হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে আনবিক বোমার ব্যবহার কেন যৌক্তিক ছিল

জাপানের মূল ভু-খন্ড দখলের পরিকল্পনা করছিল মিত্রবাহিনী। তবে এইজন্য তাদের হিসেবে কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ লাখ সেনার মৃত্যু হতো। জাপানীদের পক্ষে এই ক্ষতির পরিমান হতো আরও অনেক বেশি। পারমানবিক বোমা ফেলবার পর আত্মসমর্পন দ্রুত হয়। এর বাইরে আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নেবার আরেকটা বড় কারণ ছিল রাশিয়া চুক্তি ভঙ্গ করে মাঞ্চুরিয়া দখল করে নেয়। রাশিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধের সম্মানজনক সমাপ্তি ঘটবে সেই আশাও শেষ হয়ে যায়। প্রায় পছিশ লক্ষ জাপানী সেনা ৪০-৫০ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবী কিংবা লোকাল মিলিশিয়ার সাহায্য নিয়ে মূল ভূ-খন্ডের প্রতিরক্ষার জন্য শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কনভেনশনাল যুদ্ধ হলেও এই যুদ্ধে নিহতের পরিমাণ হতো অকল্পনীয়।

কেন হতো তার একটা আভাস ওকিনাওয়া দ্বীপ দখলের লড়াই থেকেও পাওয়া যায়। সেখানে মওজুদ ১ লাখ ১৭ হাজার জাপানী সেনার ৯০% এর বেশি লড়াইয়ে মারা যায়। বেসামরিক জাপানীদেরও বেশিরিভাগ লড়াইয়ে মারা যায় অথবা ধরা পড়বার আগেই আত্মহত্যা করে। ২০ হাজারের বেশি আমেরিকান সেনা নিহত হয়, আহত হয় এর কয়েকগুণ বেশি।


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রায় ৭-৮ কোটি মানুষ মারা যায়। অক্ষশক্তি পরাজিত হলেও তাদের পাল্লায় হতাহতের সংখ্যা ছিল অপেক্ষাকৃত অনেক কম, এক থেকে দেড় কোটি। টোকিও বোম্বিং, হিরোশিমা নাগাসাকিকে আনবিক বোমা ফেলা, বার্লিন বোম্বিং সহ নানা হামলায় অক্ষশক্তির বেসামরিক লোকজনও ভুক্তভোগী হয়, যা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। তবে অক্ষশক্তি যা করেছে বিশ্বজুড়ে, তার তুলনায় এসব কিছুই নয়। মিত্রশক্তির বিজয় আসে বিপুল সম্পদ আর প্রাণহানির বিনিময়ে। কেবল দেড় কোটির বেশি বেশি সেনাই মারা যায় এই বিশ্বযুদ্ধে। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মানুষ ইতিহাস থেকে কখনো তেমন কোনো শিক্ষা নেয় না। নইলে ১ম বিশ্বযুদ্ধের দাগ মুছতে না মুছতেই এমন ধ্বংসের পথে মানুষের যাবার কথা ছিল না। কিন্তু হিটলারেরা যুগে যুগে জন্ম নেন, তাদের মাথায় কী খেলা করে কেউ জানে না।

এই যুদ্ধটা আরও লম্বা সময় ধরে চলতে পারতো যদি জার্মানী রাশিয়া আক্রমণ না করে বসতো। হিটলারের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল রাশিয়ায় আক্রমণ করে বসা। তারপরেও জার্মানী পরাজিত হতো এটা নিশ্চিত করে বলা যায়। কারণ, আমেরিকা পারমানবিক বোমা আবিস্কারের পথে ছিল, এবং হিটলারের পক্ষেও মহাসাগর পাড়ি দিয়ে আমেরিকা দখল করে নেয়া অসম্ভব ছিল ৪৪ কিংবা ৪৫ সালের মধ্যে। ১ম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে আমেরিকাই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় শক্তি যারা বাকী সকল শক্তির ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল।

জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করবার সাথে সাথেই আমেরিকানদের মধ্যে প্রতিশোধের আগুন জ্বলে ওঠে। তবে নানা দিক বিবেচনায় কেবল প্রতিশোধ নেবার জন্য হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমানবিক বোমা ফেলা হয়নি। জার্মানীর আত্মসমর্পনের পর যুদ্ধকে দ্রুত শেষ করতে এরচেয়ে যৌক্তিক পথ হয়তো খোলা ছিল না।

জার্মানীর আত্মসমর্পনের পর জাপানের মূল ভু-খন্ড দখলের পরিকল্পনা করছিল মিত্রবাহিনী। তবে এইজন্য তাদের হিসেবে কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ লাখ সেনার মৃত্যু হতো। জাপানীদের পক্ষে এই ক্ষতির পরিমান হতো আরও অনেক বেশি। পারমানবিক বোমা ফেলবার পর আত্মসমর্পন দ্রুত হয়। এর বাইরে আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নেবার আরেকটা বড় কারণ ছিল রাশিয়া চুক্তি ভঙ্গ করে মাঞ্চুরিয়া দখল করে নেয়। রাশিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধের সম্মানজনক সমাপ্তি ঘটবে সেই আশাও শেষ হয়ে যায়। প্রায় পচিশ লক্ষ জাপানী সেনা ৪০-৫০ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবী কিংবা লোকাল মিলিশিয়ার সাহায্য নিয়ে মূল ভূ-খন্ডের প্রতিরক্ষার জন্য শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কনভেনশনাল যুদ্ধ হলেও এই যুদ্ধে নিহতের পরিমাণ হতো অকল্পনীয়।

কেন হতো তার একটা আভাস ওকিনাওয়া দ্বীপ দখলের লড়াই থেকেও পাওয়া যায়। সেখানে মওজুদ ১ লাখ ১৭ হাজার জাপানী সেনার ৯০% এর বেশি লড়াইয়ে মারা যায়। বেসামরিক জাপানীদেরও বেশিরিভাগ লড়াইয়ে মারা যায় অথবা ধরা পড়বার আগেই আত্মহত্যা করে। ২০ হাজারের বেশি আমেরিকান সেনা নিহত হয়, আহত হয় এর কয়েকগুণ বেশি।

যাইহোক, বারবার আত্মসমর্পণের আহবানের পরও জাপানী সাম্রাজ্য আত্মসমর্পণে অস্বীকৃতি জানানোয় মূল ভূ-খন্ডে স্থল অভিযান অবশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ায়। এই সময়ের মধ্যে আনবিক বোমাও প্রস্তুত হয়ে গেলে মার্কিন সরকার এবং সমর নায়কেরা এই বোমার ব্যবহার নিয়ে নানাভাবে বিশ্লেষণ করেন। এই ব্যাপারে জাপানকে সতর্কও করা হয় বারবার। তবে জাপান পাত্তা না দেয়ায়৬ আগস্ট ১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় ফেলা হয় প্রথম আনবিক বোমা। তবে এরপরেও জাপানী সাম্রাজ্য আত্মসমর্পণে রাজী হয়নি, তারা ভাবছিলো আমেরিকার হাতে দু-চারটির বেশি এমন বোমা থাকবার কথা নয়। সেগুলো ব্যবহার হয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে আত্মসমর্পনের জাপানী সাম্রাজ্যের দেয়া শর্তসমূহ মিত্রশক্তি মেনে নেবে। এই ব্যাপারে তারা রাশিয়ার সাথে যোগাযোগ রাখছিলো। তবে একই সময়ে রাশিয়া অনাক্রমণ চুক্তি ভেঙ্গে মাঞ্চুরিয়া দখল অভিযান চালালে জাপান বুঝতে পারে এই যুদ্ধে রাশিয়ার মধ্যস্ততায় সম্মানজনক পরিসমাপ্তি আর সম্ভব নয়। এর পরেই আসে ৯ আগস্টের দ্বিতীয় আঘাত নাগাসাকির উপর। এরপর জাপান সম্রাট আত্মসমর্পণের অস্পষ্ট ঘোষণা দেন ১৫ই আগস্ট।

এই দুই আনবিক বোমায় সাধারণ মানুষ মারা যায় দেড় থেকে দুই লক্ষ। আহত এবং দীর্ঘসময় ধরে ভুক্তভোগীর সংখ্যা আরও বহুগুণ। তাৎক্ষণিক দৃষ্টিতে অত্যন্ত অমানবিক মনে হতে পারে এই আনবিক বোমার ব্যবহারের ঘটনাকে। তবে এই বোমার ব্যবহারের মাধ্যমে আত্মসমর্পনের সময় এগিয়ে না আনা হলে কী হতে পারতো তা আগেই বলা হয়েছে। শুধু মিত্র পক্ষেই মারা যেতো কমপক্ষে ২ থেকে ৫ লাখ সেনা। জাপানীদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হতো আরও অনেক অনেক বেশি। পুরো জাপানী মূল ভূ-খন্ড পরিণত হতো ধ্বংসস্তুপে। নিজের পক্ষে সম্পদের ব্যয় ছাড়াও অন্তত ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু মেনে নেয়া কি শত্রুপক্ষের সমানসংখ্যক জীবনহানির চেয়ে ভালো উপায় হতে পারে কারো কাছে?

যুদ্ধ খুব খারাপ একটা ব্যাপার। মানুষও অদ্ভুত এক প্রাণি। অকারনে কারো জীবন নিয়ে টান দেয় মানুষ, আবার অন্যের জন্য অকাতরে জীবনও দিতে জানে একমাত্র মানুষই। হিরোশিমা, নাগাসাকিতে আনবিক বোমার ব্যবহার নৃসংশ ব্যাপার, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে সময়টা যেহেতু যুদ্ধ্বের ছিল, তখন নিজের পক্ষের বিজয়কে যতটা সম্ভব সহজ করবার জন্য অনেক নির্মম পথ বেছে নেয়াও যৌক্তিক হয়ে যায় হয়তো। আমার কাছে নাজী জার্মানীর ৬ মিলিয়ন ইহুদী হত্যা কিংবা জাপানীদের নানকিং ম্যসাকারকে হিরোশিমা, নাগাসাকির আনবিক বোমার ভয়াবহতা থেকেও বহুগুণে ভয়াবহ বলে মনে হয়।

আবার এই আনবিক বোমার ব্যবহার থেকে পৃথিবী শিখেছেও অনেক। সম্ভবত এই আনবিক শক্তি এর পরপরই বড় বেশকিছু রাষ্ট্র, যাদের মধ্যে আদর্শগত অমিল অনেক, তারাও অর্জন করে ফেলবার কারণে প্রথাগত যুদ্ধের মাত্রাও কমে গেছে। বড় শক্তিগুলো এখন আর নিজেরা লড়াই করে না। তারা প্রক্সি ওয়ারের খেলা খেলে। যেমন, কোরিয়ান ওয়ার, ভিয়েতনাম ওয়ার, আফগান ওয়ার। আবার বড় মাত্রার সংঘাতে জড়ানো থেকেও বড় শক্তিগুলোকে দূরে রাখে। যেমন, রাশিয়ার যদি আনবিক সক্ষমতা না থাকতো, কে জানে, আমেরিকান সেভেনথ ফ্লিট হয়তো পাকিস্তানীদের সহায়তায় চলেই আসতো। এদিকে আমেরিকানরা আর আসেনি, তার একটা বড় কারণও তো রাশিয়ার আনবিক ক্ষেপনাস্ত্রবাহী সাবমেরিন প্রেরণ।

ভারত কিংবা পাকিস্তানের মধ্যে ছোটখাট লড়াই বাদে পারমানবিক যুদ্ধের সম্ভাবনা খুবই কম। এরা আনবিক বোমা ব্যবহারের ভয়াবহতার কথা জানে। তাই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবার সম্ভাবনা না থাকলে কেউ এই অস্ত্র ব্যবহারের কথা মাথাতেই আনবার কথা নয়। এসবের বাইরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিমান হামলা চালাবার ক্ষেত্রে কী কী অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে, নানা টার্গেট বেছে নেবার ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা এসব কিছুই ছিল না তেমনভাবে। এই বিশ্বযুদ্ধ ছিল বিশ্বের জন্যই একটা বড় শিক্ষা। অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবহারের নানা বাধ্যবাধকতা এরপর থেকেই সুনির্দিষ্ট করে দেয়া শুরু হয় জাতিসংঘের মাধ্যমে। যদিও শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো এসবের তোয়াক্কা প্রায় কখনোই করে না। তবে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার শক্তিশালী প্রয়াবের কারণে নিজের জনগণকেই জবাব দিতে হয়, সেইসাথে সারাবিশ্বকেও। এই কারণেই ভিয়েতনাম থেকে আমেরিকা সরে আসে। রাশিয়া চাইলেই জর্জিয়া দখলে নিতে পারে না, যদিও তা মুহূর্তের ব্যাপার তাদের বর্তমান সামরিক সক্ষমতায়। এমনকি দেখা যেতো ভারতও ১৯৫০-৫৫ এ বাংলাদেশ স্বাধীন থাকলেও টূক করে দখল করে অঙ্গরাজ্য করে ফেলতে পারতো, যেভাবে সিকিম, হায়দ্রাবাদ সহ নানা প্রিন্সলি স্টেট এখন ভারতের অধীন। বর্তমান সময়ে এসব সম্ভব নয়, পারমানবিক বোমার বলে বলীয়ান হলেও নয়।

এই বোমা ব্যবহারের সবচেয়ে বড় যে প্রভাব আমি দেখি, তা হচ্ছে গত কয়েক দশকের সবচেয়ে নৃশংস একটা জাতিকে মাটিতে নামিয়ে নিয়ে আসা। জাপান এখন একটা শান্তিপ্রিয় জাতি, মানুষগুলা যেন বিনয়ের অবতার। কিন্তু এই জাতির ইতিহাস তো এমন কথা বলে না। চীন, কোরিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সহ নানা স্থানে তাদের যে নির্যাতনের স্বাক্ষর এখনো বর্তমান, সেই পাপ ধুয়ে মুছে দিতে তাদের আরও বহু প্রজন্ম লাগবে। শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনের কারণে তাদের আচার ব্যবহারে বাহ্যিক পরিবর্তন এসে গেছে। কিন্তু তাদের ভেতরটা আদতেই কতটুকু পরিবর্তিত হয়েছে তা সময়ই বলে দেবে।

যাইহোক, আমার মতে এই আনবিক বোমার ব্যবহার ছিল যৌক্তিক। আমরা এর ভয়াবহতাই দেখি, কত ভয়াবহতা এড়ানো গেছে আর ওই দুই উদাহরণের কারণে কতবার বড় বড় শক্তিগুলো এই মারনাস্ত্রের ব্যবহার এড়িয়ে গেছে কে বলতে পারে। সবচেয়ে ভালো সময়ে ওই বোমার ব্যবহার হয়েছিলো যখন আর কারো হাতে এই বস্তু ছিল না। এখন যদি কেউ ব্যবহার করে, সেটার প্রতিক্রিয়ায় আরও কতগুলো বোমা ফেটে যাবার সম্ভাবনা আছে তা কে বলতে পারে?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে আনবিক বোমার ব্যবহার কেন যৌক্তিক ছিল

  1. এই দুটো লাইন বাদ দিতে পারে
    এই দুটো লাইন বাদ দিতে পারে

    কিন্তু একটা জাতির ভেতরটা এত সহজে পরিবর্তিত হয়না। পৃথিবীর সবচেয়ে ইরোটিক এবং অসুস্থ্য এডাল্ট ফিল্মগুলো এখনো জাপানেই তৈরী হয়।

    এর ব্যাখ্যা ভিন্ন।

    1. হুম, এই অংশ বাদ দেয়া যায়। তবে
      হুম, এই অংশ বাদ দেয়া যায়। তবে ভিন্ন কারণটা যে কী সেটা বুঝিনা।

      আবার নিজে দেখেছি যে কাউকে বিপদে দেখে মুখে হাত দিয়ে ভয় পাওয়ার ভঙ্গী করে হেঁটে যেতে, নিজে থেকে এগিয়ে আসছে না, আবার সাহায্য চাইলে দৌড়ে আসছে। এখন তাদের শিশুকাল থেকেই শেখানো হয় মানুষকে সাহায্য করতে হবে, এটা দ্বায়িত্ব। এমন শিক্ষার কারণে হয়তো তারা কেউ সাহায্য চাইলে কোনোক্রমেই এড়াতে পারে না। শিশুদের একটা সময় পর্যন্ত শ্রেণিতে কোনো লিহিত পরীক্ষা থাকে না বলেই জানি, নৈতিক শিক্ষা আর আনুসাঙ্গিক ব্যাপার শেখায়। নতুন প্রজন্মের আচরণে এর প্রভাব থাকতে পারে। পারিবারিক কালচার কতটা বদলেছে সেটা আমি জানিনা।

      যাইহোক, ওই অংশটা সরিয়ে দিচ্ছি। হয়তো ভিত্তিহীন। আমি কেবল আমার উপলব্ধি থেকে বলেছিলাম।

    1. হ্যা, আপনার কথাও সঠিক। কিন্তু
      হ্যা, আপনার কথাও সঠিক। কিন্তু ৪৫-এ মাঞ্চুরিয়া জাপানের অধিকারে ছিল। জাপানের মাঞ্চুরিয়া দখলের কারণ আসলে ছিল একটা বাফার জোন তৈরী করা। যাইহোক, রাশিয়া আর জাপানের অনাক্রমণ চুক্তি ছিল দেখে জাপানের ধারণা ছিল রাশিয়া এইদিকে আসবে না। তবে রাশিয়া তা ভঙ্গ করে মাঞ্চুরিয়ায় আক্রমণ করে বসে। তখন সেখানে জাপানের অনুগত পাপেট সরকার ছিল। সম্ভবত মাঞ্চুকুও নাম ছিল ওই অনুগত পাপেট স্টেটের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

57 − = 49