ডিপেন্ডেন্ট

যে মানুষটিকে তুমি পছন্দ কর দেখবে কোন না কোন ভাবে মানুষটির প্রতি তুমি ডিপেন্ডেন্ট হয়ে গেছো। তার দিকে তাকিয়ে এমন অনেক কষ্ট তুমি সহ্য করে গেছো যে কষ্টটা তোমার ছিলনা। অনেক সুখ তুমি গায়ে মাখোনি যে সুখটা তোমার ছিল। এই ইমোশন সাইকেলটি এক পর্যায় তোমাকে তোমার কাছ থেকে কেড়ে নিবে। অন্য একজন মানুষের উপর নির্ভর করবে, তুমি ভাল থাকবে নাকি খারপ। মানুষটি চলে গেলে তুমি কিংকর্তব্যবিমুঢ় পাগলের মত ঝড়ের রাতে কাঁদবে; কেননা মানুষটি সাথে করে তোমার একটা অস্তিত্ব নিয়ে চলে গেছে। সে চলে যাবার সাথে সাথে তোমার যে অংশটা তার প্রতি ডিপেন্ডেন্ট ছিল সেই অংশটাও নিয়ে গেছে।

তোমার আশেপাশের প্রাপ্তিগুলো তোমাকে আর আনন্দ দিবেনা কেননা তাকে বাদ দিয়ে তুমি সুখ বোধ করতে না। সে নেই। সুখও নেই। তোমার নিজেকে লোহার মত মনে হবে। আঘাতে লোহারা মচকায় না; সহ্য করতে না পারলে একদম ভেঙ্গে দু টুকরা হয়ে যায়। তোমার এক টুকরো নিজের কাছে। অন্যটি তার কাছে। মানুষকে ভালবাসবে, খবরদার ডিপেন্ডেন্ট হবে না। মানুষগুলা শেষমেশ তোমার সাথে নাও থাকতে পারে। পৃথিবীতে যে মানুষটা কোনদিন তোমাকে ছেড়ে যাবেনা সেই মানুষটাকে দেখতে চাইলে আয়নার সামনে এসে দাড়াও! চার্লি চেপলিন ঠিকই তো বলেছেন, তুমি কাঁদলে আয়নার মানুষটা কখনোই হাসবে না। জানিনা পোস্টটি কেমন হইছে কিন্তু খুব কান্না পেয়েছিলো লিখার সময় যাই হোক লিখাটা আপনাদের জন্য।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

78 − 69 =