হে মুমিন , আসো , কোরান থেকে বিজ্ঞান শিখি আর ইহুদি নাসারাদের বিজ্ঞান বর্জন করি

কোরান হলো বিজ্ঞানময় গ্রন্থ। কোরানের মধ্যেই আছে সব বিজ্ঞান।অথচ ইহুদি নাসারা বিজ্ঞানীরা কোরান বহির্ভুত বিজ্ঞান প্রচার করে , আমাদের ইমান নষ্ট করতে চায়। যেমন রাতের আকাশে আমরা যে আগুনের গোলার মত জ্বলন্ত উল্কা ছুটে যেতে দেখি,তা আসলে জ্বীনদেরকে দাবড়ানোর জন্যে নিয়োজিত, কিন্তু ইহুদি নাসারা বিজ্ঞানীরা বলে ভিন্ন কথা।

কোরান হলো বিজ্ঞানময় গ্রন্থ। কোরানের মধ্যেই আছে সব বিজ্ঞান।অথচ ইহুদি নাসারা বিজ্ঞানীরা কোরান বহির্ভুত বিজ্ঞান প্রচার করে , আমাদের ইমান নষ্ট করতে চায়। যেমন রাতের আকাশে আমরা যে আগুনের গোলার মত জ্বলন্ত উল্কা ছুটে যেতে দেখি,তা আসলে জ্বীনদেরকে দাবড়ানোর জন্যে নিয়োজিত, কিন্তু ইহুদি নাসারা বিজ্ঞানীরা বলে ভিন্ন কথা। যেমন কোরান বলেছে —-
————————————————————————–
সুরা আল মুলক-৬৭:৫: আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোর কয়েকটিকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি।
সুরা আল জ্বীন- ৭২: ৮-৯: আমরা আকাশ পর্যবেক্ষণ করছি, অতঃপর দেখতে পেয়েছি যে, কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিন্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ। আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শ্রবণার্থে বসতাম। এখন কেউ সংবাদ শুনতে চাইলে সে জলন্ত উল্কাপিন্ড ওঁৎ পেতে থাকতে দেখে।

—————————————————————————-
অর্থাৎ জ্বীনরা আল্লাহর কাছ থেকে ফেরেস্তা কর্তৃক বার্তা আনার সময়, আকাশের বিভিন্ন ঘাটিতে ওৎ পেতে বসে শোনার চেষ্টা করলে আল্লাহ উল্কাখন্ড দিয়ে তাদেরকে ঘায়েল করে। আর এটাই হলো সহিহ ইসলামী বিজ্ঞান। অথচ ইহুদি নাসারা বিজ্ঞানীরা বলে এসব ভুয়া কথা। তারা বলে, মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝখানে যে গ্রহানুপূঞ্জ আছে , তা থেকে ছোট ছোট খন্ড ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর কাছে এসে পড়লে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষনে তা পৃথিবীর বায়ূ মন্ডলে ঢুকে পড়ে প্রচন্ড গতিতে ( প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৪৫ মাইল)। ফলে বাতাসের ঘর্ষনে তারা জ্বলে ওঠে ও অধিকাংশ ছাই হয়ে যায়, কিন্তু কিছু কিছু পৃথিবী পৃষ্ঠে এসে পড়ে। কিন্তু কোরান বলছে এসব ফালতু কথা , উল্কা খন্ড আসলে হলো জ্বীন তাড়ানোর মিশাইল বা ক্ষেপনাস্ত্র। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে , ইহুদি নাসারারা আলতু ফালতু কথা বলে আমাদের ইমান নষ্ট করতে চায়।

তাই হে মুমিন ,আসো কোরান থেকে বিজ্ঞান শিখি , আর ইহুদি নাসারাদের বিজ্ঞান বর্জন করে খাটি সহিহ মুমিন হই যাতে মরার পর বেহেস্তে যেতে পারি।

সবাই বলো , আমীন। যে আমীন বলবে না , সে কাফের মুর্তাদ। আর তাদের স্থান জাহান্নাম।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “হে মুমিন , আসো , কোরান থেকে বিজ্ঞান শিখি আর ইহুদি নাসারাদের বিজ্ঞান বর্জন করি

  1. বিজ্ঞানময় কোরানের কারণে
    বিজ্ঞানময় কোরানের কারণে মুসলিম জাতি আজ পশ্চাৎপদ। এমন বিজ্ঞানচর্চা যদি পৃথিবীর সকল মানুষ করত অনেক আগেই পৃথিবীটা ধ্বংস হয়ে যেত।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

12 − 4 =