মুহাম্মদের কোন দোষ নাই, সে ডাকাতও নয়।

কোরান হাদিস সিরাত ঘাটলে দেখা যাবে , ইসলাম অমুসলিমদেরকে প্রচন্ড ঘৃনা করতে , তাদেরকে নিকৃষ্ট জীব মনে করতে শেখায়। আর সেই কারনেই দুনিয়ার প্রতিটা মসজিদে জুম্মার নামাজের পর অমুসলিমদের ধ্বংস কামনা করে ও অভিশাপ দিয়ে খুতবা দেয়া হয়। এ ধরনের নিকৃষ্ট প্রানীদের ধন সম্পদ জোর করে কেড়ে নেয়ার জন্যে কোরান হাদিসে সুস্পষ্ট নির্দেশ বিদ্যমান আর সেটাই আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদকে বলেছে , সে নির্দেশ পালন করতে গিয়েই মুহাম্মদ হয়ে গেছে দুনিয়ার শ্রেষ্ট ডাকাত।

কোরান হাদিস সিরাত ঘাটলে দেখা যাবে , ইসলাম অমুসলিমদেরকে প্রচন্ড ঘৃনা করতে , তাদেরকে নিকৃষ্ট জীব মনে করতে শেখায়। আর সেই কারনেই দুনিয়ার প্রতিটা মসজিদে জুম্মার নামাজের পর অমুসলিমদের ধ্বংস কামনা করে ও অভিশাপ দিয়ে খুতবা দেয়া হয়। এ ধরনের নিকৃষ্ট প্রানীদের ধন সম্পদ জোর করে কেড়ে নেয়ার জন্যে কোরান হাদিসে সুস্পষ্ট নির্দেশ বিদ্যমান আর সেটাই আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদকে বলেছে , সে নির্দেশ পালন করতে গিয়েই মুহাম্মদ হয়ে গেছে দুনিয়ার শ্রেষ্ট ডাকাত।

প্রথমত: জানতে হবে ইসলাম অমুসলিমদেরকে কি চোখে দেখে, কোরান বলেছে-
————————————————————————–
সুরা বাইনিয়া – ৯৮:৬: আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের, তারা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির নিকৃষ্ট প্রানী। (মাক্কী )
—————————————————————————-
অর্থাৎ মুহাম্মদ মক্কায় থাকতে যখন দুর্বল ছিল , তখনই সে অমুসলিমদেরকে অপমান করে বলছে তারা হলো নিকৃষ্ট প্রানী – শিয়াল , কুত্তা , শুকর ইত্যাদির মত। কিন্তু মক্কায় সেই অমুসলিমরা সংখ্যায় বেশী থাকার কারনে মুহাম্মদ বাধ্য হয়ে তাদের সাথে শান্তিপূর্ন সহাবস্থান করে এই বলে যে —-
—————————————————————————-
সুরা কাফিরুন-১০৯: ৬: তোমার ধর্ম তোমার কাছে , আমার ধর্ম আমার।(মাক্কী)
—————————————————————————
সুতরাং বলাই বাহুল্য যে , মুহাম্মদ যদি শক্তিশালী হতো , তার দলে যদি লোকজন বেশী থাকত , সে কখনও এই ধরনের শান্তিপূর্ন কথা বলত না , কারন নিকৃষ্ট প্রানীদের সাথে কেউ কখনও একত্রে থাকে না। সুতরাং যদি কখনও মুহাম্মদ শক্তিশালী হয় , তাহলে তার কথা যে পাল্টে যাবে সেটা কিন্তু একটু সাধারন জ্ঞান থাকলেই বোঝার কথা। এরপর মুহাম্মদ মদিনায় চলে গেল , সেখানে গিয়ে সে প্রথমেই তো আর সেখানকার রাজা হয় নি , তাকে আস্তে আস্তে শক্তি সঞ্চয় করতে হয়েছে, সেটা করতে গিয়ে সে প্রথমেই অমুসলিমদের দলে টানার জন্যে বলল-
—————————————————————————-
সুরা বাকারা -২:৬২:নিঃসন্দেহে যারা মুসলমান হয়েছে এবং যারা ইহুদী, নাসারা ও সাবেঈন, (তাদের মধ্য থেকে) যারা বিশ্বাস রাখে আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামত দিবসের প্রতি এবং সৎকাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে তার সওয়াব তাদের পালনকর্তার কাছে। আর তাদের কোনই ভয়-ভীতি নেই, তারা দুঃখিতও হবে না। (মাদানী)
সুরা বাকারা -২: ২৫৬: দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্য-বাধকতা নেই।
—————————————————————————–
সুরা বাকারা হলো মদিনায় যাওয়ার পর পরই মুহাম্মদ নাজিল করে। আর তখন মদিনায় বসবাসকারী ইহুদি খৃষ্টান সাবিয়ান ইত্যাদিরা যাতে মুহাম্মদের বিরোধিতা না করে , সে জন্যে সান্তনা দেয়ার জন্যে বলা হলো- তারা যদি আল্লাহ ও শেষ বিচারে বিশ্বাস করে , তাহলে তারাও পুরস্কৃত হবে। বস্তুত: তাদেরকে নিরপেক্ষ রেখে এভাবে মুহাম্মদ প্রথমে মদিনার পৌত্তলিকদের দলে টেনে , কিছু শক্তি সঞ্চয় করল , এবং পরিকল্পনা করল – অমুসলিমদের উপর আঘাত হানার , সেটা করতে গিয়ে সর্বপ্রথম সে বেছে নিল , মদিনার পাশ দিয়ে চলে যাওয়া মক্কাবাসীর বানিজ্য কাফেলা আক্রমন তথা ডাকাতি। মক্কা বাসিদের বেছে নেয়ার কারন , সেটা করলে মদিনা বা তার আশ পাশের ইহুদি খৃষ্টান বা অন্যান্যরা কিছু বলবে না। , মুসলমানদেরকে উত্তেজিত করার জন্যে বলল-
—————————————————————————–
সুরা বাকারা -২:১৯০:আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না।
—————————————————————————–
অর্থাৎ বলছে কেউ যদি তোমাকে আক্রমন করে , তাহলে তাকে আক্রমন করতে হবে। অর্থাৎ সেটা হচ্ছে আত্মরক্ষার বিধান। কিন্তু এর পরেই উত্তেজিত করার জন্যে বলছে –
———————————————————————————
সুরা বাকারা-২:২৯১:আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে। বস্তুতঃ ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ। আর তাদের সাথে লড়াই করো না মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে। অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে। তাহলে তাদেরকে হত্যা কর। এই হল কাফেরদের শাস্তি।
———————————————————————————–
অর্থাৎ মুসলমানদেরকে মক্কা থেকে বের করে দিয়েছে , সেই কারনেই তাদেরকে আক্রমন করতে হবে। তার মানে মক্কাবাসীরা আক্রমন করুক বা না করুক , তাদের ওপর আক্রমন করতে হবে আগ বাড়িয়েই। কি দারুন টেকনিক ! প্রথমেই আত্মরক্ষার যুদ্ধের কথা বলে , তারপরই বলা হচ্ছে আগ বাড়িয়ে আক্রমন করার কথা। অথচ যদি মুহাম্মদের সিরাত গ্রন্থ পড়ি , দেখব মক্কাবাসীরা কোনভাবেই মুসলমানদেরকে মক্কা থেকে বের করে দেয় নি , অত্যচারও করে নি। এসবই গাল গল্প। বরং মুহাম্মদই সব সময় কুরাইশদের ধর্মকে আগ বাড়িয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করত , তাদের কাবা ঘরে ঢুকেই , কিন্তু কুরাইশরা বরং তাকে কিছু হুমকি ধামকি দেয়া ছাড়া আর কিছুই বলে নি। মুহাম্মদের বাড়াবাড়ির কারনে , এক পর্যায়ে কুরাইশরা মুসলমানদের সাথে সামাজিক সম্পর্ক ছিন্ন করে , তখন তারা মক্কায় টিকতে না পেরে মদিনা, আবিনিসিয়াতে চলে যায় স্বেচ্ছায় , কেউ তাদেরকে বাধ্য করে নি মক্কা ছাড়তে। উক্ত বিধান জারি করেই মুহাম্মদ তার দলবল সহ মদিনার পাশে বানিজ্য কাফেলা ডাকাতি শুরু করে। এভাবে পর পর ৬ টা ডাকাতি ব্যর্থ হয়। তারপর মুহাম্মদ তার একটা ছোট দলকে বেপরোয়াভাবে পাঠায় নাখলা নামক স্থানে যেখানে যেতে মক্কা পেরিয়ে যেতে হয়। কিন্তু ঘটনাচক্রে সেই ডাকাতিটা করে ফেলে নিষিদ্ধ মাসে , , তখন চারদিকে মুহাম্মদের সম্পর্কে নিন্দাবাদ ওঠে , লোকজন বলাবলি করতে থাকে , মুহাম্মদ কোন ধরনের নবী যে পবিত্র মাস না মেনেই মানুষজনকে আক্রমন করে। তখন উক্ত ডাকাতিকে বৈধ করতে মুহাম্মদ নিচের আয়াত প্রচার করে –
—————————————————————————
সুরা বাকারা-২:২১৭:সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা ভীষণ বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে।
——————————————————————————–
এর পর থেকেই মুহাম্মদ তার দলবল নিয়ে সর্বদাই চোরাগোপ্তা হামলা করত বানিজ্য কাফেলা সহ বিভিন্ন জনপদে, যাকে কোরানে ডাকাতি না বলে বলেছে যুদ্ধ বা জিহাদ। তার মধ্যে বিখ্যাত বদরের যুদ্ধ অন্যতম। আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে বানিজ্য কাফেলা সিরিয়া থেকে ফেরার খবর পেয়ে মুহাম্মদ সেই দলকে আক্রমন করার পায়তারা করে। তখন সেই বানিজ্য কাফেলা রক্ষার জন্যে মক্কা থেকে ১০০০ লোক রওনা হয়ে বদর প্রান্তরে যখন বিশ্রাম নিচ্ছিল , তখন ক্লান্ত শ্রান্ত লোকদের ওপর মুহাম্মদ ৩১৩ জন লোক নিয়ে আতর্কিতে আক্রমন করে , তাদেরকে পরাস্ত করে তাদের সব মালামাল লুটপাট করে। যা ছিল আসলে এক বিশাল ডাকাতি। তখন মুসলমানরা সেই লুন্ঠিত মালামাল নিয়ে নিজেদের মধ্যেই মারামারি করতে উদ্যত হয় , সে খবর মুহাম্মদের কাছে গেলে সে নাজিল করে নিচের বিধান –
—————————————————————————
সুরা আনফাল-৮:১:আপনার কাছে জিজ্ঞেস করে, গনীমতের হুকুম। বলে দিন, গণীমতের মাল হল আল্লাহর এবং রসূলের। অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং নিজেদের অবস্থা সংশোধন করে নাও। আর আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য কর, যদি ঈমানদার হয়ে থাক।(মাদানী)
————————————————————————–
অর্থাৎ তোমরা লুটপাটেল মালামাল নিয়ে মারামারি করো না , কারন লুটপাটের মাল হলো আল্লাহ ও তার রসুলের। সুতরাং দেখা যাচ্ছে লুটপাটের পাঁচ ভাগের এক ভাগ মাল মুহাম্মদ তার নিজের বিশাল পরিবারের ভরণ পোষনের জন্যে রাখছে , যার অর্থ – ডাকাতিকেই মুহাম্মদ আসলে পেশা হিসাবে গ্রহন করছে। সেই ডাকাতি করতে গিয়ে কিভাবে অমুসলিমদের মনে ভীতির সঞ্চার করতে হবে, সেটা হলো –
—————————————————————————
সুরা আনফাল- ৮: ১২: যখন নির্দেশ দান করেন ফেরেশতাদিগকে তোমাদের পরওয়ারদেগার যে, আমি সাথে রয়েছি তোমাদের, সুতরাং তোমরা মুসলমানদের চিত্তসমূহকে ধীরস্থির করে রাখ। আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করে দেব। কাজেই গর্দানের উপর আঘাত হান এবং তাদেরকে কাট জোড়ায় জোড়ায়।
——————————————————————————–
এভাবেই যারা ডাকাতি করবে ইসলামের নামে তারাই হলো প্রকৃত মুসলমান আর তারাই যাবে বেহেস্তে , সেটা বলা আছে নিচের হাদিসে —
—————————————————————————–
জিহাদ অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ২২০
ইয়াহ্ইয়া ইব্ন বুকাইর (র)……………আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য বলার শক্তি সহ আমি প্রেরিত হয়েছি এবং শত্রুর মনে ভীতির সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে।
জিহাদ অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ৭৩
আব্দুল্লাহ ইব্ন মুহাম্মদ (র)…………উমর ইব্ন উবায়দুল্লাহ (র)-এরাযাদকৃত গোলাম ও তার কাতিব আবূন নাযর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইব্ন আবূ আওফা (রা) তাঁকে লিখেছিলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তোমরা জেনে রাখ, তরবারীর ছায়ার নীচেই জান্নাত।
———————————————————————————
সুতরাং দেখা যাচ্ছে ইসলামের পবিত্র পেশা হলো অমুসলমানদের ওপর ডাকাতি , আক্রমন , তাদের মালামাল লুটপাট। আর দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ট ডাকাত হলো আমাদের নবী মুহাম্মদ। কিন্তু তাকে এভাবে ডাকাত বলা যাবে না। বললেই তার ঘাড় থেকে ধড় ফেলে দেয়া হবে , বরং ডাকাতির এ ঘটনাকে বলতে হবে – পবিত্র জিহাদ।

সুতরাং সার্বিক বিচারে দেখা যাচ্ছে , আমাদের মহানবী মুহাম্মদকে ডাকাত বানিয়েছে আল্লাহ । মুহাম্মদের নিজের কোন দোষ নেই। বলুন ,সুবহান আল্লাহ !

সূত্র :https://en.wikipedia.org/wiki/Nakhla_raid
https://www.thereligionofpeace.com/pages/muhammad/raid-caravans.aspx
https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_expeditions_of_Muhammad
https://en.wikipedia.org/wiki/Nejd_Caravan_Raid
http://knowing-islamic-doctrines.blogspot.com/2010/10/nakhla-raid-highway-robbery.html
https://en.wikipedia.org/wiki/Muhammad_in_Medina

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “মুহাম্মদের কোন দোষ নাই, সে ডাকাতও নয়।

  1. প্রথমেই বলে রাখি আমি
    প্রথমেই বলে রাখি আমি মুসলিমদের মক্কা বিজয়ের আক্রমণাত্যক আচরণের বিরোধী । আমার ধারণা সেই সময় থেকে মুসলিমরা তলোয়ারের উপর ভর করতে শিখেছে যার ফলাফল আজকের আই এস আরও বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন মূর্খ গুলো এখন তেল পেয়ে লাফিয়ে বেরাচ্ছে তবে রিনিয়েবল এনারজি তে সমগ্র পৃথিবী যখন চলবে তখন এরা বুঝবে তলওয়ার কেনার অবস্থা ও থাকবেনা আই এস টাইপের বাটপারি পরিচালনা তো দুরের কথা ।
    তবে ভাই আমাদের সাবধানে যুক্তি উপস্থাপন করা দরকার , আমার ধারণা আপনার টাইপিং মিস্টেক হয়েছে হয়ত আয়াত নং লেখার সময় ঠিক করে দিলে উপকৃত হবো কারণ কাঠমোল্লাদের সামনে যুক্তি দিতে সুবিধা হবে ।
    Al-Baqara just have 286 verses then how you could quote for 2:291.
    সুরা বাকারা-২:২৯১:আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে। বস্তুতঃ ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ। আর তাদের সাথে লড়াই করো না মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে। অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে। তাহলে তাদেরকে হত্যা কর। এই হল কাফেরদের শাস্তি।
    https://en.wikipedia.org/wiki/Al-Baqara

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

23 + = 24