বিজয়ের মাসে রাজাকার হাসে

বিজয়ের মাসে রাজাকার হাসে
সাইয়িদ রফিকুল হক

বিজয়দিবস বাঙালি-জাতির জীবনে সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা। প্রতিবছর দিনটি ঘুরেফিরে আমাদের দুয়ারে হাজির হয়। কিন্তু এই দেশের অনেকেই এর মূল্য কত তা আজও উপলব্ধি করতে শেখেনি। একটি জাতির ইতিহাসে বিজয়দিবসের মূল্য কতখানি তা আজও এই জাতি উপলব্ধি করতে পারেনি। অথচ, অনেকেই কৌশলগতকারণে মুখে-মুখে আজকাল দেশপ্রেমের ভান করে থাকে। আর আজকাল আমাদের সমাজে অনেক চিহ্নিত-দালালগোষ্ঠীর উত্তরাধিকারীরাও দেশপ্রেমের ভান করে জাতির সর্বনাশ ঘটাতে ব্যস্ত।

১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পৃথিবীর ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। এই দিন বাঙালি-জাতি সামরিকজান্তাদের শয়তানরাষ্ট্র-পাকিস্তানকে কবর দিয়ে নিজের স্বাধীনভূমিপ্রতিষ্ঠা করেছিলো। আর এজন্য গোটা জাতিকে এর মূল্য হিসাবে দিতে হয়েছে ত্রিশলক্ষ প্রাণ। পৃথিবীর ইতিহাসে স্বাধীনতার জন্য আর-কোনো জাতিকে এতো আত্মত্যাগ করতে ও মূল্য দিতে হয়নি।

বাঙালি-জাতির বিজয়ের ৪৫বছর অতিক্রান্ত হতে যাচ্ছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো: আজও বাঙালি বিজয়দিবসের মানে বুঝতে পারেনি। আর এরা বুকের ভিতরে প্রতিনিয়ত রাজাকার রেখে, আর রাজাকার-লালনপালন করে মিছামিছি বিজয়দিবস-উদযাপন করে থাকে। এই দেশ থেকে এখনও রাজাকার-নির্মূল হয়নি। এই দেশের সর্বত্র অনেক রাজাকার বহাল তবিয়তে আত্মপ্রতিষ্ঠালাভ করেছে, এখনও করছে, এবং ভবিষ্যতেও হয়তো এভাবে করতে থাকবে। দেশ এখনও রাজাকারমুক্ত হয়নি। স্বাধীনতার ৪৩বছর পরে পুনরায় একাত্তরের চিহ্নিত-যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসাবে মাত্র কয়েকটা যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি-কার্যকর করা হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এই দেশে এখনও রাজাকারবংশ দেশের সর্বনাশ করতে আগের মতোই ব্যস্ত। আর রাজাকারদের সঙ্গে তাদের জন্মদাতা-আদিপিতা পাকিস্তানও সমভাবে সক্রিয়।

আমরা প্রতিবছর সস্তা-সেন্টিমেন্টে আবেগতাড়িত হয়ে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রমনাবটমূল, ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-সংলগ্নসড়কদ্বীপসহ এর আশেপাশের এলাকায় কিছুসংখ্যক মানুষ একতাবদ্ধ হয়ে হাসিমুখে বিজয়দিবস-উদযাপন করে থাকি। কিন্তু এর নামই কি বিজয়দিবস-উদযাপন? মাত্র একদিনের সস্তা-সেন্টিমেন্ট-প্রদর্শনের নামই কি বিজয়দিবস-উদযাপন? জানি, এর জবাব কারও কাছে নাই। বিজয়দিবস-উপলক্ষে আমরা কিছুসংখ্যক মানুষ মাত্র একদিনের জন্য একজায়গায় সমবেত হই। এটি নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। কিন্তু এটি তো একদিনের জন্য নয়। আমরা শুধু একদিন বিজয়দিবসপালন করলে তো চলবে না। এই দেশ থেকে প্রতিটি রাজাকার-নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের একতাবদ্ধ থাকতে হবে। আর আমাদের রাজাকার-নির্মূলের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।

বিজয়দিবসপালনের জন্য আমরা মাত্র কিছুসংখ্যক মানুষ একদিন কিছুসময়ের ইচ্ছামিটাতে একতাবদ্ধ হই। আর এর সংখ্যাও একেবারে নগণ্য। অথচ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসীরা তাদের ঐতিহাসিক স্বাধীনতাদিবস-উদযাপন করে থাকে জাঁকজমকের সঙ্গে। ১৭৭৬ সালের ৪ঠা জুলাই আমেরিকা স্বাধীনতালাভ করেছে। প্রতিবছর দিনটি তারা গর্ব ও আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করে থাকে। আর এইসময় তারা ৪ঠা জুলাই শুরু হওয়ার আগে থেকে—মানে, রাত বারোটা বাজার আগে থেকে রাজধানীর ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে সমবেত হতে থাকে। আর এদের সংখ্যা কত? প্রতিবছর কমপক্ষে ৫০লক্ষ মানুষ! আর বাঙালির একলক্ষ মানুষ জোগার করতেই হিমশিম খেতে হয়। আরও কি বুঝিয়ে বলতে হবে বাঙালি বিজয়দিবস ও স্বাধীনতাদিবস কোনোটারই মর্ম-উপলব্ধি করতে আজও সক্ষম হয়নি। এই বাঙালির কিছুসংখ্যক মানুষ এখনও লোকদেখানো দেশপ্রেমকে জীবনের একমাত্র আদর্শ বলে ধ্যানজ্ঞান করছে। এরা আর কবে মানুষ হবে?
আর যাঁরা সত্যিকারের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দীউদ্যানে বা এর আশেপাশে সমবেত হয় তাঁদের উদ্দেশ্যে আমার স্যালুট। তাঁরা নিঃসন্দেহে জাতির নমস্য। কিন্তু এঁদের সংখ্যা কত? এঁরা আর কতজন?

এই দেশে একটা রাজাকার বেঁচে থাকতেও বাঙালি নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে না। বুকের ভিতরে রাজাকার রেখে তাদের নিশ্চিন্তে ঘুমাবার জন্য ১৯৭১ সালে, ত্রিশলক্ষ মানুষ অকাতরে এই দেশের জন্য জীবন দেয়নি। এই বোধোদয় এই জাতির আর কবে হবে? এই জাতি আর কতকাল দেশের চিরশত্রু রাজাকারদের বুকের ভিতরে রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমাবে? আর কতকাল?

বিজয়ের মাস এলে চারপাশে কিছু ছোট-বড় পতাকা উড়তে দেখি। আর দুই-চারটি দেশাত্ববোধক গানও কোথাও-কোথাও বাজাতে শুনি! তারপর সবকিছু শেষ! আবার একবছর পরে বুঝি সে-ই আয়োজন। কিন্তু এই কি বিজয়দিবস-উদযাপন?

বিজয়ের মাসে এই দেশে বুকফুলিয়ে এখনও রাজাকার হাসে! আর এদের পৈশাচিক-হাসিতে জাতির অস্তিত্ব আজ সংকটের মুখে। অনেক বেকুব মনে করে থাকতে পারে: দুই-চারটা রাজাকারকে ফাঁসি দিলেই বুঝি দেশের রাজাকার খতম! আসলে, তা নয়। এই দেশের রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও শান্তিকিমিটি’র দালালরা এখনও পাকিস্তানের একনিষ্ঠ সেবক। আর তাদেরই উত্তরসূরী। এরা এখনও এই বাংলাদেশরাষ্ট্রকে মনেপ্রাণে স্বীকার করে না এবং ভালোবাসে না। আর বিজয়ের মাসে এই পশুদের আস্ফালন মোটেও থামে না।

বিজয়ের মাসে এই দেশের বিভিন্নস্তরে ঘাপটি-মেরে থাকা পাকিস্তানের দালালগুলো পাকিস্তানের স্বার্থে বিজয়দিবসবিরোধী নানাপ্রকার কটূক্তি করে থাকে। এখানে, এদের মাত্র কয়েকটি ক্ষেত্র তুলে ধরা হলো:

১. সরকারিপ্রশাসনের ভিতরে এখনও ঘাপটি-মেরে রয়েছে অসংখ্য রাজাকার। আর তাদের বংশধর ও প্রকৃত-উত্তরাধিকারীগণ। এরা আজও স্বাধীন-বাংলাদেশের বিপক্ষে কাজ করছে। আর জাতির গর্বের ইতিহাস বিজয়দিবসকে নানাভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এরা রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এখনও নিজেদের আধিপত্য টিকিয়ে রেখে তা বিস্তার করতে সক্ষম হচ্ছে। কিন্তু এইব্যাপারে সরকারি কোনো উদ্যোগ নাই। সরকারিপ্রশাসনের ভিতরে ঘাপটি-মেরে থাকা রাজাকারগুলোকে আজও সুস্পষ্টভাবে শনাক্ত করা হয়নি। আর তাদের চিরস্থায়ীভাবে নির্মূল করার ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়নি। আজ বাংলাদেশরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগেই রয়েছে রাজাকারদের দাপট। এই গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিভাগ হলো: শাসনবিভাগ, আইনবিভাগ ও বিচারবিভাগ। এর ভিতরে সর্বত্র ঘাপটি-মেরে রয়েছে রাজাকার ও তাদের সক্রিয়-বংশধরগণ। এদের নির্মূল না করা পর্যন্ত লোকদেখানো বিজয়দিবসপালন করার কোনো মানে হয় না। রাষ্ট্রযন্ত্রের সর্বত্র থেকে আগে এদের চিরতরে উৎখাত করতে হবে।

২. দেশের বিভিন্ন বিপর্যয়ে বিশেষতঃ বাংলাদেশে রাজাকারি-শাসনের সূচনাকারী জিয়াউর রহমানের অবৈধ-শাসনামলে হাজার-হাজার রাজাকারকে রাতারাতি ‘মুক্তিযোদ্ধা’সনদপ্রদান করা হয়েছে। আর সেইসব রাজাকার এখন ‘ভুয়া-মুক্তিযোদ্ধা-সনদ’ নিয়ে সরকারের বিভিন্ন অফিস থেকে শুরু করে রাষ্ট্রযন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে ঢুকে রাষ্ট্রবিরোধী-অপতৎপরতায় লিপ্ত। এদের কঠোরহস্তে দমন না করা পর্যন্ত রাষ্ট্রযন্ত্র কোনোভাবেই সফল বিজয়দিবসপালন করতে পারে না।
৩. ভুয়া-মুক্তিযোদ্ধা-সনদ-লাভকারীরা বিএনপি, জামায়াত-শিবির ও এদের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনে ঢুকে দেশপ্রেমের ভান করে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী-ইতিহাস-প্রচারে নিয়োজিত রয়েছে। এরা বাইরে জনসভার চেয়ে ঘরোয়া-জনসভায় নানারকম আপত্তিকর কথাবার্তা বলার মাধ্যমে আজও এদেশের সাধারণ জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করে চলেছে। এদের চিরতরে নির্মূল না করা পর্যন্ত জাতি কখনও পরিপূর্ণভাবে বিজয়দিবস-উদযাপন করতে পারে না। এইসব ভুয়া-মুক্তিযোদ্ধারা এই দেশে গজিয়ে উঠা কতকগুলো বেজন্মা-প্রাইভেট-টিভিচ্যানেলের টকশো-তে ও বিভিন্ন সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে এখনও পাকিস্তানের দালালিতে লিপ্ত রয়েছে। অথচ, দেশের সরকার এব্যাপারে এখনও নির্বিকার। এদের এখনই কঠোরহস্তে দমন করা প্রয়োজন।

৪. দেশের মসজিদের একশ্রেণীর অশিক্ষিত-ইমাম লাগামহীনভাবে আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব তথা ২১-এ ফেব্রুআরি, স্বাধীনতাদিবস, বিজয়দিবস ইত্যাদি সম্পর্কে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ-ভাষায় কথা বলে যাচ্ছে। রাষ্ট্রযন্ত্র আজও এদের লাগাম টেনে ধরতে পারেনি। এইসব অশিক্ষিত-ইমাম মসজিদের মিম্বরে বসে ৩০লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও বিজয়দিবস-সম্পর্কে অশ্লীল ও জঘন্য ভাষায় বক্তব্য প্রদান করে থাকে। এদের জিহ্বা খুবই ধারালো ও বিষাক্ত। এদের মিথ্যা, আজেবাজে, আবোলতাবোল, উদ্ভট, মনগড়া ও আলতুফালতু কথাবার্তার কারণে একশ্রেণীর মুসলমান-নামধারী সাধারণ মানুষ অতিসহজেই বিভ্রান্ত হতে পারে। এমনকি কোনো-কোনো-ক্ষেত্রে তারা বিভ্রান্ত হচ্ছেই। এরা মনগড়াভাবে রাষ্ট্রীয় এইসব উৎসবের বিরুদ্ধে শয়তানী-ফতোয়া-প্রদান করে থাকে। এইসব অশিক্ষিত-ইমামদের লাগামহীন-কথাবার্তা রাষ্ট্রের স্বার্থে চিরতরে বন্ধ করে দিতে হবে। এরা শুধু আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধেই বলছে না—এরা আমাদের পবিত্র ধর্মেরও অপব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে সাধারণ মুসল্লীদের উত্তেজিত করে তাদের জঙ্গি বানানোর কাজে নিয়োজিত। একদিক থেকে এরা ইসলামেরও শত্রু। তাই, এই শ্রেণীটিকে কঠোরহস্তে-দমন করা রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মনে করছি।

৫. দেশের মাদ্রাসাগুলোতে আজও যথাযথ মর্যাদায় স্বাধীনতাদিবস ও বিজয়দিবস উদযাপিত হয় না। এই দেশের হাজার-হাজার মাদ্রাসা কখনও জাতির এই সকল অনুষ্ঠানকে ভালোবাসে না, শ্রদ্ধা করে না, এবং পালনও করে না। এসব ধৃষ্টতা রাষ্ট্র আর কত সহ্য করবে? দেশের হাজার-হাজার মাদ্রাসার অধিকাংশ প্রধান, মুহতামিম, সুপার, অধ্যক্ষ ইত্যাদি পদবীধারীরা এখনও রাজাকার, আলবদর, আলশামস, সেমি-রাজাকার, নব্যরাজাকার, আর নয়তো রাজাকারবংশের প্রকৃত ও চিহ্নিত উত্তরাধিকারী। এদের বেআদবি, ধৃষ্টতা ও আস্ফালনের কোনো শেষ নাই। এদের বিষদাঁত এখনও ভেঙ্গে দেওয়া হয়নি। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে চিরস্থায়ীভাবে এদের মূলোৎপাটন ঘটাতে হবে। আর মনে রাখতে হবে: আগাছা কখনও ফসল-উৎপাদন করে না।

৬. দেশের ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ কতিপয় যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু দেশকে সম্পূর্ণ রাজাকারমুক্তকরণের ক্ষেত্রে উদাসীন। এতে দেশবিরোধী একটি শ্রেণী সবসময় আশ্রয়প্রশ্রয়লাভ করছে। এদের শিকড়সুদ্ধ উপড়ে ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে।

৭. দেশের ভিতরে যে-সব রাজনৈতিক দল রয়েছে এর মধ্যে ঘাপটি-মেরে রয়েছে একাত্তরের রাজাকার, ঘাতক ও জল্লাদ। এরা এখনও রাজাকারি-বীজ-বপনের কাজে নিয়োজিত। ভোটের আশায় এরা নামকাওয়াস্তে-লোকদেখানো বিজয়দিবসপালন করে থাকে। আসলে, এরা সেই পাকিস্তানীদের উত্তরসূরী আর সেই নরঘাতক। এরা কীভাবে বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ভালোবাসবে? সমস্ত রাজনৈতিক দল থেকে এদের জুতাপেটাসহকারে বের করে দিতে হবে।

সারাদেশে বিজয়দিবস পালিত হবে—আর এতে কিছুসংখ্যক দেশপ্রেমিক মানুষ রাস্তায় নেমে উল্লাস করবে, আর কিছুসংখ্যক মানুষ ঘরে বসে সমর্থন জানাবে। আর বাকী কিছুসংখ্যক বিষাক্ত-জীব ঘরে-বাইরে বসে থাকবে দেশের সর্বনাশের আশায়। এরা সারাবছর আমাদের বিজয়দিবসের বিরুদ্ধে ঘরে-বাইরে শয়তানীফতোয়াবাজিতে লিপ্ত। আর নানারকম কুৎসারটনায় ব্যস্ত। এদের কণ্ঠরোধ করার ক্ষমতা কি রাষ্ট্রযন্ত্রের নাই?

বিজয়দিবস আসে আর যায়। কিন্তু মনে ব্যথা লাগে যখনেই দেখি—বিজয়ের মাসে রাজাকার হাসে। আমাদের বিজয়দিবস তখনই সার্থক ও সুন্দর হবে—যখন এই দেশ সম্পূর্ণ রাজাকারমুক্ত হবে।
জয়-বাংলা।

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
০৮/১২/২০১৬

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

19 − 15 =