আমাদের নবী মুহাম্মদের কোন দোষ নেই, সব দোষ আল্লাহর

মুসলমান মাত্রই বিশ্বাস করে, নবী মুহাম্মদের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র। তারা এটা বিশ্বাস করে কোরান হাদিস সিরাত না পড়েই। আসলে তাদের সামনে শৈশব থেকে এরকমভাবেই মুহাম্মদের চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা হয়। অর্থাৎ শুনে শুনেই তারা মুহাম্মদ সম্পর্কে এমন বদ্ধ মূল ধারনা করে। তারা কখনই কোরান , হাদিস , সিরাত , তাফসির এসব পড়ে মুহাম্মদের চরিত্রকে জানে নি , জানার চেষ্টাও করে নি। এখন আমরা যদি কোরান হাদিস পড়ি দেখা যাবে , মুহাম্মদের এমন কিছু কাজ কারবার আছে , যা তাকে সর্বকালের শ্রেষ্ট মানুষ তো দুরের কথা , বর্তমান সময়ে মুহাম্মদ তার যে কোন একটা কাজ করলে , আজকের এই মুমিনরাই তাকে ফাঁসিতে ঝোলাত , না হয় যাবজ্জীবন কারা দন্ড দিত।

মুসলমান মাত্রই বিশ্বাস করে, নবী মুহাম্মদের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র। তারা এটা বিশ্বাস করে কোরান হাদিস সিরাত না পড়েই। আসলে তাদের সামনে শৈশব থেকে এরকমভাবেই মুহাম্মদের চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা হয়। অর্থাৎ শুনে শুনেই তারা মুহাম্মদ সম্পর্কে এমন বদ্ধ মূল ধারনা করে। তারা কখনই কোরান , হাদিস , সিরাত , তাফসির এসব পড়ে মুহাম্মদের চরিত্রকে জানে নি , জানার চেষ্টাও করে নি। এখন আমরা যদি কোরান হাদিস পড়ি দেখা যাবে , মুহাম্মদের এমন কিছু কাজ কারবার আছে , যা তাকে সর্বকালের শ্রেষ্ট মানুষ তো দুরের কথা , বর্তমান সময়ে মুহাম্মদ তার যে কোন একটা কাজ করলে , আজকের এই মুমিনরাই তাকে ফাঁসিতে ঝোলাত , না হয় যাবজ্জীবন কারা দন্ড দিত।

অথচ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট একজন আদর্শ মানুষের যে কোন কাজই সর্বকালের জন্যে প্রযোজ্য হওয়ার কথা। তার মানে আল্লাহ নিজেই মুহাম্মদকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষের তকমা দিয়ে , আবার তাকে দিয়ে এমন সব কাজ করিয়েছে , যে বর্তমানে যারা কোরান হাদিস সিরাত এসব পড়ে মুহাম্মদের চরিত্রকে জানছে , তারা কোনভাবেই মুহাম্মদকে একজন আদর্শ মানুষ হিসাবে গন্য করতে পারছে না , বরং তার সমালোচনা করছে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে , তারা সব কাজ কামের জন্যে আল্লাহ দায়ী। যেমন মুহাম্মদের ডজনের ওপর বিয়ের ঘটনা , কোরান বলছে –
———————————————————————————–
সুরা আহযাব- ৩৩: ৫০: ——-কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে।——-
———————————————————————————-
তার মানে মুহাম্মদ যে ডজনের ওপর বিয়ে করেছে , সেটা সে আল্লাহর নির্দেশে করেছে , মুহাম্মদের নিজের কোন দোষ নই। তার মানে আল্লাহই মুহাম্মদকে প্রকারান্তরে নারী লিপ্সু লুইচ্চা বানিয়েছে। তারপর দেখা যাচ্ছে , আমাদের নবী নিয়মিত দাসীর সাথে যৌনসঙ্গম করত ঘরে ডজনের ওপর বৌ থাকতেও , যা তাকে একজন চরম যৌনকাতর অসহিষ্ণু লম্পট মানুষ হিসাবে চিহ্নিত করেছে। যেমন –
—————————————————————————-
সুনানু নাসাঈ শরীফ :: স্ত্রীর সাথে ব্যবহার অধ্যায়, অধ্যায় ২৬b :: হাদিস ৩৪১১
ইবরাহীম ইবন ইউনুস (র)……আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিত । তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ (সা) -এর কাছে একটি দাসী ছিল যার সাথে রাসুলুল্লাহ (সা) সহবাস করতেন । এতে আয়েশা (রা) এবং হাফসা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সা) -এর পিছে পড়ে গেলেন । পরিশেষে রাসুলুল্লাহ (সা) সেই বাঁদিটিকে নিজের জন্য হারমে করে নিলেন । এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ পাক নাযিল করেন:” হে নবী (সা) আল্লাহ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন তা আপনি নিজের জন্য হারাম করে নিয়েছেন কেন (সূনা তাহরীম:১ আয়াত)” নাযিল করেন ।

———————————————————————————–
কিন্তু এর জন্যে তো মুহাম্মদ দায়ী না। এটার দায়ও আল্লাহর কারন আল্লাহ আগেই মুহাম্মদকে দাসীর সাথে বিয়ে ছাড়া যৌনকাজের নির্দেশ দিয়েছিল যেমন –
—————————————————————————-
সুরা আল মুমিনুন- ২৩: ৫-৬: এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে।তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না।
সুরা আত তাহরিম- ২৩: ৫:যদি নবী তোমাদের সকলকে পরিত্যাগ করেন, তবে সম্ভবতঃ তাঁর পালনকর্তা তাঁকে পরিবর্তে দিবেন তোমাদের চাইতে উত্তম স্ত্রী, যারা হবে আজ্ঞাবহ, ঈমানদার, নামাযী তওবাকারিণী, এবাদতকারিণী, রোযাদার, অকুমারী ও কুমারী।

———————————————————————————
কিন্তু দাসীর সাথে যৌনকাজ করতে গিয়ে মুহাম্মদ তার স্ত্রী হাফসার কাছে ধরা খায়, আর সে সেটা কোনভাবেই মেনে নিতে না পারায় , এক পর্যায়ে মুহাম্মদ প্রতিজ্ঞা করে যে , সে আর কখনও দাসীর সাথে যৌন সঙ্গম করবে না কিন্তু , আল্লাহ তাতে নারাজ হয়, এবং নিচের আয়াত নাজিল করে মুহাম্মদকে বলে সে অবশ্যই দাসীর সাথে যখন খুশি যৌনসঙ্গম করবে , আর তাতে তার কোন স্ত্রী বাধা দিতে পারবে না , যদি বাধা দেয় , তাহলে তাদের সবাইকে সে তালাক দিয়ে দেবে এবং একই সাথে মুহাম্মদকে সেই লুইচ্চা , লম্পট ও যৌনকাতর মানুষ হিসাবেই বহাল রাখে , যেমন –
—————————————————————————
সুরা আত তাহরিম- ৬৬: ১: হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্যে যা হালাল করছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্যে তা নিজের জন্যে হারাম করেছেন কেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়।
—————————————————————————–

সুতরাং দেখা যাচ্ছে , মুহাম্মদ যে আসলে লম্পট বা লুইচ্চা ছিল যা কোরান হাদিস সিরাত থেকে জানা যাচ্ছে , সেটা আসলে আল্লাহই তাকে বানিয়েছিল , এখানে মুহাম্মদের নিজের কোন দোষ নেই। তাই আসুন সমস্বরে আওয়াজ তুলি —

মুহাম্মদের চরিত্র , ফুলের মত পবিত্র
আল্লাহর কুমন্ত্রনা , আর চলতে দেয়া যাবে না
নারায় তাকবির , আল্লাহু আকবর !!!

সূত্র : https://sunnah.com/nasai/36

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

44 − 42 =