স্যার থেকে ষার

আগে ভাবতাম বানান শুধু আমার বেলাই ভুল হয়।
কিন্তু আজ জাতির কাছে ভুল প্রমান করে দেখিয়ে দিয়েছেন বর্তমান পাক ইসলামি একাডেমি অতিত বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক সাহেব।
ভাবছি উনি আর আমি আবার পূনরায় পাঠশালা কিংবা বাংলা মাধ্যমের কোন স্কুলে ভর্তি হব।

সে যাইহোক, আগে আপনাকে স্যার বলতে খুব ভালো লাগতো। কারন প্রথমত আপনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরাশুনা করেছেন ও একজন মুক্তবুদ্ধি চর্চা করা মানুষ ছিলেন।
দুঃখিত এই কারনে যে এখন আপনাকে স্যার থেকে একটু নবির কায়দায় ব্যাঞ্জন বর্নের কয়েকটি বর্ন ডিঙিয়ে স থেকে ষ দারা ষার করে দিলাম।মানে এক কথায় ওনার মত ব্যাঙ করলাম।
কারন এ ছাড়া আপনাকে কিছু করারা সামর্থ নেই।
আশাকরি এই নিয়ে আপনি সন্তুষ্টি থাকবেন।

আচ্ছা আপনি যে এ বৃদ্ধ বয়সে এই কাজটি করেছেন এতে কি আপনার একটুও দিধা হল না? নাকি চিন্তাশক্তি লোপ থেকে লোভে পরিণত হয়েছে?
কিসের লোভ ষার হুরের?
কিন্তু এই বয়সে আপনি হুর দিয়ে কি করবেন?
আমি নিশ্চিত আপনি এত্তগুলা হুরেদের সাথে পারবেন না।

আপনার লেখা যা তাতে বুঝতে পেরেছি তা এক প্রকার শাক দিয়ে মাছা ঢাকার মত।
মুমিন গোয়েন্দারা কি বলেছে তাতে আপনার কাপুনি উঠে গেছে। আমার মনে ষার আপনি চিল্লায় গিয়েছিলেন।

পরিশেষে যা বলব, দয়াকরে আপনি আপনার অবস্থান থেকে সরে আসেন।
আপনি খুব ভালো করে জানেন যারা মুক্ত বুদ্ধির চর্চা করে তারা কখনো লেজ গুটিয়ে বসে থাকে না। কারন চেতনার দার যখন উন্মচন হয় তখন কেউ দাবিয়ে রাখতে পারে না।
যদি এমনটা হত তাহলে হুমাউন,অভিজিত,নিলয় হত্যার পর কেউ আর লিখত না।
৫ জন থেকে লক্ষে পৌছত না।
অতএব আশাকরি আপনিও আপনার অবস্থান বর্জন করে আলোর পথে আসবেন।
আর আমাকেও ষ থেকে স তে আসার সুযোগ দিবেন।
ধন্যবাদ

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 2