মুসলমান ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

প্রিয় মুসলমান ভাইয়েরা, আজ আপনাদের উদ্দেশে কিছু বলার তাগিদ অনুভব করছি। আশা করি আমার লেখাগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। বর্ত্তমান বিশ্বে মুসলিমদের খুব করুণ পরিনতি দেখে আমার খুব খারাপ লাগে। দুনিয়ার তাবদ মুসলিমদের এখন ইউরোপের যেকোনো রাষ্ট সন্দেহের চোখে দেখে। মুসলিমদের নিয়ে গোটা বিশ্বে নিন্দার ঝড় উঠেছে। আপনাদের ঠুনকো অনুভূতি দেখে এখন অন্যধর্মীরা হাসাহাসি করে। পাগরী পড়া দাঁড়িওয়ালা মুসলিম দেখলে তাদের মনে প্রশ্ন জাগে, এর শরীরে বোমা নেই তো! বোরকা পরা মুমিনা দেখলে ভাবে, এর বোরকার ভিতর কোনো বিষ্ফোরক দ্রব্য নেই তো? এ জোব্বা পড়া মানুষটি আত্নঘাতী হামলা করবে না তো? মুসলিম হিসেবে এর চেয়ে লজ্জা আর কি থাকতে পারে?

আল্লার প্রিয় বান্দাগন, আজ আপনাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে ইসলামের নামে যে বর্বর পন্থায় গনহত্যা হচ্ছে, এতে পৃথিবীর সভ্যতাও লজ্জা পায়। কেন আপনারা এই বর্বরতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন? তাহলে কি মুহম্মদকে অনুসরণ করছেন? কে এই মুহম্মদ? ১৪০০ বছর আগের আরবের এক বর্বর খুনী ধর্ষক, যে নিজেকে আল্লার রসুল দাবী করেছেন, যে ভীনধর্মীদের একে একে গনহত্যা করে রক্তের উপর দাড়িয়ে ইসলাম প্রতিষ্টা করতেন, সে মুহম্মদকে?

প্রিয় মুসলিম বন্ধুগন, দেখুন আপনারা মুহম্মদের আদর্শে নিজেকে গড়ার যে স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছেন তা অত্যন্ত ভুল সিদান্ত। কারন মুহম্মদ অনেক আগে মরে মাটির সাথে মিশে গেছে! তার আদর্শ চরিত্র ১৪০০ বছর আগের মানুষ মেনে নিলেও বর্তমান একবিংশ শতকের কোনো সুস্থ-সভ্য মানুষ তা মেনে নেবেনা। মেনে নিতে পারেনা। তো আপনারা কেন তার জন্য মায়া কান্না করছেন? তার কার্টুন আঁকা হলে, সেই পত্রিকা অফিসে গিয়ে আপনারা বোমা মারছেন, তাদেরকে গুলি করে হত্যা করছেন। তাকে কেউ ঠাট্টা করে লুইচ্চ্যা বললে আপনারা তার কল্লা ফেলে দিচ্ছেন। এটা কোনো সভ্য মানুষের আচরণ হতে পারে? আপনারা জানেন যে, মুহম্মদ নিজেকে মহান আল্লাহতালার প্রেরিত রসুল দাবী করেছেন, সেই যদি আল্লার প্রিয় নবী হতো, তাহলে স্বয়ন আল্লাই তার মান-মর্যদা রক্ষা করতেন। কেউ যদি মুহম্মদকে নিয়ে ব্যাঙ্গাত্নক ছবি আঁকে, ফ্লিম বানায়, কুটূক্তি করে, তাহলে মহান আল্লাই তার তাৎক্ষণিক শাস্তি দিতেন। সেই অর্থে বোঝা যায় মুহম্মদ আল্লার প্রেরিত রসুল ছিলেন না! তো আপনারা কেন মিথ্যাবাদী প্রতারক মৃত মুহম্মদের জন্য মরণঘাতী কর্মকান্ডে লিপ্ত হচ্ছেন? আপনারা এতো ভোদাই কেন? আপনারা এই সহজ সমীকরণটা বুঝেন না কেন? ও হ্যাঁ জান্নাতের লোভে?

সুপ্রিয় জান্নাত প্রত্যাশী মুসলিম ভ্রাতাবৃন্দ, মুহম্মদ আপনাদের একেক জনকে ৭২টি অপুর্ব সুন্দরি দেয়া আর অফুরন্ত সরাবে ভরা জান্নাতের যে গালগল্প করেছেন, তা কি আদৌ সত্য? জান্নাত কি কখনো চোখে দেখেছেন? জান্নাত বলতে আদৌ কোনো বাস্তবিক জায়গা কিংবা গ্রহ আছে কিনা তার খোঁজ-খবর নিয়েছেন? জান্নাতে কি আসলে প্রতিজন মুমিনকে ৭২টি অপুর্ব হুর দেয়া হয়? নাকি এটা মুহম্মদের শুধুই কল্পনা ছিল? কোনটা? তা আপনারা বিবেচনা করে দেখবেন। তবে কোনো কিছু না দেখে তার অস্তিত্বের খবর না নিয়ে বিশ্বাস করা ঠিক না।

প্রানপ্রিয় মুসলমানগন, অবশেষে একটা কথা বলি। মুহম্মদ চারিত্রিক দিক থেকে তো বটেই, মানবিক দিক থেকেও ভালো ছিলেন না। যে ইসলাম প্রতিষ্টার জন্য বিধর্মীদের ধরে ধরে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছে। তাদের মা-বোন-স্ত্রীদের বন্দী করে এনে রাতের শয্যাসঙ্গী করেছে, জোর পুর্বক ধর্ষন করেছে। একের পর বিয়ে করে ১৪টি বিবি বানিয়েছে। বিবিদের অজান্তে অসংখ্য দাসী ভোগ করতো। সেই লুইচ্চ্যা প্রতারক খুনী মুহম্মদকে নিয়ে আপনারা গর্ববোধ করছেন? কেন শুধু শুধু নিজেকে আপনারা ছোট করছেন? আজ থেকে মোহম্মদীয় আচার ব্যবহার নিয়ম কানুন সব ছুঁড়ে ফেলুন! মহম্মদের ইসলামকে এড়িয়ে চলুন। এবং বজ্রকন্ঠে আওয়াজ তুলুন—-

মোহম্মদ আছে যেখানে
আমরা নাই সেখানে
ইসলামকে দেখিয়া
এড়িয়ে যাবেন হাসিয়া
অশান্তি আছে যেখানে
ইসলাম আছে সেখানে
মহম্মদের মুরিদ যারা
সহিংস খুনী তারা
মোহম্মদের ইতিহাস
মানব সভ্যতার সর্বনাশ
অজস্র মিথ্যার রীতি
জাহান্নামের ভয়-ভীতি
লাগবো না জান্নাত সুন্দরী বেশ্যাখানা,
আজ থেকে ভন্ড পুরুষ মোহম্মদকে মানি না!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “মুসলমান ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 5 =