বৈপরীত্যের সহাবস্থান

১.১ দুই বিপরীতের সহঅবস্থানই প্রকৃতির স্বাভাবিক স্পন্দন।

১.২ বিপরীতের পরস্পর অসহঅবস্থান মানেই ধ্বংস, মৃত্যু কিংবা বিশৃংখলা।

১.২ দেহ ও মনের পারস্পারিক সহঅবস্থান মানেই জীবন। আর অসহঅবস্থান কিংবা বিচ্ছিন্নতা মানেই মৃত্যু।

১.৩ প্রোটন ও ইলেকট্রন দুই পরা ও অপরা শক্তি মুক্ত বা বিচ্ছিন্ন না থেকে পরস্পর সহঅবস্থান করেই পরমানু গঠন করে_ আবদ্ধ হয়ে বস্তু গঠন করে। যদি পরা ও অপরা শক্তিদ্বয় পারস্পরিক সহঅবস্থানে না থেকে মিথোষ্ক্রিয়ায় অংশগ্রহন করত তবে তারা ধ্বংস হয়ে যেত_বস্তু জগত সম্ভব হতনা।

১.৪ আবার, দুই বিপরীত লিঙ্গিক পুরুষ ও নারী যদি পারস্পারিক সহঅবস্থানে থেকে পরিবার গঠন না করত তবে মানব জীবনের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়ত।

১.৫ অতএব, বিপরীতের পারস্পারিক সহঅবস্থানে আবদ্ধতাই স্বাভাবিক বাস্তবতা আর এর বিপরীত অবস্থানই বিশৃংলা,ধ্বংস কিংবা মৃত্যু।

১.৬ প্রকৃতিতে চূড়ান্ত মুক্ত পরাশক্তি(যেমন-প্রোটন) ও অপরাশক্ত(যেমন-ইলেক্ট্রন) নেই।

১.৭ মুক্ততা অস্থায়ী, আবদ্ধতাই স্থায়ী।

১.৮ বুদ্ধ মুক্ত হওয়ার জন্যেই জন বিচ্ছিন্ন হয়ে বট বৃক্ষের নীচে বার বছর তপস্যা করলেন। কিন্তু তিনি মুক্ত হতে পারলেন কই? ফিরে এসে সংসার জীবনের পারস্পারিক সহঅবস্থানের কিংবা আবদ্ধতার মৌলিক নীতি ঘোষণা করলেন।

১.৯ মুক্ত হওয়া নয় বৈপরিত্বের মধ্যকার একতাই আমাদের খুঁজতে হবে।

১.১০ সমাজ জীবনে বৈপরিত্যের সহঅবস্থানের মৌল নীতিই আমাদের আবিষ্কার করতে হবে।
__Abu Momin

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

1 + 6 =