হে ধরণী, আমরা অবিচলঃ তীর্থের কুহকের কবিতাগুচ্ছ (২)

অবিচল , ও ধরণী, আমরা অবিচল –

নিপীড়নে দারিদ্র্য এসে দুয়ারে হাজির
খাদ্যশস্য নেই বরাদ্দ আমাদের জন্য কোন
আবহমান এ অবক্ষয় যেন সামাজিক আখ্যান ।

তরুণদের একটি প্রস্তাবনা ছিল
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ থেকে জবাবদিহিতা হোক শুরু
সরকার কেন জনবিরুদ্ধ রাজনৈতিক দাবার চালে-
জনতাকে আবদ্ধ করেছে শেকলে ।

যদি আমরা দাড়াতে পারি- নির্ভয় চিত্তে
আওয়াজ উঠবে বজ্রকন্ঠে-
রাজনৈতিক ধনতন্ত্রের পাপাচার –ধ্বংস ও মৃত্যুর ব্যালট নিয়ে আসে ।

অবিচল, হে ধরণী, আমরা অবিচল
অবিচল, হে ধরণী, আমরা অবিচল।

দুর্নীতির সাগরে নিমজ্জিত শাসকেরা কন্ঠের আওয়াজ স্তব্ধ করতে গেলে
শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ রূপ নেয় সহিংসতায় ।

একজন ফুটবল তারকা যে সম্পদ বিলিয়ে বেরিয়ে আসে খ্যাতির যশ তুচ্ছ করে
একটি কামনা অবশিষ্ট নেই – কাঁধে কাঁধ মেলায় জনতার সাথে ।
তখন এটি বোধগম্য- ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা আমাদের লক্ষ্যবাণ ।

ধ্বংসস্তুপের মধ্য দিয়ে হেটে যাওয়া অস্থির এক মানুষ মৃত্দেহের উপর দাঁড়িয়ে আওয়াজ তুলবে বহুবার-
অবিচল, হে ধরণী, আমরা অবিচল
অবিচল, হে ধরণী , আমরা অবিচল ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 44 = 53