২৩ শতকের এক নবীন কবির ভাবনা

এদেশের অনলাইনে একদল ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্ট জম্ম নিয়েছে। তাঁরা নতুন যুগের সুচনা করতে চায়। তাঁরা নতুন কিছু জম্ম দিতে চায়। কিন্তু এদেশের ধর্মান্ধরা তাঁদের ভাষা বুঝেনা, তাঁদেরকে ধর্মান্ধরা শত্রু মনে করে। তারা ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্টদের ভীন গ্রহের এলিয়েন ভাবে, ধর্মান্ধরা অস্তিত্ব সংকটের আশায় তাঁদের ভয় পায়। ভীত কাপুরুষ ধর্মান্ধরা তাই মাঝে মাঝে হত্যা করে তাঁদেরকে বিলীন করে দিতে চায়।

একটা কথা বলি? পৃথিবীতে অধিকাংশ মানুষের প্রথমে নতুন কিছু গ্রহন করার সঠিক মানসিকতা থাকে না। পরবর্তীতে সেই নতুনত্ব জীবনের প্রয়োজনে গ্রহন করে। ১৪০০ বছর আগেও মুহম্মদের মতবাদ মক্কাবাসীরা কিন্তু প্রথমে মেনে নেইনি। এরপর মেনে নেয়। আজ মুহম্মদের অনুসারী সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে। রাজা রামমোহন রায়ের সতীদাহ উচ্ছেদও তৎকালীণ ধর্মান্ধরা মেনে নেয়নি, প্রচন্ড আপত্তি তুলেছিল। আজ রামমোহন রায়েয় লক্ষ্য মানুষের জন্য পরম আশীর্বাদ। আজ তো আমি ভাবতেই পারিনা, আমার মৃত বাবার জলন্ত চিতায় উঠে আমার জীবন্ত মা আত্নাহুতি দেবেন, শুধুমাত্র সতীত্ব নামক ভ্রান্ত একটি ধারনাকে রক্ষার জন্য। রাজা রামমোহন রায়, বিদ্যাসাগর এঁরা প্রগতির অবশ্যই অগ্র নায়ক।

-আজ থেকে হয়তো দুইশ বছর পর হুমায়ুন আজাদ, রাজীব হায়দার, অভিজিৎ রায়, ওয়াশিকুর বাবু, অনন্ত বিজয়রা মানুষের কাছে পূজিত হবেন। তখনকার মানুষ হয়তো একেকজন আজাদ, রাজীব, অভিজিৎ, বাবু, অনন্তদের আদর্শ হতে চাইবেন। দু’শ বছর পর হয়তো কোনো এক নবীন কবি মোবাইল কিংবা কম্পিউটার থেকে আরো আধুনিক যন্ত্রে বসে একমনে লিখবেন-

একদা এদেশের অনলাইনে একদল আলোক বর্তিকা এসেছিল। তাঁরা অন্ধকার সমাজে আলো জ্বালতে চেয়েছিল। কিন্তু সমাজের ধর্মান্ধ মানুষগুলো তাঁদের ভাষা বুঝেনি। তারা আলো দেখে প্রচণ্ড ক্রোধে চেঁচিয়ে ছিল! তাই অন্ধ জীর্ণময় মানুষগুলো চাপাতি নামক এক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের নির্মমভাবে হত্যা করেছিল!

হাই একুশ শতকের ধর্মান্ধ অদ্ভুত প্রানী! তোমরা এতোটা অন্ধ ছিলে? এই আলোর প্রদীপগুলো তোমরা চিনলে না? এখন তেইশ শতক, আজ আজাদ অভিজিৎ অনন্তরা আমাদের কাছে একেক জন অগ্র নায়ক…..

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

90 − = 85