কোরআন শরিফ, যা বুকে রাখার জিনিস

রোববার সন্ধ্যার পর হেফাজত কর্মীরা আগুন দেয় বায়তুল মোকাররমের তিন দিকের ফুটপাতের দোকান, জুয়েলারি ও ব্যাংকের এটিএম বুথে। এমনকি ধর্মীয় বইয়ের দোকানে আগুন দেয় তারা। কোরান, হাদিসের বই, তসবিহ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুটপাতের দোকানিরা। সমস্ত এলাকাজুড়ে শোনা যাচ্ছে তাদের আহাজারি, কান্না। বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ, পশ্চিম ও পূর্ব দিকে ফুটপাতে থাকা বিভিন্ন স্টেশনারি, কাপড়, বই, জুয়েলারি, আতর, তসবির দোকানে আগুন দিয়েছে হেফাজত কর্মীরা। ভাঙচুরও করেছে অনেক দোকানে।

জিপিওর কাছে সোনালী ব্যাংকের এটিএম বুথেও আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।
হেফাজত কর্মীরা রাস্তার দু’পাশে দোকান-পাট যা পাচ্ছে তাতেই ভাঙচুর চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ করেছে।

এদিকে, সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে ফুটপাতের দোকানিরা। কষ্টে, আক্রোশে হেফাজতের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দিতে লাঠিসোঁটা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন তারা।

রাজধানীর পল্টনে র‌্যাংগস টাওয়ারে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা। ভবনটির নিচতলায় কেএফসি ও মোবাইল অপারেটর কোম্পানি রবির অফিস রয়েছে। ওপরে রয়েছে ব্যাংক এশিয়া ও সকালের খবরের অফিস।

আজ যে লোকটির দোকানে আগুন লাগালি, সে একজন কোরআন বিক্রেতা ছিল, আজ যে লোকের মোটর সাইকেল পোড়ালি, সে একজন সাধারন চাকুরীজীবী ছিল, সে সকাল- বিকাল অফিস করে বাচ্চার জন্য খাবার কিনত। আজ যে মানুষগুলোকে নিঃস্ব করলি তারা আওয়ামিলিগের কেউ না, তারা সাধারন মুসলিম, সাধারন মানুষ, কোরআন, তসবি বিক্রি করে, তারাও ইসলামের শত্রু? নবী অবমাননা করে?

সরকারের পতন না হলে তোরা কোরআন পুড়িয়ে প্রতিবাদ করবি, আর বলবি এর জন্য সরকার দায়ী। জাস্ট হেট ইউ, আই জাস্ট হেট ইউ মুনাফিকস।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫ thoughts on “কোরআন শরিফ, যা বুকে রাখার জিনিস

    1. কেনো জানি মনে হচ্ছে সরকার ভীত
      কেনো জানি মনে হচ্ছে সরকার ভীত । । !!! জানি না কি হবে ! তবে এভাবে সরকার যদি হাত গুটিয়ে বসে থাকে তাহলে ওদের লেঞ্জা আর ও বড় হয়ে যাবে

  1. হা হা হা হা… হাসতে দেখে
    হা হা হা হা… হাসতে দেখে অনেকেই আমাকে স্যাডিস্ট মনে করতে পারেন। করেন সমস্যা নাই। মানুষের দোকান পুড়ছে, লুট হচ্ছে, খুন হচ্ছে মানুষ। যেই ধর্ম গেলো ধর্ম গেলো বলে বাংলার আকাশ বাতাসে আহাজারির মাতম শোনা গেলো দিনের পর দিন। সেই ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ কুরআন পুড়ে ছাই হলো… আমি হাসছি… হ্যাঁ আজকে আমার হাসার দিন।

    কুপমন্ডুকের দল দেখে রাখ- ধর্মীয় লেবাস গায়ে চড়ানো হায়েনাদের সুশীতল শান্তির বাতাস কতোটা গরম হয়… এটা জাস্ট স্যাম্পল… বিজ্ঞাপনও বলা যায়… বাকী অংশ রুপালী পর্দায় দেখার অপেক্ষায় থাক ভণ্ড ধার্মিকের দল…

  2. হেফাজতিরা দেখিয়ে দিল, কিভাবে
    হেফাজতিরা দেখিয়ে দিল, কিভাবে কুরআন পুড়িয়ে নাস্তিকদের বিচার চাইতে হয় ! বাংগাল ধর্মান্ধ, জ্ঞানপাপী বুদ্ধিজীবীদের বলতে চাই, যারা হেফাজতিদের পক্ষে চিল্লাচিল্লি করে তাদের ধর্মগুরু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করলেন ! এসব ধর্মান্ধ আর জ্ঞানপাপী বুদ্ধিজীবীরা এখন কি বলবেন ?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

66 − = 60