বিনামূল্যে নতুন চকচকে বই বছরের শুরুতেই

নতুন বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেয়া হবে। দেশব্যাপী পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালনের প্রস্তুতি শেষ। প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চার কোটি ২৬ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য ৩৬ কোটি ২১ লাখ নতুন ঝকঝকে পাঠ্যবইও প্রস্তুত। ইতোমধ্যেই উপজেলা ও স্কুল পর্যায়ে পৌঁছে গেছে বই। মাধ্যমিক, ইবতেদায়ী, দাখিল, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের ব্রেইল বই উপজেলা বিদ্যালয়ে পৌঁছে গেছে। প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও প্রথমবারের মতো পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষার পাঠ্যবই এখনও উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানো হয়েছে।বছরের প্রথম দিন দেশব্যাপী পাঠ্যপুস্তক উৎসব দিবস পালনের জন্য শেষ মুহূর্তের কাজ করছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকবে এই উৎসবের আমেজ। এই সময়ে প্রতিটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উৎসরের মধ্য দিয়ে এ স্তরের প্রতিটি শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হবে নতুন পাঠ্যবই। গেল বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও ভালভাবে বই বিতরণ নিশ্চিত করতে ছাপা হয়েছে চাহিদার তুলনায় অন্তত ৫ শতাংশ বেশি বই। অতিরিক্ত এই বই বাফা স্টক হিসেবে কোথাও জরুরী প্রয়োজনের জন্য। চলতি বছরের তুলনায় আগামী বছরের বই ৩ কোটি কোপিরও বেশি। তবে বই একটু বেশি হলেও এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। বই ছাপা ও সরবরাহের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বছরের প্রথমদিনই দেশের সব ছাত্রছাত্রী নতুন চকচকে বই পাবে বিনামূল্যে। এবারও উৎসবমুখর পরিবেশে বই বিতরণ করা হবে। এ উৎসব চলবে নতুন বছরের শুরু থেকে সপ্তাহব্যাপী। দেশের স্বার্থে সরকারের এই পরিকল্পনা সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা প্রয়োজন। শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সারাদেশের মোট চার কোটি ২৬ লাখ ৩৫ হাজার ৯২৯ জন ছাত্রছাত্রী বিনামূল্যে পাবে নতুন বই।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

77 + = 87