মদিনা সনদ এবং ইসলামি জঙ্গি আস্ফালন !!

১. ভিনদেশী মুসলমান রোহিঙ্গাদের হয়ে “ধর্মীয় প্রতিশোধ” নিতেই ২০১২ সনে রামুতে অল পার্টি ইসলামিক কোয়ালিশন ইসলামি তান্ডব চালায় । রোহিঙ্গারা আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে বার্মার পুলিশ মারবে কিন্তু রোহিঙ্গাদের কিছুই করা যাবে না, জামাই আদর ছাড়া ।

২. ২০১৩ এর ৫ মে মতিঝিল শাপলা চত্বরে ইসলামি জঙ্গি গ্রুপ “হেফাজত এ ইসলাম” এবং “জামায়াত এ ইসলাম” রাষ্ট্রবিরোধী যৌথ সন্ত্রাসবাদি তান্ডব চালায় । এই সন্ত্রাসী গ্রুপের কারো যেন তান্ডব চালাতে কষ্ট না হয় সেজন্য শরবত, রুটি কলার সহ আরো বহু কিছুর আয়োজন করা হয় । নারায়ন গঞ্জের শামিম উসমান থেকে এরশাদ সবাই এই দায়িত্বে ছিল ।

৩. ২০১৬ সনে “রাষ্ট্রধর্ম বাতিল নিয়ে রিট এর শুনানি” এর পূর্বে জঙ্গী গ্রুপ হেফাজত এ ইসলাম সশস্ত্র বিদ্রোহের হুমকি দেয় যা কিনা রাষ্ট্রদ্রোহিতার পর্যায়ে গেছে । যদিও আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয় নি । উপরন্তু রেলের জমি উপঢৌকন হিসেবে দেয়া হয়েছে ।

৪. হেফাজত এর ১৩ দফার অনুসারেই ২০১৫ এর ১৪ এপ্রিল ইচ্ছাকৃতভকবে পহেলা বৈশাখের দিন নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে । যেন পরবর্তীতে এই অযুহাতে পহেলা বৈশাখ পালনে বাধা দেয়া সহজ হয় । দেখুন এবং মনে করুন ” পহেলা বৈশাখে নতুন শাড়ি পড়িনি” বলে কে মিডিয়ার সামনে হাজির হয়েছিল !

৫. “দেশ চলছে মদিনা সনদে” এবং খ্রিষ্টানদের বড়দিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে বলা “আমি মুসলমান” এই কথা যে বলে সে নিজেই হাজারো মন্দিরে হামলার পরোক্ষ নির্দেশ দানকারি ।

৬. ইসলামি ব্যাংকে “হিন্দু খ্রিষ্টান নিয়োগ দেয়া হবে ” এবং “শরিয়াহ আইন অনুযায়ি ইসলামি ব্যাংক চলবে আগের চেয়ে ভালো করে” আরাস্তু খানের এই বচনগুলি কয়েকশ মন্দির ভাঙচুর আর হিন্দুর ঘরবাড়িতে আগুন লুটপাট চালানোর পর সরকারি ঘোষনা, “বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ ” এর মতই হাস্যকর ! অর্থ্যাত, ” ইসলামি ব্যাংক অসাম্প্রদায়িক ব্যাংক ”

৭.তামিম, মারযান, সাদ্দাম, আত্মঘাতি প্রিয়তি এবং হেফাজত, জামাত, বিম্পি,আম্লিগ এরা আসলে বিচ্ছিন্ন কেউ না । এরা সবাই মুসলমান । ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সুতরাং বোমাবাজি রক্তারক্তি লুটপাট ধর্ষন এদের রক্তে ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 1