ব্যথিত খুনির প্রতি, সাইকিক প্রতিকার; সুইসাইড ফ্যাক্ট

যেটা তুমি করতে পারো, তা হল একটা চরিত্র সৃষ্টি করলে আর তাকে দিয়েই খুনটা করালে। খুনের পর তুমি নিজেই খুনিকে ফাঁসি দিয়ে দিলে। প্রতিটা খুনের আগে একটি করে চরিত্র সৃষ্টি করলে, নিজের ভিতরেই, আর খুনের পর তাকে ফাঁসি দিলে।

পেশা হিসেবে নেয়াটা একটা সহজ প্রথা; এটা সহজেই ভাবতে পারো, টিকে থাকার জন্য মানুষ যেকোন কিছু করতে পারে, করেও;

আর এমন যে, কেউ এসে কাজটা তোমাকে দিয়ে করিয়ে নিচ্ছে। তুমি তাড়িত, প্রতারিতও; ঈশ্বরের পৃথিবীতে তোমার দ্বারা আর কিছুই করা সম্ভব হচ্ছে না। তুমি বাধ্য মাত্র, দাস। তবে মাঝে মাঝে অস্তিত্ববাদী অনুভূতিটা মনে অনুভূত হলে নিজেকে ঘৃণা লাগবে। তাই জন্মের মত তোমার কোন কর্মের দায় ভার তোমার নয়।

তবে এটা ভীতিকর যদি তোমার সৃষ্ট চরিত্রের মধ্যে প্রতিনিয়ত নিজেকেই খুঁজে পেতে থাকো। তখন দেখা যাবে একসময় খুনিকে আর ফাঁসি দিতে পারছো না। দিনে দিনে সেটা তোমার মাথায় ভারি হতে থাকবে। আর একটা খুনি নিয়ে একাধিক খুন করাতে গেলে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হবে। কারণ বিষয়টা তোমাকে পেয়ে বসতে পারে। তখন খুনিকে আর তুমি ফাঁসি দিতে পারবে না। এমনকি ধীরে ধীরে নিজেকেই খুনির মধ্যে হারিয়ে ফেলবে।

আর তখন চাপ বাড়তে থাকবে যা তোমাকে পাগল করে তুলতে থাকবে। তখন একসময় তুমি আত্মহত্যাও করতে পারো, যা আমি মোটেই চাই না। তুমি ব্যথায় জর্জরিত হও, তা কোনোভাবেই চাই না। তুমি যেন সহজ সুন্দর সুখী জীবন যাপন করতে পারো। তবে জানোই তো লোভ এক জঘন্য ব্যাপার; সুখী হবার লোভ, বেঁচে থাকার লোভ, অমর হবার লোভ, স্বর্গের লোভ। তবে ঘৃণিত বা সম্মানিত হবার চেষ্টা হাস্যকরই।

ব্যথিত হৃদয় ভালোবাসা পায় না, পেলে তা মেনে নিতেও পারে না।

২০৮১৬, ঢাকা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 3