যে বন্দিনী নারী ধর্ষন করবে না , সে সহিহ মুমিন না

অনেক মুমিন বলে – ঠিক মতো রোজা নামাজ করলে , সে সহিহ মুমিন। আবার অনেকেই আছে যারা তাবলিগ জামাত করে , আর ভাবে ইসলামের দাওয়াত পৌছে দিলেই খাটি মুমিন হওয়া গেল। বস্তুত: এরা কেউই কোরান হাদিস ভাল মত পড়ে ইসলাম পালন করে না , সবাই আসলে শুনে মুসলমান আর নিজেদের মনমত ইসলামের একটা বিশ্বাস ও বিধান তারা মনে মনে রচনা করেছে আর ভাবে সেটাই খাটি সহিহ ইসলাম। কিন্তু কোরন- হাদিস বলছে ভিন্ন কথা।

অনেক মুমিন বলে – ঠিক মতো রোজা নামাজ করলে , সে সহিহ মুমিন। আবার অনেকেই আছে যারা তাবলিগ জামাত করে , আর ভাবে ইসলামের দাওয়াত পৌছে দিলেই খাটি মুমিন হওয়া গেল। বস্তুত: এরা কেউই কোরান হাদিস ভাল মত পড়ে ইসলাম পালন করে না , সবাই আসলে শুনে মুসলমান আর নিজেদের মনমত ইসলামের একটা বিশ্বাস ও বিধান তারা মনে মনে রচনা করেছে আর ভাবে সেটাই খাটি সহিহ ইসলাম। কিন্তু কোরন- হাদিস বলছে ভিন্ন কথা।
==============================================
সুরা নিসা-৪:৯৫:গৃহে উপবিষ্ট মুসলমান-যাদের কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলমান যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জেহাদ করে,-সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জেহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ মুজাহেদীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন।
================================================
অর্থাৎ যারা নিজের ধন ও প্রান দিয়ে জিহাদে যাবে , তারাই হলো উৎকৃষ্ট বা খাটি মুমিন। তারা জিহাদের জন্যে অর্থ ব্যয় করবে ও এমন কি দরকারে নিজের জীবনটাই উৎসর্গ করবে। এখন অনেকেই বলবে , মুসলমানদেরকে যদি কেউ আক্রমন করে , তাহলেই তাকে জিহাদ করতে হবে ,কিন্তু বিষয়টা সত্য না যেমন —
=================================================
সুরা তাওবা- ৯: ৫: অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

সুরা তাওবা- ৯:২৯: তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।
============================================
খেয়াল রাখতে হবে , সুরা তাওবা হলো মুহাম্মদের জীবনে সর্বশেষ নাজিলকৃত সূরা আর তাই এই তাওবার জিহাদী বিধানই হলো ইসলামের চুড়ান্ত বিধান। বর্তমান কোরানে সূরার যে ক্রমিক নম্বর দেখি , সেই নম্বর অনুযায়ী মুহাম্মদ তার কোরানের সূরা নাজিল করে নি। কোরান সংকলনকারীরা উদ্দেশ্যমূলকভাবই , আগের নাজিলকৃত সুরা পরে আর পরর নাজিলকৃত সূরা আগে ঢুকিয়ে কোরান সংকলন করেছে যাতে সাধারন মানুষ কোরান পড়ে প্রকৃত অর্থ বুঝতে না পারে। বলা বাহুল্য, বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে কোরানের বানী মুহাম্মদ নাজিল করে , সুতরাং কোরানের প্রকৃত অর্থ বুঝতে গেলে, সেই ঘটনা ও প্রেক্ষিত জানা সহ সময়ক্রম অনুযায়ী যেসব সুরা নাজিল হয়েছিল , সেসব জানা জরুরী , অন্যথায় কোরান পড়ে অর্থ বোঝা অসম্ভব। চতুর আলেমরা কিন্তু এই সুযোগটা নিয়েই সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করে ভুল পথে চালিত করতে পারে। যাহোক , সুরা তাওবা হলো সময়ক্রম অনুযায়ী ১১৩ নম্বর সুরা , যার পর ৩ আয়াত বিশিষ্ট সুরা নাসর নাজিল করেছিল মুহাম্মদ।

সময়ক্রম অনুযায়ী সুরার ক্রমিক নম্বর জানা যাবে এখানে : http://www.qran.org/q-chrono.htm

সুতরাং ১১৩ নং সুরা তাওবা, কোরানের বিধান অনুযায়ী এই জিহাদী বিধান , কোরানের পূর্বোক্ত সব শান্তির আয়াত বাতিল করে দেয় , যাকে বলে মানসুক। তো উক্ত ৯:৫ ও ৯:২৯ আয়াতের সঠিক অর্থ কি , সেটা মুহাম্মদ নিজেই বলে গেছে যেমন —
============================================
কিতাবুল ঈমান অধ্যায় ::সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩২
আবু বকর ইবনআবু শায়বা (র)……আবু হুরায়রা (রাঃ) ও জাবির (রাঃ) থেকে বর্ননা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, লোকদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি ।বাকি অংশআবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে ইবন মুসায়্যাব-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরুপ ।আবু বকর ইবনআবু শায়বা ও মুহাম্মাদ ইবন মুসান্না (র)……জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, এ কথার স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্যে আমি আদিষ্ট হয়েছি ।আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই,– এ কথা স্বীকার করলে তারা আমার থেকে তাদের জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে । তবে শরীআতসম্মত কারণ ছাড়া এবং তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে ।

কিতাবুল ঈমান অধ্যায় ::সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩৩
আবু গাসসান-আল মিসমাঈ মালিক ইবন আবদুল ওয়াহিদ (র)……আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে,রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, লোকদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি, যতক্ষন না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল এবং নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় । যদি এগুলো করে তাহলে আমা থেকে তারা জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে, তবে শরীআতসম্মত কারন ছাড়া । আর তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে ।
============================================
তার অর্থ , অমুসলিমরা যতক্ষন পর্যন্ত ইসলাম গ্রহন না করবে , ততক্ষন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ বা যুদ্ধ করতে হবে। এখানে বলে নাই , যে অমুসলিমরা মুসলিমদেরকে আক্রমন করলেই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে , কারন তারা ইসলাম গ্রহন করে নি , আর এটাই তাদের মারাত্মক অপরাধ। আর যুদ্ধে জেতার পর অমুসলিমদের নারীদেরকে বাড়ী থেকে ধরে এনে মুমিনদের মধ্যে গণিমতের মাল হিসাবে ভাগ করে দিতে হবে , যাতে তারা সবাই সেইসব নারীদেরকে ধর্ষন করে খাটি সহিহ মুমিন হিসাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে পারে , যেমন ——-
==============================================
সুরা নিসা- ৪: ২৪: এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ; তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম। এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে, তোমরা তাদেরকে স্বীয় অর্থের বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য-ব্যভিচারের জন্য নয়। অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ।
==============================================
অনেকেই এখন প্রশ্ন করবে উক্ত ৪:২৪ আয়াতে কোথায় বন্দিনী নারীদেরকে ধর্ষন করতে বলছে? এটা নিয়ে বহু ত্যানা প্যাচাবে। তো দেখা যাক উক্ত ৪:২৪ নং আয়াতের ব্যখ্যা স্বয়ং মুহাম্মদ কি করে গেছে —-
============================================
দুধপান অধ্যায় ::সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৮ :: হাদিস ৩৪৩২
উবায়দুল্লাহ ইবন উমর ইবন মায়সারা কাওয়ারীরী (র)……।আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সা) হুনায়নের যুদ্ধের সময় একটি দল আওতাসের দিকে পাঠান । তারা শক্রদলের মুখোমুখী হয়েও তাদের সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে এবং তাদের অনেক কয়েদী তাদের হস্তগত হয় । এদের মধ্য থেকে দাসীদের সাথে সহবস করা রাসুলুল্লাহ (সা) -এর কয়েকজন সাহাবী যেন না জায়িয মনে করলেন, তাদের মুশরিক স্বামী বর্তমান থাকার কারণে । আল্লাহ তায়ালা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন “এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভূক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধ্বা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ-, অর্থাৎ তারা তোমাদের জন্য হালাল, যখন তারা তাদের ইদ্দত পূর্ন করে নিবে”(নিসা-৪:২৪) ।

সুনান আবু দাউদ :: বিবাহ অধ্যায় ১২, হাদিস ২১৫৫
উবায়দুল্লাহ্ ইবন উমার ইবন মায়সার -আবূ সাঈদ আল খুদরী (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) হুনায়নের যুদ্ধের সময় আওতাস্ নামক স্থানে একটি সৈন্যদল প্রেরণ করেন। তারা তাদের শত্রুদের সাথে মুকাবিলা করে তাদেরকে হত্যা করে এবং তাদের উপর বিজয়ী হয়। আর এই সময় তারা কয়েদী হিসাবে ( হাওয়াযেন গোত্রের ) কিছু মহিলাকে বন্দী করে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) – এর কিছু সাহাবী তাদের সাথে অনধিকারভাবে সহবাস করতে ইচ্ছা করে, কেননা তাদের স্বামীরা মুশরিক ছিল। তখন আল্লাহ্ তা‘আলা এই আযাত নাযিল করেনঃ ( অর্থ) “যে সমস্ত স্ত্রীলোকদের স্বামী আছে তারা তোমাদের জন্য হারাম। তবে যারা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী অর্থাৎ যেসব মহিলা যুদ্ধবন্দী হিসাবে তোমাদের আয়ত্বে আসবে তারা ইদ্দত ( হায়েযের) পূর্ণ করার পর তোমাদের জন্য হালাল”(নিসা-৪:২৪)।
===========================================
সুতরাং , যেসব মুসলমান অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে , বিজয় লাভ করে , অমুসলিম নারীদেরকে বন্দিনী করে ধর্ষন করবে না , তারা খাটি সহিহ মুমিন না। আর তারা মরার পর বেহেস্তে গিয়ে ৭২ টা কুমারী নারীর সাথে অনন্তকাল যৌন ফুর্তি করার সুযোগও পাবে না।

সবাই বলুন — আমীন। যে আমীন বলবে না , সে কাফির , নাস্তিক মুর্তাদ।

সুত্র: http://www.quraanshareef.org/
http://sunnah.com/

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “যে বন্দিনী নারী ধর্ষন করবে না , সে সহিহ মুমিন না

  1. আজকের জমানায় বন্দিনী নারী
    আজকের জমানায় বন্দিনী নারী কোথায় ও কিভাবে পাওয়া যাবে? সে সম্পর্কে আলোকপাত করুন। নইলে আপনার পোস্ট অনুযায়ী মানুষ কেমনে সহীহ মুমিন হবে?

    কোরান পড়ুন ও ভাবুন এবং হাদিসের ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে গবেষনা করুন। তাহলে হয়ত উত্তর মিলতে পারে।

  2. ইসলাম ও হিন্দু ধর্মটা হচ্ছে
    ইসলাম ও হিন্দু ধর্মটা হচ্ছে চোদাচুদির ধর্ম। মনের খায়েস মিটায়া চোদাচুদির উৎসব করার জন্য অনেক ধরনের নিয়ম কানুন লুইচ্ছা মুহাম্মদ তৈরি করেছে। একই ধরনের হিন্দু ধর্মেও পাওয়া যায়। তবে সেটা এতটা প্রকাশ্যে নয়, অনেকটা গোপনে গোপনে ধর্মালয়গুলোর অন্দরে হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

40 − 34 =