রূপের আলেয়া

বাস থেকে নেমেই হঠাৎ দেখা নেহার সঙ্গে। মুখ মেলাতে কিছুটা সময় নিলাম। বললাম – তুই এখানে?
নেহা একটু মুছকি হাসল। বলল – হ্যাঁ, এখানে। বালি পুকুরের পাশে আমাদের ফ্ল্যাট।
সেই একই রকম সাজগোজহীন কেয়ারলেস তবে স্টেডি। বললাম – আমি নন্দীপাড়ার ভেতরে থাকি। ছেলে এগিয়ে গেছে পরে কথা হবে।
নেহা হাত নেড়ে সুইফটে গিয়ে উঠল। গাড়িটা উল্টো দিকে বেরিয়ে গেল।
পালিয়ে এলাম নাকি? না লিপস্টিক না কাজল না জমকালো ছিল না বলে আমার মনে ধরে নি। সম্পর্ক এগিয়ে থমকে গিয়েছিল।
পাশের রেষ্টুরেণ্টের কাছে এসে ছেলে বলল – রোজ রোজ ফার্স্টফুট বা আলু সেদ্ধ বাদ দাও না। কিছু ঝাল ঝোল কর। আর পারছি না!
ঘরে ফিরে হাত পোড়াতে পোড়াতে ভাবছি সাজগোজের বাহারি টানত আমাকে। তাই নেহা পেরিয়ে পূরণ এর পেছন পেছন ঘুরতাম। তারপর সামাল দেওয়া ফাঁসে বেসামাল।
বেরিয়ে পড়া পূরণের মত ছেলেও কিছু দিন বাদে বাদে আসে যায়। আজ এল। দরজা বন্ধ।
পূরণ আসে না।
একা আমি। আলেয়ার পেছনে ছোটা মরীচিকা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 6 =