দুইটি নৈতিক বানীঃ ১. অহিংসা পরম ধর্ম ও ২.জীব হত্যা মহাপাপ

১) অহিংসা পরম ধর্ম। ২) জীব হত্যা মহাপাপ।
__বুদ্ধ

১.১ মানুষ হলো এক কোষী প্রানী/জীব এরই বিবর্তিত কিংবা ক্রমবিকশিত রুপ।

১.২ অতএব, এক কোষী জীবও ক্রম সংকোচিত একজন বুদ্ধ মানব।

১.৩ জগতের প্রতিটি সত্তা জড়-অজড় কিংবা জীব-অজীব প্রত্যকই পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক আন্ত:জালিক বন্ধনে আবদ্ধ। প্রতিটি সত্তাই(জড়, জড়-কনা, জীব, অনুজীব) একে একটি পয়েন্ট।একে বলা যেতে পারে জগতের নেটওয়ার্ক যা জগৎরূপ সুবিশাল মহা কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত।

১.৪ নেটওয়ার্কের বাইরে কিছু নেই। প্রতিটি মানুষও এই নেটওয়ার্কের আওতাভূক্ত। প্রতিটি মানুষের মস্তিষ্ক জগতরুপ মহাকম্পিটারের একেকটা সুইচ বোর্ড। জগত পরিচালনায় প্রতিটি মানুষই একেকটি এডমিন।

১.৫ হাঁ, আপনিও জগত পরিচালনায় একজন এডমিন। আপনি একই সঙ্গে অপরাপর সত্তা দ্বারা চালিত এবং চালক। জগতের প্রতিটি কনাও একেকটা মিনি এডমিন স্বরূপ।

১.৬ আপনি যদি সক্রিয় এডমিন হন তাহলে জগত অনেকটাই থাকবে আপনার অধীন। জগতরূপ মহাকম্পিউটারের অন্যতম সুইচ বোর্ড তখন আপনার মস্তিষ্কে।

১.৭ আপনি যখন একজন অনন্য মানব কিংবা বুদ্ধ মানব/ঈশ্বর মানব তখন আপনি একজন সক্রিয় এডমিন। তখন জগতের প্রধানতম সুইচ বোর্ড আপনার হাতে। আপনি জগত সংসারের একজন নিয়ন্ত্রক।

১.৮ ঈশ্বর মানব হওয়ার দুইটি পথ আপনার জন্য খোলা আছে। মানুষের ইহজাগতিক ও আধ্যাত্মিক কিংবা উভয়ের উন্নয়নের সাধনায় নিজেকে নিয়োজিত করা।

১.৯ একজন আইনস্টাইন, স্টিফেন হকিং, বুদ্ধ, মহাবীর, পি.আর সরকার, মুহম্মদ, যিশু, বার্ট্রান্ড রাসেল কিংবা ডারউইন ইত্যাদি প্রত্যেকেই স্বস্ব ক্ষেত্রে একেকজন ঈশ্বর মানব।

১.১০ আপনি যখন একজন ঈশ্বর মানব তখন জগতের অপরাপর সকল এডমিন কিংবা সত্তাসমূহের উপর রয়েছে আপনার দায়িত্ব ও কর্তব্য।

১.১১ সকল জড়ীয় অজড়ীয় সত্তার প্রতি বিশ্বজনীন প্রেম-ভালোবাসাই হবে আপনার নৈতিক দায়িত্ব।

১.১২ আর এক্ষনেই,
” i) অহিংসা পরম ধর্ম এবং ii) জীব হত্যা মহামাপ ” বুদ্ধের দুইটি নৈতিক বানী আপেক্ষিক অর্থে হলেও আমাদের মানতে হয়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 6 = 1