শিশু ও মুক্তবুদ্ধির চর্চাঃ দুইটি বিশেষ পাঠ

১.১ শিশু জন্ম গ্রহন করার সময় তার মস্তিষ্ক রুপ জৈবিক কম্পিউটারটি থাকে সাদা কাগজের মত সাদা_না শুধুই সাদা নয়, তার সঙ্গে থাকে জন্মসূত্রে প্রাপ্ত কিছু বেসিক সফ্টওয়্যার । প্রকৃতি থেকে তথা শিশুর পারিপার্শ্বিকতা থেকে অনবরত নতুন নতুন তথ্য শিশুর মস্তিষ্কে প্রোগ্রামিত হচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে শিশুর মনে নানা প্রশ্ন।
প্রশ্ন করার অধিকার মৌলিক অধিকার। শিশুর প্রশ্ন করাকে হাঁ বলুন। শিশুর মনে তৈরি হবে আত্মবিশ্বাস। শিশু বিশ্বকে চিনবে, জানবে তার নিজের মত করে। মুক্ত বুদ্ধির চর্চা তাকে নিয়ে যাবে এক অফুরন্ত সম্ভবনার দ্বারপ্রান্তে। প্রকৃতির নিয়ম ও স্পন্দন তার মনে দোলা দিবে_তৈরি হবে তার মনে কার্য-কারন সম্বন্ধযুক্ত এক বাস্তব বিশ্বদৃষ্টি। প্রকৃতি তখন তারই হবে, সে হবে প্রকৃতির।

১.২ একটি শিশুর সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশের জন্য পরিবারের ভূমিকাই প্রধান। পিতার-মাতার পারস্পরিক মিথোষ্ক্রিয়া ও অন্যান্য সদস্যদের মধ্যকার পারস্পারিক সম্পর্ক শিশুর মনে প্রভাব বিস্তার করে। ভারসাম্যহীন পারিবারিক ব্যস্থাপনা শিশুর মানসিক বিকাশের প্রতিবন্ধক স্বরুপ। শিশুর সামাজিকীকরণে পরিবারের ভূমিকাই প্রধান। শিশুর নিকট তার বাবাই পৃথিবীর সবচেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তি। তার ধারনা বাবা সব জানে। এক্ষেত্রে বাবার ভূমিকা কি হতে পারে তা সহজেই অনুমীয়। আর মা, সে তো তার ঈশ্বর!
আর এক্ষনেই বাবা-মার ভূমিকা কি হতে পারে তা নির্ধারন হয়েছে।

আপনার শিশুর মনের কৌহতুহলকে কখনও অবদমিত/নিরুৎসাহিত করবেননা। তার প্রশ্নকে হাঁ বলুন।
তার সকল প্রশ্নের জবাব ধৈর্য্যের সঙ্গে দেয়ার চেষ্টা করুন। তার কৌতুহলকে উৎসাহিত করুন।

আর এভাবে তার মধ্যে সুস্থ স্বাভাবিক মানসিকতা গড়ে উঠবে যা তার জীবন সংগ্রামের পথকে কুসুমাস্তীর্ণ করবে।

_Abu Momin

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 1