কিউরিয়াস আইজু , চুদিরভাই আইজু

আমাদের গ্রামে এক চোর ছিলো । বাট্টু চোরা । গ্রামে এমন কোনো বাড়ি ছিলো না যেটাতে সে চুরি করে নাই । ফ্রিজ টিভি থেকে শুরু করে হাড়ি পাতিল পর্যন্ত চুরি করতো সে । কুরবানীর গরু পর্যন্ত চুরি করে নিয়া গেছিলো ঈদের আগের রাতে । প্রতিদিনই কোনো না কোনো বাড়ি থেকে কিছু না কিছু খোয়া যেতো । গ্রামবাসীর প্রতিদিনের সকাল শুরু হত বাট্টু চোরাকে গালাগালি করে । কিন্তু সে যে কোথায় থাকে তা কেউই বলতে পারে না ।

এক বর্ষার সময় । শহর থেকে মেজবান এসেছে চেয়ারম্যানের বাড়ি । পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পরে যায় চেয়ারম্যানের নাতনি । কেউ আর তুলতে নামে না । হঠাত্‍ কোথা থেকে এসে বাট্টু চোরা ডুব দিয়া তুলে আনে বাচ্চাটাকে ।

এতদিন পরে হাতের কাছে পাইয়া লোকজন ইচ্ছামতো পিটানি দেয় বাট্টুরে । শেষে মুয়াজ্জিন চাচায় কোনো রকম বাচায় তাকে । সেদিন রাতেই মারা যায় সে ।

বাট্টু মরার পর আর কারো কিছু হারায় না গ্রামে । কেউ আর গালাগালি করে না তাকে । কিন্তু গ্রামের মানুষগুলো কেমন জানি মিইয়ে যায় । যার গরু চুরি হইছিলো সেও কিছু একটার অভাব বোধ করে । প্রতি সকালে গ্রামের মানুষগুলো অপেক্ষা করে কারো কিছু চুরি হয়েছে এটা শোনার জন্য ।

ডাক্তার আইজু খুবই খারাপ একটা লোক । ছিদ্রান্বেষী । বাট্টু যেমন সবার বাড়িতে চুরি করতো , আইজুও সবার পিছনে লেগে থাকতো সবসময় । আইজুকে অপছন্দ করে সক্কলেই । কিন্তু আইজুহীন ফেসবুকও একই রকম পানসে লাগে । প্রতি ঘন্টায় ফেসবুক পাড়া অপেক্ষায় থাকে একটা চুদির ভাই স্ট্যাটাস পড়ার জন্য ।

সমাজের রাঘব বোয়াল দূর্নীতিবাজদের সবাই বাপ বলে ডাকে আর ঘৃণা করে বাট্টু চোরাদের, আইজুদের ।
ডাক্তার আইজু একটা চুদিরভাই ।
কিন্তু তার মতো চুদিরভাইদের দরকার আছে ।

কাম ব্যাক চুদির ভাই ।
উই নিড সাম বালছাল 😀

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৯ thoughts on “কিউরিয়াস আইজু , চুদিরভাই আইজু

  1. নগরিতে শিয়াল এবং পেচাঁ দুটোরই
    নগরিতে শিয়াল এবং পেচাঁ দুটোরই প্রয়োজন আছে, শিয়াল রাত্রির প্রহর ঘোষণা করে আর পেঁচক অমঙ্গলের বার্তা।

  2. হুম। ঝালমুড়ি না থাকলে আলুনি
    হুম। ঝালমুড়ি না থাকলে আলুনি লাগে। তবে ঝালমুড়ির মাঝেও পুষ্টি আছে যদি সেটা হজম করার ক্ষমতা থাকে। উদাহরণ ভালো লাগছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

7 + 2 =