আরবের এক ঘাতক ও যৌনবিকারগ্রস্থ ধর্ম-প্রবর্তকের গল্প

প্রথম যৌবন জীবনে মোহাম্মদ ছিলেন শান্ত সিদা প্রকৃতির একজন মানুষ। কারো উপর তেমন কোনো অনাচার করতেন না। তখন নৈতিক দিক থেকে তরুনটি খুব একটা মন্দ ছিলোনা। ব্যবসায়ী খাদিজা মুহম্মদের নীতি দেখে তার ব্যবসা দেখা-শোনা করার দায়িত্ব দেন। মুহম্মদ ও তা নিষ্টার সাথে পালন করতে থাকে। অসম্ভব ব্যক্তিত্বময়ী খাদিজা ছিলেন তখন অত্যন্ত স্বাধীনচেতা নারী। তার স্বামী বিয়োগান্ত হওয়ার পর, তিনি একাই ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যেতে লাগলেন। এরপর মোহাম্মদকে তার কর্মচারী হিসেবে ব্যবসা দেখা-শোনা করার নিয়োগ দেন। দিন দিন মুহম্মদের নীতি আর অধ্যবসায় দেখে ৪০ বছর বয়সের খাদিজা তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন। মুহম্মদ ও রাজী হয়ে যায়। মুহম্মদ ছিল তখন ২৫ বছর।

মুহম্মদ ছোট থেকে বেড়ে উঠেছেন অনাদর আর অবহেলার মধ্য দিয়ে। সেই মা আমেনার গর্ভে জম্ম নিলেও মায়ের স্নেহ ভালোবাসা কখনো পায়নি। বড় হয়েছে অন্য মায়ের আশ্রয়ে। এই জন্য মুহম্মদ গ্লানি আর হিনষ্মন্যতায় ভুগতেন। তখন মুহম্মদের মনের মধ্যে জম্মে নেয় নারীর প্রতি এক ধরনের তীব্র ঘৃনা।

মুহম্মদ এই পৃথিবীর রহস্য দেখে ভাবতেন আর একা একা চিন্তা করতেন। তার মনে হতো সুর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরছে। দিন ঘুরে কিভাবে রাত হয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীটা একটা থালের মতো, যাতে উল্টে না যায় সেজন্য পাহাড়্গুলোকে পেরেকের মতো রাখা হয়েছে। উপরের আকাশ হল পৃথিবীর ছাদ, তাই প্রভু ছাদে ছোট ছোট আলো (নক্ষত্র) বসিয়ে ছাদকে সাঁজিয়েছেন। এসব নিয়ে মুহম্মদ আপনমনে বিড়বিড় করতেন। দিনরাত মুহম্মদ যখন এসব নিয়ে ভাবতেন, একদিন সেই স্বপ্ন দেখেন। স্বপ্নে জিব্রাইল তাকে বলছেন, -“মুহম্মদ তুমি এমন একটা ধর্ম প্রচার কর, একমাত্র তোমার ধর্মই পৃথিবীতে টিকে থাকবে, অন্যান্য ধর্ম বিলুপ্ত হয়ে যাবে।”
এরপর মুহম্মদ মক্কার রাস্তায় রাস্তায় প্রচার করতে লাগলেন, -আমাদের আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয়, আমিই তার রসুল।
মক্কাবাসীরা মুহম্মদের এই অস্বাভাবিক আচরণ দেখে ঢিল ছুঁড়তে থাকে, সবাই তাকে পাগল ভাবে। মুহম্মদ আর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে মক্কা থেকে মদিনায় পালিয়ে গেলেন।

মদিনাবাসীরা তার কথা একে একে বিশ্বাস করতে থাকে। তাকে সমর্থন দেয়। এভাবে মুহম্মদ একদিন মদিনা জয় করে। মদিনা জয় করার পর মুহম্মদের ভিতর জম্মে নেয় প্রতিশোধের ইচ্ছা। মক্কাবাসীকে যেভাবে হোক একটা শিক্ষা দিতেই হবে। সেই একদিন মদিনা থেকে দলবল নিয়ে এসে মক্কা আক্রমণ করে। কুরাইশদের সমস্ত দেবতা ভেংগে দেয়। তাঁদের প্রচলিত ধর্মকে মিথ্যা ও ভ্রান্ত বলে ঘোষনা দেয়। মুর্তিপুজা অর্থহীন বলে। সেখানেও মুহম্মদ আল্লাহ ও ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্টা করে।

মুহম্মদ মনে করতেন তিনি যেগুলো ভাবেন, সেগুলিই সেরা। সেইগুলিই উৎকৃষ্ট চিন্তা। তার চিন্তা বিরোধী যারা কথা বলতেন, মুহম্মদ তাদের হত্যা করতেন। মুহম্মদ মনে করতেন আল্লাহই শ্রেষ্ট। তার সৃষ্ট কোরাণই পৃথিবীর শ্রেষ্ট চিন্তা। তাই তিনি মুরিদদের নির্দেশ দিতেন, যারা আল্লাহ কোরানকে মানে না তাদেরকে হত্যা করো। ইসলামই প্রকৃত পথ। একমাত্র শান্তির ধর্ম। ইসলামই মানুষের পরিপুর্ন জীবন-বিধান। প্রথমে বিধর্মীদের ইসলামে দাওয়াত দাও, তারা যদি না আসে, তাদের হত্যা করো।

মুহম্মদ জীবনে স্বেচ্ছায় অনেক যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করেছেন। তার যুদ্ধের করার লক্ষ্য ছিল, প্রতিপক্ষ পুরুষদের গনহারে হত্যা করা, তারপর তাঁদের ধন-সম্পদ লুট করা। এরপর তাদের মা বোন স্ত্রীদের তুলে এনে রাতের শয্যাসঙ্গী করা। মুহম্মদের যৌননির্যাতনে অনেক নারী নিরবে নিভৃতে কেঁদেছেন। সবসময় মুহম্মদের কাছে থাকতো তলোয়ার। তাই তারা ভয়ে মুখ ফুটে কিছু বলতেন না। এমনকি মুহম্মদ সাফিয়া নামক এক যুদ্ধবন্দিনীর স্বামীকে সদ্য হত্যা করে মুহম্মদ তাকে জোড় করে রাতের রমন সঙ্গিনী বানান।

মুহম্মদ জীবনে প্রচণ্ড নারী লিপ্সু ছিলেন। তিনি যার সাথে ইচ্ছে হয় তার সাথে সঙ্গম করতেন। একরার তার পালক পুত্রবধু জয়নবকে ঘরে একাকী পেয়ে তার সাথে জোর করে সহবাস করেন। ঘটনা জেনে পালকপুত্র জায়েদ তার স্ত্রী জয়নবকে মুহম্মদের ঘরে রেখে আসেন। পরে মুহম্মদ পুত্রবধু জয়নবকে বিয়ে করেন। তাছাড়া তিনি অসংখ্য দাসীর সাথে গোপনে যৌনসম্পর্ক রাখতেন। এছাড়া মুহম্মদের এগার নাকি বারটি বিবি ছিল। তাদের সাথে পালা করে তিনি দৈহিক মিলন করতেন। একদিন মুহম্মদের নজর পড়ে দাসী মারিয়ার উপর। তিনি মারিয়ার দেহের সুন্দর অবয়ব দেখে নিজেকে আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেন না। এমনিতে ১২টা বিবি, ঘরে জায়গার অভাব। তিনি বুদ্ধি আঁটলেন। তার ৬নম্বর বিবি হাপসাকে তার বাবা ডেকে পাঠিয়েছেন বলে তাকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেন। এরপর অতি সুন্দরি দাসী মারিয়াকে নিয়ে হাপসার ঘরে ঢুকলেন। হাপসা বাপের বাড়ি গিয়ে জানতে পারে, তার বাবা তাকে ডেকে পাঠায়নি। তিনি আবার ফিরে এলেন। ফিরে এসে দেখেন আল্লার প্রিয় নবী মুহম্মদ মারিয়ার সাথে অগোচরে লুকিয়ে সঙ্গম করছেন। পরে হাপসার চিৎকার চেঁচামেচিতে পাড়া পড়শী এক হয়। পরে মুহম্মদ মারিয়াকেও বিয়ে করেন নেন।

মুহম্মদ পঞ্চাশোর্ধ বয়সে এসেও যৌন লালসা তেমন একটা কমাতে পারেনি। তার ছোট ছোট কোমলমতি শিশু দেখলেও যৌনতার বেগ যেন আরো বেড়ে যায়। তিনি প্রায় শেষ বয়সে এসে তার বন্ধুর কন্যা-শিশু আয়েশাকে বিয়ে করেন। আয়েশার বয়স সবে মাত্র ছয় তখন। তারপরো বন্ধুর কন্যা আয়েশাকে বিয়ে করে নিয়ে আসেন। আয়েশা বুঝতেন না বিয়ে কি, স্বামী কি, সঙ্গম কি। তার তখন পুতুল খেলার বয়স। মুহম্মদের দুঃখ আয়েশার সাথে সঙ্গম করতে পারতেন না। ছোট্ট বালিকা, একটুখানি যৌনি, সঙ্গম করবে কিভাবে? এই নিয়ে মুহম্মদ অস্থিরতা বোধ করতেন। এই জন্য তার তিন বছর অপেক্ষা করতে হয়। আয়েশা যখন নয় বছর, তখন তিনি আয়েশার সাথে সঙ্গম করার চেষ্টা করলেন। কিন্তু তৃপ্তি পেলেন না। আয়েশার কাছে নিজের অক্ষমতার জন্য মুহম্মদ মানসিকভাবে ভুগতেন। এদিকে বয়স ও বেড়ে চলেছে। মুহম্মদের যত বয়স বাড়তে থাকে, আয়েশার সুন্দর যৌবনের পাপড়ি তত মেলতে থাকে। এই নিয়ে মুহম্মদ হিনষ্মন্যতায় ভুগতেন। আয়েশাকে নিয়ে তার হিংসে হত। সেই ভাবত আমি চলে যাবার পর আমার অতি সুন্দরি যৌবনা আয়েশার উপর তো কারো নজর পড়বে! তাকে তো কেউ ভোগ করবে! এটা মুহম্মদ মন থেকে মেনে নিতে পারলেন না। তাই তিনি তার সব স্ত্রীর উপর আল্লার বাণী জারি করলেন। মুহম্মদ মারা যাওয়ার পর কোনো মুমিন তার স্ত্রীকে বিয়ে করতে পারবেনা। কারন মুহম্মদ আল্লাতালার প্রিয় রাসুল। রাসুলের বউকে বিয়ে করা জায়েজ না। কিন্তু মুহম্মদ পারবে।

মুহম্মদ মারা যাওয়ার পর তার বিবিদের পরবর্তী জীবন কি সরসে, নাকি বিরসে, নাকি কষ্টে কেটেছে লেখকের জানা নেই।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “আরবের এক ঘাতক ও যৌনবিকারগ্রস্থ ধর্ম-প্রবর্তকের গল্প

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 3 = 1