আমি ও আমার আধ্যাত্মিকতা(Spirituality)ঃ

আমি চিন্তা-চেতনায় বিজ্ঞানের জ্ঞানকে ধারন করার চেষ্টা করি এবং বিজ্ঞানের জ্ঞান কিভাবে মানুষের বস্তুগত উন্নয়নের সাথে সাথে মানুষের মানবিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ এবং নীতি-নৈতিকতা-মানবিকতাকে প্রগতিশীলতার মানদন্ডে সমুন্নত রাখা যায় তা অনুসন্ধানের চেষ্টা করি।

আমি ধর্মের ঐটুকুই গ্রহন করতে চাই যা মানুষের নীতি-নৈতিকতা ও মানবিকতাবোধকে সমুন্নত রাখতে সহায়ক। জগতের ব্যাখ্যায় বিজ্ঞানের জ্ঞানের কোন বিকল্প নেই।ভৌত জগতের ব্যাখ্যায় অবশ্যই আমাদেরকে বিজ্ঞানের জ্ঞানকেই গ্রহন করতে হবে। ধর্মীয় আধ্যাত্মিকতাকে অবশ্যই আমাদের বর্জন করতে হবে।

আমরা আধ্যাত্মিকতাকে(Spirituality) তখনই গ্রহন করবো যখন Spirituality doesn’t mean religion. জড় ও মনের যৌক্তিক ক্রিয়াশীলতায় জগতকে ব্যাখ্যা করতে হবে যেখানে জড় ও মন কোনটিই অতিপ্রাকৃত শক্তি নয়। সবই প্রাকৃতিক, আমি প্রকৃতির শুধু অংশই নই, আমি প্রকৃতির এডমিনও বটে। আমি শুধু চালিত নই, চালকও বটে। কোয়ান্টাম বলবিদ্যায়, কোয়ান্টাম ঘটনা প্রবাহে আমিও হস্তক্ষেপ করতে পারি! ইহাই আমার দর্শন, ইহাই আমার স্পিরিচুয়ালিটি!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

37 + = 43