“আরজ আলী মাতুব্বর দার্শনিক নন” , আপনি কি দার্শনিক? – ১

(লেখাটিতে বাংলা ভাষার সাধু – চলিত ও আঞ্চলিক রীতির মিশ্রন আছে, বিশুদ্ধতাবাদীরা পড়িবার পূর্বে প্রতিষেধক ব্যবস্থা নিয়ে নিতে পারেন)

১।
আবিষ্কার টি বিরাট এবং যুগান্তকারী । সেটা হলো – “আরজ আলী মা্তুব্বর দার্শনিক নন”। এটা আবিষ্কার করেছেন ঢাকার বারডেম এর একজন চিকিৎসক। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এই ধরনের মহান আবিষ্কারের জন্যে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়না, বেচারা আলফ্রেদ নোবেল এর ব্যবসায়ী মাথায় এই ধরনের কোনও ভাবনা আসেনি, আসলে হয়তো বাঙ্গালী আরেকটি নোবেল পুরস্কারের আনন্দে ভাসতে পারতো । দুর্ভাগ্য আমাদের, বাঙ্গালী জাতি আরেকটি নোবেল পুরস্কারের সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হলো।

মাতুব্বর সাবেরে প্রশ্নবিদ্ধ করার এই প্রবনতাটা ভালো। মাতুব্বর সাবের কাজ – লেখালেখি কে হেয় প্রতিপন্ন করার এই প্রবনতাটিকেও আমি পজিটিভ ভাবে দেখি। কারণ – দুইটা, প্রথমত, মাতুব্বর সাব গুরুত্বপূর্ণ এবং তার কাজের একটা ভার আছে, সুতরাং তার কাজের উপরে কিছু মানুষ খড়গহস্ত হইবো এটাই তো স্বাভাবিক, তাইনা? আর দ্বিতীয় কারণ টা হইতেছে – মাতুব্বর সাবেরে যারা “ডাউন” করার জঙ্গে নামছেন – তারাই আবার শফি হুজুরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন, শফি হুজুরের প্রেস রিলিজ প্রচার করেন, আমেরিকার গবেষণা দিয়া প্রমান করেন যে শফি হুজুর কত ধন্বন্তরি মানুষ । সুতরাং – শফি হুজুরের প্রেস রিলিজ যারা প্রচার করেন, তাঁরা মাতুব্বর সাবের পিছনে টাইম ব্যয় করতেছেন এইটা তো নিশ্চিত ভাবেই ভালো কথা। মাতুব্বর সাব – এখনও “ইসলাম ওয়ালা” গো দুই চোক্ষের বিষ – এইটা কি ভালো না?

যাই হোক, প্রশ্ন হচ্ছে – আরজ আলী মাতুব্বর কি দার্শনিক? মা্তুব্বর সাব নিজেকে দার্শনিক দাবী করেছেন এমনটা শুনিনি কখনও, তবে তার লেখালেখিকে দার্শনিক লেখালেখি বলে তার ভক্ত পাঠকেরা অনেকেই মনে করেন। মনে করার ব্যাপারে তো সকলেই স্বাধীন, তাইনা? কিন্তু তাঁর পাঠকেরা মনে করলেই কি তিনি দার্শনিক হয়ে যান? এই “গভীর” প্রশ্নটির উত্তর খোঁজার আগে আসেন একটু জানার চেষ্টা করি – বাংলাদেশে কখন একজন মানুষ দার্শনিক হন আর কখন তিনি দার্শনিকের খাতা থেকে কাটা পড়েন। একটা প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কথা বলি।

২।
বাংলাদেশের একজন ব্যবসায়ী, যিনি লেখালেখি করেন। যার লেখালেখির দিগন্ত উত্তর গোলার্ধ থেকে দক্ষিন পর্যন্ত বিস্তৃত। তিনি রবীন্দ্রনাথের রান্না-বান্না – কৃষিকাজ – হোমিওপ্যাথি থেকে শুরু করে তীতুমীরের বাঁশের কেল্লা নিয়েও লেখেন আবার মিশেল ফুকো কিম্বা মার্ক্সবাদের ইসলামী সংস্করণ নিয়েও লেখেন। সত্যজিত রায় এই ধরনের মানুষ কে বলেছিলেন – একাধারে ফেলিনির “লা দলসে ভিটা” ছবিরও দর্শক আবার “টারজান দি এইপম্যান” ছবিরও দর্শক। বাংলা ভাষায় এই রকমের ব্যবসায়ী সব্যসাচী লেখক খুব বেশী আসেননি। তো এই ভদ্রলোক একবার ফরাসী দার্শনিক রেনে দেকারতের একখানা পুস্তক অনুবাদ করে ফেললেন (অথবা কাউকে দিয়ে অনুবাদ করিয়ে নিলেন) । ভদ্রলোক যেহেতু ব্যবসায়ী মানুষ, তাই তিনি জানেন কিভাবে কোনও পণ্যকে মোড়কজাত করতে হয়, অর্থাৎ বাজারে বেচার জন্যে কোন পণ্যকে কিভাবে প্যাকেজ করতে হয় সেটা তার নখ দর্পণে। অনুবাদ করেছেন দর্শনের পুস্তক – সুতরাং বইটিকে বাজারে চালাতে হলে একটা ‘যুৎসই’ ভুমিকা দরকার। ‘যুৎসই’ ভুমিকাটি আসা দরকার এমন একজন মানুষের কাছ থেকে, দর্শনের লেখালেখির জন্যে যার সুনাম প্রশ্নাতীত। তাই এই ব্যবসায়ী লেখক ভদ্রলোক অনেক আট-ঘাট চিন্তা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক সরদার ফজলুল করিমের শরণাপন্ন হলেন। বৈষয়িক বিষয়ে চির উন্নাসিক সরদার ফজলুল করিমের পক্ষে ঢাকার একজন উঠতি ব্যবসায়ীকে চেনার কথা নয়। কিন্তু ব্যবসায়ী ভদ্রলোক নাছোড়, তাই পিতার বন্ধু হিসাবে সরদার স্যারের কাছে তিনি দাবী রাখেন তার অনুবাদ বইটির একটা ভুমিকা লিখে দেবার। বেচারা প্রবীন অধ্যাপক আমাদের সরদার স্যার ! তিনি ব্যবসায়ীকে খুব খুশী করতে পারেননি। তিনি তাকে বলেছিলেন – পান্ডুলিপি টা রেখে যাও, পড়ে তোমাকে জানাবো। প্রবীন অধ্যাপক হয়তো এই ধরনের স্থুল লেখার সাথে নিজেকে জড়াতে চাননি। আওয়ামী – বিএনপি মার্কা বুদ্ধিজীবি হলে অবশ্য তিনি বলেই দিতেন – “তুমি একটা ভুমিকা লিখে নিয়ে আসো, আমি সাইন করে দেবো” ! কিন্তু না সরদার ফজলুল করিম তা করেন নি। বরং ব্যবসায়ী লেখককে তার পিতার কথা স্মরন করিয়ে দিয়েছিলেন – বলেছিলেন, বাবা তুমি অমুকের ছেলে, ব্যবসাপাতিটা তো ভালো বোঝো, তো সেই কাজটাই ভালো করে করোনা বাবা, কেনও আবার দর্শনের বিষয় নিয়ে টানাটানি? ব্যস ! এটাই কাল হলো … দর্শন পড়িয়ে বুড়ো হওয়া অধ্যাপকের। দার্শনিকের খাতা থেকে তার নামটা কাটা গেলো চিরতরে। তারপর থেকেই এই ব্যবসায়ী লেখক – নানান সুযোগে … বলার চেষ্টা করেছেন, ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন যে – “সরদার ফজলুল করিম কোনও দার্শনিক নন” ! তার পুস্তকের ভুমিকা লেখার বিষয়ে অসম্মতি জানানোর পূর্ব পর্যন্ত সরদার ফজলুল করিম তার কাছে একজন দার্শনিক ছিলেন আর অসম্মতি জানানোর পর থেকেই তিনি হয়ে গেলেন “অ-দার্শনিক” !

এভাবেই বাংলাদেশে কেউ দার্শনিক হন আর কারো নাম কাটা যায় দার্শনিক হিসাবে।

৩।
এবারে আবার আসুন – মা্তুব্বর সাহেবের কথায় আসি। মা্তুব্বর সাহেব কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো তো দুরের কথা, তিনি নিজেই কখনও প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনার সুযোগ পাননাই। তবুও মা্তুব্বর সাহেবেরও দার্শনিকের মর্যাদা ছিলো। বাংলাদেশের নাস্তিক “পোলাপাইন” যতদিন পর্যন্ত মা্তুব্বর সাবরে নিয়া মাতামাতি করেনাই, ততদিন পর্যন্ত মা্তুব্বর সাবের লেখালেখিকে অনেকেই দার্শনিক চিন্তা-ভাবনার কাতারে বিচার করতেন। যেইনা বাংলাদেশের নাস্তিক “পোলাপাইন” মা্তুব্বর সাবের বই পইড়া আল্লা-খোদারে চ্যালেঞ্জ করা শুরু করলো, আল্লার দোস্তো মুহাম্মদরে চ্যালেঞ্জ করা শুরু করলো, মুহাম্মদের যাবতীয় কেলেংকারীর কথা জোর গলায় বলা শুরু করলো, মনে মনে না, একেবারে মাঠে ময়দানে, তখনই মাতব্বর সাবের নামও কাটা পরলো দার্শনিকের খাতা থেকে। আপনারাই বলেন – বাংলাদেশে বইসা ইসলামের বিষয়ে – আল্লা – খোদার বিষয়ে – আল্লাহর দোস্ত মোহাম্মদের বিষয়ে সংশয় প্রকাশ কইরা কারো পক্ষে কি “দার্শনিক” হওয়া সম্ভব? সম্ভব না। সুতরাং “আরজ আলী মা্তুব্বর দার্শনিক নন” বইলা বারডেমের ডাক্তার সাব যে বিশাল আবিষ্কারটি করেছেন, সেটা সঠিক। বরং “আরজ আলী মা্তুব্বর দার্শনিক নন” এটাই এই সময়ের সবচাইতে বড় দার্শনিক লেখা। সেই অর্থে আরজ মা্তুব্বর নন, বরং বারডেম সেই ডাক্তারই এখন বাংলাদেশের সবচাইতে বড় দার্শনিক। সেই ডাক্তার সাব আর তার ওস্তাদই এখন সবচাইতে বড় দার্শনিক।

৪।
আরজ আলী মা্তুব্বর সাব দার্শনিক নন, এর তিনশোটা কারণ বলা যাবে। কিন্তু বাংলাদেশে কোনও একজন মানুষের দার্শনিক না হবার জন্যে দুইটা কারণই যথেষ্ট – আরজ আলী মা্তুব্বর জন্মাইছিলেন বরিশালের অজ পাড়াগাঁ লামছড়িতে আর তিনি বেচারা জীবনের মানে খুজতে গিয়া ইসলাম – আল্লাহ্‌ আর আল্লাহ্‌ দোস্ত মোহাম্মদ বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ে সংশয় নয়, সেই সকল চিন্তা আবার লিখেও গিয়েছিলেন। দার্শনিক হইতে গেলে দর্শনের পশ্চিমা গুরুদেবগো নাম জপা লাগে, তাগো বন্দনা করতে হয়, কঠিন কঠিন বাংলায় তাগো নাম নিতে হয় আর সম্ভব হইলে তাগো দুই একটা বই অনুবাদ করতে হয়। মা্তুব্বর সাব এইসবের কিছুই করেন নাই। সুতরাং তার “দার্শনিক” হওয়ার সকল চান্স এমনিতেই খারিজ হইয়া যায়। সুতরাং “আরজ আলী মা্তুব্বর দার্শনিক নন” !

এইবার তাইলে – আসল প্রশ্নটা করি, দার্শনিক আসলে কে? বা কারা? এই বিষয়ে অবশ্য বারডেমের ডাক্তার সাব কোনও উত্তর দেননাই। কে দার্শনিক? এই বিষয়ে কোনও উত্তর না দিয়াও বলে দেয়া যায় কে “দার্শনিক নন” – এটাই হচ্ছে বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তি। কিন্তু প্রকৃত অর্থে – কাউকে “দার্শনিক নন” বলার প্রথম শর্ত হচ্ছে – কে দার্শনিক সেটা সংজ্ঞায়িত করা। আমাদের এই সময়ের বাঙালীদের জ্ঞান-গম্মির যে উচ্চতা তাতে, তাঁদের কাছ থেকে মা্তুব্বর সাবরে খারিজ কইরা দেওয়াটা যতটা সহজ, কে দার্শনিক সেই উত্তরটা পাওয়া তত সহজ নয়।

বিষয়টি সহজ। মদীনা সনদের বাংলাদেশে বুদ্ধিমান মানুষেরা হচ্ছেন – “ইসলাম পসন্দ” মানুষ, তারাই শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিবৃত্তিক মানুষ, তারাই দার্শনিক। কিন্তু দুনিয়াটা তো বাংলাদেশ নয়, দুনিয়াটা মদীনা সনদেরও নয়। সুতরাং “কে দার্শনিক” এই আলোচনাটা হবে, খুব ভালো করেই হবে।

৬।
কে দার্শনিক? এর নানান উত্তর আছে। কিছু মানুষ ভালোবাসেন এই প্রশ্নের আভিধানিক উত্তর আবার কেউবা এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজেন গুনগত ব্যাখ্যায়।

বারট্রান্ড রাসেল বলে এক পশ্চিমা ভদ্রলোক এখানা পুস্তক সংকলন করেছিলেন, তার নাম দিয়েছিলেন – পশ্চিমা দর্শনের ইতিহাস। এই পুস্তকে তিনি দর্শনের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে সহজ করে লিখেছিলেন – দর্শন হচ্ছে ধর্মতত্ত্ব ও বিজ্ঞানের মাঝামাঝি কিছু একটা। যা কিছু নিশ্চিত জ্ঞান তা বিজ্ঞানের আওতায় আর কোনও সুনির্দিষ্ট জ্ঞান ছাড়াই যে কর্তৃত্ব তা হচ্ছে ধর্মতত্ত্বের অধীন। আমরা এই বিষয়ে আরেকটু বিষদ আলাপ করবো

৭।
সত্য সন্ধান” হচ্ছে দর্শনের একটা প্রধান প্রশ্ন। আরেকটা প্রধান প্রশ্ন হচ্ছে জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে, বা জীবনের মানে কি? অর্থ কি? এই সকল প্রশ্ন। আরজ আলী মা্তুব্বর সাব এই প্রশ্নগুলোই তুলেছিলেন। এমন কি তার সাড়া জাগানো বইটির শিরোনামও ছিলো “সত্যের সন্ধান”। তিনি সত্য খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বেচারা একটা বিরাট “মিসটেক” করে ফেলেছিলেন। সত্য খুজতে গিয়ে তিনি মুসলমানদের আল্লাহ্‌ আর তার দোস্তো মোহম্মদের কিছু “ভগিজোগী” নিয়ে প্রশ্ন করে বসেছিলেন … আর যায় কোথায় ! অতএব … মা্তুব্বর সাব দার্শনিকের খাতা থেকে চিরতরে কাটা পড়লেন।

৮।
বাংলাদেশে ইসলামকে চ্যালেঞ্জ করে এমন কোনও কিছুই “জ্ঞান” নয়, “সত্য” নয়, “ভালো” নয়, “দর্শন” নয়, “সভ্য” নয়, “সুন্দর” নয়। এই মতবাদ প্রচারের কাফেলায় যেমন কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক আহমেদ শফি আছেন তেমনি আছেন আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত – সুট টাই পরা ভদ্রলোকেরাও। কিন্তু কোনটা জ্ঞান, কোনটা সত্য, কোনটা ভালো, কোনটা দর্শন, কোনটা সভ্য কিম্বা কোনটা সুন্দর এই সকল সিদ্ধান্ত নিতান্তই ইতিহাসের বিষয়, এটা কোনও রহিম – করিম – কুদ্দুস – চৌধুরী – পাল – মুখারজি – ভট্টাচারজির সিদ্ধান্তের বিষয় নয়। তাই সরদার ফজলুল করিম কিম্বা আরজ আলী মা্তুব্বর দার্শনিক কিনা সেটা ইতিহাস সত্যিই বলে দেবে একদিন।

আগামি পর্বে ইতিহাস থেকেই দেখে নেবো কে দার্শনিক – কারা দার্শনিক।

(চলবে)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on ““আরজ আলী মাতুব্বর দার্শনিক নন” , আপনি কি দার্শনিক? – ১

  1. দর্শন বলতে আমি বিশ্বদৃষ্টি
    দর্শন বলতে আমি বিশ্বদৃষ্টি বুঝি। দুটা ব্যাপারে ব্যাক্তির মত। এই যে সে কে এবং এগুলি কি যা তার বাইরে। আরজ আলি ত বটেই সকলেই এইসব ব্যাপারে নিজস্ব মত ব্যাক্ত করেন। মানুষ মাত্রেরই দর্শন আছে কিন্তু দার্শনিক তিনি যিনি এইসব ব্যাপারে সচেতন। মাতুব্বর সাহেব সচেতন ছিলেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। য়ার রচনাই তার সেই সচেতনতার প্রমাণ। আপনি ভাল লিখেন লিখেছেন কিন্তু এইসব লোক এতই বেহুদা পাবলিক যে এরা এমন একটি প্রতিবাদের ও যোগ্য নয়।

  2. আহহা। আরজ আলী মাতুব্ব্রর
    আহহা। আরজ আলী মাতুব্ব্রর আজিকে জন্মালে তার রওজা মোবারক ইউরোপের কোন সভ্য দেশে হতে পারত। ইসলাম ধর্ম আর তার নবীকে পোন্দাতে পারলেই তো দুধ, কলা, আশ্রয়, চাকরী। দুর্ভাগ্য তার। কবর হইসে বাংলাদেশের মত ধর্মান্ধ মুসলিম দেশে। আফসুস।

  3. দর্শন পড়ালেই কেউ যদি দার্শনিক
    দর্শন পড়ালেই কেউ যদি দার্শনিক হয়ে যেত, তবে তো বাংলার ঘরে ঘরে দার্শনিক পাওয়া যেত। আর আরজ আলী সাহেব এখান থেকে ওখান থেকে কাট পেস্ট করে যে মাল বানিয়েছে, তাতে তাকে দার্শনিক না বলে বেজায় অন্যায়ই হয়েছে দেখছি। আসলে নাই বনে বিচা কলাই যেখেনে সন্দেশ, সেখেনে আরজালীর মতো অত বড় দার্শনিক বিচাকলা আর কোথায়ই বা পাবেন? যাই হোক, আপনার যুক্তিগুলো এমন যে পড়তে পড়তে মনে হয় আপনি কেবল একটা লোকের পেছনেই জীবনটা ব্যয় করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তো করেন, কিন্তু ফেসবুকে আসেন না কেন? এখনও বুঝি ব্যথা সারে নাই?

    1. আরে সবুজবাঘ যে ! খোশ আমদেদ ..
      আরে সবুজবাঘ যে ! খোশ আমদেদ … আহলান ওয়াসাহালান !
      আপনার প্রভু ভক্তিকে আমি সেলাম জানাই। প্রানীকুলে একটি বিশেষ প্রানীর সুনাম আছে প্রভু ভক্তির জন্যে। আপনি তাকেও ছাড়িয়ে গেছেন বহুদিন আগে। আপনার নাম তো গিনেস বুক এ ওঠা দরকার। আমরা কি একটা ক্যাম্পেইন করবো?

      আপনি যেহেতু – আমার লেখাটি নিয়ে কোনও কমেন্ট করেন নাই, তাই আমিও আপনার স্টাইলেই প্রতি উত্তর টা লিখলাম। শুভকামনা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

38 − 32 =