” নীল শাড়ির মেয়েটি ”

নীল শাড়িতে মেয়েটাকে খুব সুন্দর লাগছে। চোখ ফেরানো যায় না টাইপ সুন্দর না। বরং এমন সুন্দর যে চোখ ফিরিয়ে নিতে হয়। ২ সেকেন্ডের বেশি তাকিয়ে থাকলে চোখ জ্বালা করে, হাতে আর পায়ে কাঁপন শুরু হয়। মনে হয় আমার কী যেন নেই। লোভী এক হাহাকারে ছেয়ে যায় শরীর মন।
আমি তার শ্রী চরণে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখে মুখ খুললাম, “সুন্দর লাগছে।”
মেয়েটা একবার আমার দিকে আর একবার নিজের পায়ের দিকে তাকিয়ে বললো, “কী? জুতা?”
আমি তার কৌতুকরসবোধে মুগ্ধ হলাম। এই ধরণের মেয়েরা অনেক বুদ্ধিমতী হয়। বুদ্ধিমতী মেয়ের চোখের আগুনে পুড়ে গেলে ক্ষতি নেই। শিহরণ জাগে। আমি তার চোখের দিকে তাকালাম। তখনই খেয়াল করলাম, মেয়েটা কপালে টিপ পরেনি। অজানা কোনো এক অধিকারে অনুভব করলাম এই মেয়ের টিপ পরা উচিত। টিপ না পরাটা অন্যায়। আমি সাহস সঞ্চয় করে বলে ফেললাম, “টিপ পরলে তোমাকে আরো সুন্দর লাগবে।”
সে কিছুক্ষণ আমার দিকে অর্থপূর্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলো। যেন চোখ দিয়েই বলার চেষ্টা করছে, “হায়রে পুরুষ! তোমরা পারো বটে!”
.
.
.
তারপর কাধে ঝোলানো ব্যাগ থেকে এক পাতা টিপ বের করে আমার দিকে বাড়িয়ে দিলো। বললো, “কোনটা? কোনটা পরবো?” বলো ………

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

16 − 12 =