রঙ ও মন

জগত রঙিন নয়_উহা বৈচিত্রময়ও নয়। রঙতো তোমার মনে। পদার্থ বিজ্ঞানের জ্ঞান আমাদের বলে যে, জগত তরঙ্গময়_বিদ্যুৎ-চুম্বক তরঙ্গের খেলা। যে আলোর মাধ্যমে জগতটা বিভিন্ন রঙে রঙিনময় হয়ে তোমার মনে ধরা দেয় সেটাওতো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ। যে আলোকে তুমি বর্নহীন জান সেটাওতো রঙ ধনুর সাতটি রঙে তোমার মনে প্রতিভাসিত হয়। বাইরের জগতের ঐ ই,এম,ও সমূহ কত কম্পাঙ্কে, কত দৈর্ঘ্যে, কত মাত্রায়, কত কৌনিক অবস্থানে কেন্দ্রিভূত আছে তার উপর ভিত্তি করেই রঙের বৈচিত্রময়তা তোমার মনে বিভিন্ন ভাবের সঞ্চারন ঘটাচ্ছে। বিপরীত ক্রমে তোমার মনের ভাব কিংবা অভিব্যক্তিরও নির্দিষ্ট রঙ রয়েছে। বাইরের জগতের সঙ্গে তোমার মনের অভিব্যক্তির রঙের পার্থক্য কিংবা ছন্দোপতন ঘটলেই তোমার মন চঞ্চল হয়ে যায়। মনের বিকাশ মানে মনের অভিব্যক্তির সংখ্যার বৃদ্ধি। মানুষের মনের অভিব্যক্তির সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মনের অভিব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জগতটা আমাদের নিকট নতুন নতুন রুপে ধরা দিচ্ছে। দৈহিক বিবর্তনের সাথে সাথে মনেরও বিবর্তন ঘটছে_ঘটতেই থাকবে। মানুষের মনের কয়েক হাজার অভিব্যক্তি আজ লক্ষ লক্ষ অভিব্যক্তিতে পরিনত হয়েছে। পজিটিভ অভিব্যক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নেগেটিভ অভিব্যক্তিরও সৃষ্টি হচ্ছে। পজিটিভ অভিব্যক্তির মাধ্যমে নেগেটিভ অভিব্যক্তিকে দূরীভূত করার
মধ্যেই রয়েছে মানব জীবনের সার্থকতা।

তোমার আমার পার্থক্য হলো তোমার-আমার মনের অভিব্যক্তির সংখ্যা ও গুনগত পার্থক্য।
তোমার মনের অভিব্যক্তি সমূহ যখন আমার মনের অভিব্যক্তির সঙ্গে একই লয়, একই তাল, একই স্পন্দনে স্পন্দিত হয় তখইনতো তোমার প্রতি আমি আকৃষ্ট হই_তোমাকে ভালো লাগে, ভালোবাসি!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

68 − = 59