বদর-যুদ্ধ কি যুদ্ধ ছিল, নাকি ডাকাতি

বদর যুদ্ধের কথা শোনে নি , এমন কোন মুসলমান নেই। বলা বাহুল্য, সবাই জানে মক্কাবাসীরা মুহাম্মদ ও ইসলামকে ধ্বংস করার জন্যে ১৩০০ জনের এক বাহিনী নিয়ে মদিনা আক্রমন করতে যাচ্ছিল, বদর প্রান্তরে মুহাম্মদ মাত্র ৩১৩ জন সৈন্য নিয়ে মক্কাবাসীদেরকে মুকাবিলা করে তাদেরকে পরাস্ত করে , আর তার ফলেই ইসলাম ও মুহাম্মদ দুইটাই রক্ষা পায়। কিন্তু প্রকৃত ঘটনাটা কি ?

বদর যুদ্ধের কথা শোনে নি , এমন কোন মুসলমান নেই। বলা বাহুল্য, সবাই জানে মক্কাবাসীরা মুহাম্মদ ও ইসলামকে ধ্বংস করার জন্যে ১৩০০ জনের এক বাহিনী নিয়ে মদিনা আক্রমন করতে যাচ্ছিল, বদর প্রান্তরে মুহাম্মদ মাত্র ৩১৩ জন সৈন্য নিয়ে মক্কাবাসীদেরকে মুকাবিলা করে তাদেরকে পরাস্ত করে , আর তার ফলেই ইসলাম ও মুহাম্মদ দুইটাই রক্ষা পায়। কিন্তু প্রকৃত ঘটনাটা কি ?

প্রকৃত ঘটনা হলো – মুহাম্মদ ও তার দলবল মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার পর , দরিদ্র মদিনাবাসীরা তাদেরকে যখন বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে পারছিল না , তখন মুহাম্মদ তার দলবলকে নিয়ে মদিনার পাশ দিয়ে যাওয়া বানিজ্য কাফেলা আক্রমন শুরু করে, অর্থাৎ ডাকাতি আরম্ভ করে। উল্লেখ্য, মক্কা থেকে সিরিয়া যাওয়ার বানিজ্য পথের মাঝেই হলো মদিনার অবস্থান। এভাবে পর পর ৬ টা ডাকাতি চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ৭ম ডাকাতি করার জন্যে মুহাম্মদ ৮ জন লোককে পাঠায় মদিনা থেকে নাখলা নামক স্থানে যা মক্কা ছাড়িয়ে আরও দক্ষিন দিকে। ঘটনাচক্রে সেই ডাকাতিটা ঘটে নিষিদ্ধ মাসে। তখন সেই ডাকাতিকে বৈধ করতে মুহাম্মদ সুরা বাকারা -২: ২১৭ নং আয়াত নাজিল করে।

এর কিছুকাল পর মুহাম্মদ খবর পায় আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে এক বিরাট বানিজ্য বহর সিরিয়া থেকে মক্কায় ফিরছে। তখন মুহাম্মদ সেই বানিজ্য বহরে আক্রমন করে লুটপাট করার পায়তারা করে। সেই খবর সুফিয়ানের কাছে পৌছলে , সে মক্কায় খবর পাঠায় সাহায্যের জন্যে। তখন মক্কা থেকে ১০০০ জনের মত কুরাইশ , সুফিয়ানের সেই বানিজ্য কাফেলা রক্ষার জন্যে মদিনার দিকে ছুটে আছে ও মদিনার উপকন্ঠে বদর প্রান্তরে বিশ্রাম নিতে থাকে। তখন মুহাম্মদ ৩১৩ জন সৈন্যের এক বাহিনী নিয়ে ক্লান্ত সেই মক্কাবাসীর ওপর আক্রমন চালিয়ে তাদেরকে পরাজিত করে , ও সুফিয়ানের বানিজ্য কাফেলার সব মালামাল লুটপাট করে। এই হলো প্রকৃত ঘটনা। এই ঘটনা কি তাহলে জিহাদ বা যুদ্ধ , নাকি ডাকাতি ?

এখন , গত ১৩০০ বছর ধরে মুসলমানরা মিথ্যাচার করে চলেছে এই বলে যে , কুরাইশরা দল বেধে মদিনা আক্রমন করতে আসছিল। এই বদরের যুদ্ধের কিচ্ছা বলে গত ১৩০০ বছর ধরে ইসলামী আলেম ও ওয়াজকারীরা সাধারন মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করেছে , ভুল বুঝিয়েছে ও তাদের জীবন ধ্বংস করেছে। প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে – পৃষ্ঠা নং – ২৮৯-২৯২, সিরাত রাসুল আল্লাহ, ইবনে ইসহাক(https://archive.org/details/TheLifeOfMohammedGuillaume)

মজার বিষয় হলো , এই ঘটনার সূত্র ইবনে ইসহাক হলেও ধূর্ত ইসলামী আলেমরা প্রায়ই এই সূত্রকে দলিল হিসাবে মানে না। অথচ এই ইবনে ইসহাকের জন্ম মদিনায় , মুহাম্মদ মারা যাওয়ার ১০০ বছরের মধ্যেই তিনি মুহাম্মদের জীবনি লেখেন। ইবনে ইসহাকের কথা বাদ দিয়ে মুমিনরা বুখারি , মুসলিম ইত্যাদির কথাকে গ্রহন করতে চায় , অথচ বুখারি বা মুসলিম এদের জন্ম ইরানে , আর তারা মুহাম্মদ মারা যাওয়ার ২৫০ বছর পর হাদিস লেখে। তো তাহলে কার লেখা তথ্য বস্তুনিষ্ঠ হবে ? ইবনে ইসহাকের , নাকি বুখারি মুসলিমের ?

ইবনে ইসহাক : https://en.wikipedia.org/wiki/Ibn_Ishaq
হাদিস লেখকগন : https://en.wikipedia.org/wiki/Kutub_al-Sittah

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “বদর-যুদ্ধ কি যুদ্ধ ছিল, নাকি ডাকাতি

  1. আপনার পোস্টটা খুবই হস্যকর

    তখন মুহাম্মদ ৩১৩ জন সৈন্যের এক বাহিনী নিয়ে ক্লান্ত সেই মক্কাবাসীর ওপর আক্রমন চালিয়ে তাদেরকে পরাজিত করে , ও সুফিয়ানের বানিজ্য কাফেলার সব মালামাল লুটপাট করে।

    আপনার পোস্টটা খুবই হাস্যকর হয়েছে। আবু সুফিয়ান এবং তার চ্যালারা নবী মুহাম্মদ সা কে তার জন্মভূমি মক্কা থেকে মদীনায় পালিয়ে যেতে বাধ্য করে। প্রায় ১৩ বছর যাবত মুহাম্মদ সা এবং তার সাহাবাদের উপর নির্যাতন আর জুলুম চালায়।
    একজন প্রফেটের উপর নির্যাতন চালান কিন্তু বিরাট একটা অপরাধ। এটা ইসলামের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা।
    মজার ব্যাপার হচ্ছে মুহাম্মদ সা কে মক্কা থেকে মদীনায় বিতারিত করে, সেই মদীনার উপর দিয়েই সিরিয়ায় বানিজ্য কাফেলা নিয়ে আবু সুফিয়ান যাবার স্পর্ধা দেখায়। তাই মুহাম্মদ সা আবু সুফিয়ানের বানিজ্য কাফেলা আক্রমন চালান স্বাভাবিক ভাবেই।
    এটাকে বলে বানিজ্য অবরোধ। যেটাকে আপনি বলছেন ডাকাতি, লুটপাট। হা হা হা। কতটা উজবুক।

    1. ////আবু সুফিয়ান এবং তার
      ////আবু সুফিয়ান এবং তার চ্যালারা নবী মুহাম্মদ সা কে তার জন্মভূমি মক্কা থেকে মদীনায় পালিয়ে যেতে বাধ্য করে। প্রায় ১৩ বছর যাবত মুহাম্মদ সা এবং তার সাহাবাদের উপর নির্যাতন আর জুলুম চালায়।////

      এর সমর্থনে প্রমান হাজির করুন।

      বানিজ্য কাফেলায় আতর্কিতে আক্রমন করা কোন ধরনের জিহাদ ? নাকি ডাকাতি ?

  2. ভণ্ডদের ধর্মের ভণ্ড নবীর
    ভণ্ডদের ধর্মের ভণ্ড নবীর প্রতিটা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল ডাকাতি। মুহাম্মদের পেশা কি ছিল? সে কিভাবে চলত? এসব নিয়ে একটা চিন্তা করলে মুসলিম জাগরনের প্রথম অবস্থার চিত্র সহজে পাওয়া যাবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

56 − = 47