সুন্দরবন আমার মা, উজাড় হতে দেবো না….

“সুন্দরবন বাংলাদেশকে রক্ষা করে,
সুন্দরবন রক্ষা করা আমাদের সকলের কর্তব্য”

রামপাল কয়ালভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ সুন্দরবনবিনাশী সকল চুক্তি বাতিলের দাবীতে ২৬ জানুয়ারি ঢাকায় অর্ধদিবস হরতালের ডাক দিয়েছে তেল,গ্যাস,বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি সহ প্রগতিশীল সংগঠনের নেতারা।

রামপাল-ওরিয়ন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ শতাধিক বাণিজ্যিক বনগ্রাসী-ভূমিগ্রাসী প্রকল্প ঘিরে ফেলেছে বিশ্ব পরিবেশ ঐতিহ্য বাংলাদেশের হৃদপিন্ড সুন্দরবনকে।
দেশ-বিদেশের সচেতন মানুষ, ইউনেস্কোর উদ্বেগ-বিরোধিতা অগ্রাহ্য করে মহাজোট বর্তমান গনতন্ত্রহীন সরকার ভারতের এনটিপিসি সহ দেশি-বিদেশি লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষায় রামপাল প্রকল্পের কাজ বন্ধ করছে না।

রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে সুন্দরবনের উপর কি প্রভাব পড়বে…..

প্রতিদিন সুন্দরবনের জলাভূমির মধ্য দিয়ে ১২ হাজার টনের কয়লার জাহাজ যাতায়াত করবে। এই প্রকল্পে প্রতিবছর অন্তত ৪৭ লক্ষ টন কয়লা পোড়ানো হবে। এর ফলে পানি, বায়ু ও মাটির উর্বরতা কমে পরিবেশের উপর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।পর্যায়ক্রমে এ অঞ্চলের ৪০ লক্ষাধিক মানুষ তাদের বর্তমান জীবিকা হারাবে। উদ্ভাস্ত হবে আরও অসংখ্য মানুষ। প্রাকৃতিক দুর্যোগে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৫ কোটি মানুষের জীবন ও সম্পদ অরক্ষিত হয়ে পড়বে।আর বেশি দামে উৎপাদিত বিদ্যুৎ এর দাম জনগনের কাঁধেই চাপবে।

তাই আমাদের সুন্দরবন ও পরিবেশ রক্ষায় নাগরিক ঐক্য গড়ে তুলতে হবে, লড়াই করে রামপাল দানব মুক্ত করতে হবে। তাই ২৬ জানুয়ারি ঢাকাসহ সারাদেশে ভোর ৬ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত হরতাল পালন করার ডাক দিয়েছে সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলকারী ও সংগঠকবৃন্দ। আসুন সবাই প্রতিবাদ জানাই, এই সরকারের টনক নেড়ে দেই তাদের বাধ্য করি রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের জন্য। আমরা উন্নয়ন চাই তবে, পরিবেশ বিলুপ্ত করে উন্নয়ন চাই না……

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 2 =