ধ বিহারেই বুদ্ধমূর্তি ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়। সেটলাররা পাহাড়িদের ৪ শতাধিক বাড়িঘরে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। সেটলারদের এ হামলায় ১৩টি গ্রামের ৯ শতাধিক পাহাড়ি পরিবারের তিন সহস্রাধিক নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ পালিয়ে ভারতের সীমান্তে নো ম্যান্স ল্যান্ডে এবং পানছড়ি উপজেলাসহ আশে-পাশের জঙ্গলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। এতে প্রত্যেক পরিবারই কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

২০১৪
২৫-২৬ ফেব্রুয়ারী: খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার কমলছড়ি ও বেতছড়িতে বাঙালি সেটলাররা পাহাড়িদের উপর হামলা চালায়। এ সময় তারা পাহাড়িদের বাড়িঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, জিনিসপত্র ভাংচুর, লুটপাট ও একটি বৌদ্ধ বিহারে হামলা চালায়। এ হামলায় কমপক্ষে ৫ জন পাহাড়ি গুরুতর আহত হয়।

১৬ ডিসেম্বর: রাঙামাটির নান্যাচর উপজেলার বুড়িঘাট ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সেটলার বাঙালিরা সুরিদাস পাড়া, বগাছড়ি ও নবীন তালুকদার পাড়ায় পাহাড়িদের কমপক্ষে ৫০টি বসতবাড়ি, ১টি ক্লাব ও ৭টি দোকান(বিভিন্ন তথ্য মতে ৫৪টি বাড়ি ও ৭টি দোকান) জ্বালিয়ে দেয়, করুণা বনবিহার নামের একটি বৌদ্ধ বিহারে হামলা চালিয়ে ধর্মীয় গুরুকে মারধর, বিহারের জিনিসপত্র-বুদ্ধমূর্তি ভাংচুর, বুদ্ধমূর্তি ও টাকা পয়সা লুট এবং বিহারে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালায়।

২০১৫
১০-১১ জানুয়ারি: রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ কার্যক্রম স্থগিতের দাবিতে অবরোধ চলাকালে রাঙামাটি শহরে সেটলাররা হামলা করলে পাহাড়ি-বাঙালিদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। হামলাকারীদের সাথে ছাত্রলীগ-যুব লীগের কর্মীরাও যোগ দেয়। এ সময় সেটলাররা শেভরন ক্লিনিক, টেলিটক কাস্টমার কেয়ার সহ বেশ কয়েকটি দোকান ভাংচুর করে। এছাড়া সেটলাররা সংঘবদ্ধ হয়ে ট্রাইবেল আদাম, বনরূপা সহ কয়েকটি স্থানে হামলার চেষ্টা করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। এ ঘটনায় প্রশাসন রাঙামাটি শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে।
এ ঘটনার পরদিন বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইন-শৃংখলা মিটিঙ চলাকালে আবারো বনরূপা বাজারে সংঘর্ষ হয়। পরে সন্ধ্যায় শহরের বিভিন্ন জায়গায় এটি ছড়িয়ে পড়ে। তবলছড়ির আনন্দ বিহার এলাকায় সেটলাররা পাহাড়িদের দোকানপাট ভাংচুর করে। পরে প্রশাসন শহরে কারফিউ জারি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
১৪ নভেম্বর: রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা আমতলী ইউনিয়নের ছোট মাল্ল্যার দিগোর মুখ এলাকায় যাত্রীবাহী লঞ্চে সেটলারদের হামলায় ৩ নারীসহ ৫ জন পাহাড়ি আহত হয়।

এছাড়াও আরো বেশ কয়েকটি ছোটখাটো হামলার ঘটনা ঘটেছে। যেগুলো এখানে উল্লেখ করা হলো না।

পার্বত্য চট্টগ্রামে এসব হামলার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ভূমি বেদখল ও পাহাড়িদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা। পাহাড়িদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ করতেই রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা মাফিক এধরনের হামলা চালানো হয়। সেনাবাহিনীর কায়েমী স্বার্থবাদী অংশটি বরাবরই এসব হামলার মদদ দিয়ে থাকে। ফলে সরকার হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনপ্রকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় না।

এ যাবত যত হত্যাকান্ড ও হামলা সংঘটিত হয়েছে তার কোন ঘটনারই সঠিক তদন্ত ও বিচার হয়নি। ফলে হামলাকারী ও হামলার মদদদানকারীরা রেহাই পেয়ে যাওয়ার কারণে আজো বার বার এ ধরনের ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে।
এসব হামলা বন্ধে সরকারের যেহেতু কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেই, তাই হামলা প্রতিরোধে পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত জনগণকেই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

সূত্র::
১.সিএইচটিনিউজ—————-

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 14 = 24