মহিলা জিহাদির মদিনা সনদ !!

১. মালুরা নৌকায় ভোট দেয় তাই যুবলীগের মুসলমান যুবকরা মা মেয়েকে “নৌকায় ধর্ষন করে” বুঝিয়ে দিয়েছে যে বেজন্মা মুসলমান যুবকদের মেশিনের ক্ষমতা কত !! আর হ্যা , এই নৌকায় তুলে নৌকার কমন ভোটারদের ধর্ষন একটা সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতীর উদাহরন যা বিশ্বে বিরল ।

২. লক্ষীপূজার রাতে ফেনীতে (আমি আবারও বলবো বেজন্মা মুসলমান) যুবলীগের মুসলিম যুবকদের চাঁদা(জিজিয়া কর) না দেয়ার অপরাধে গর্ভবতী হিন্দু নারীর পেটে লাথি মেরে অনাগত এক মালুকে দুনিয়ার আলো দেখার আগেই বিদায় করে দিয়ে যে সওয়াব তারা কামাই করেছে তার কিন্তু কোন তুলনা নাই !! এইসব অবশ্য মিডিয়াতে আসেও না , ভাসেও না !! পাছে, মুসলমানের ধর্মিয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে ।

৩. বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম করা হল ইসলাম , শান্তির ধর্ম !! (হাসি পেলে দোষ আমার না) কিন্তু, রাষ্ট্রভাষা বাংলা কোন দু:খে ?? রাষ্ট্রভাষা হোক আরবী, যা মুসলমানের ভাষা ,পবিত্র ভাষা । এই ভাষায় গালি দিলেও মুসলমানের আল্লাহ খুশি হবেন । এরশাদের রাষ্ট্রধর্মের পর যে কাজটুকু বাকি ছিল একটা দেশকে সম্পূর্ন মুসলমানি করানোর তারই সর্বোচ্চ সুযোগের সৎব্যবহার করেছে এক “মুসলিম মহিলা জিহাদি” তার সেই বিশেষ ইসলামি বানী ” দেশ চলছে মদিনা সনদে “……

৪. বাংলাদেশের মুসলমানী/খৎনা করা শেষ এবার তবে অমুসলিম রাখা কেন ?? শান্তির ধর্মের পবিত্র নিদর্শন ধারালো চাপাতি নিয়ে নেমে পরলো “সম্পূর্ন ইসলামী দেশ” করতে । বাহানা,ভূয়া খবর, ভূয়া পোষ্ট, বলগারদের বলগিং আর ইন্টারনেট দিয়া নৌকা চালানো তাদের কাজকে আরো সহজ করে দিয়েছে । সমানে ইসলামের স4নিকরা কোপাচ্ছে তো কোপাচ্ছে !! দেশে ইসলাম কায়েম করতে হবে তাই বিধর্মী নির্মুল করা সুন্নত ।

৫. ইসলামি সৈনিকদের যেন ভয় না লাগে,যেন কোপানোর সময় হাত না কাঁপে, যেন পিছুটান না থাকে সেজন্য মোটিভেশন/মোটিভেট হিসেবে কাজ করেছে মহিলা জিহাদির কিছু ইসলামি বানী — ” ইসলাম নিয়ে কথা বললে আমি কষ্ট পাই, ইসলাম পবিত্র ধর্ম, ইসলাম নিয়ে কটুক্তি করলে এবং পরিনাম এর জন্য আপনারাই দায়ী এর দায় দায়িত্ব সরকারের না, ইসলাম নিয়ে কিছু বললে বরদাশত করা হবে না “…….

৬. পথে ঘাটে যাদের ( হিন্দু পুরোহিতদের ) কুপিয়ে মেরেছে মহিলা জিহাদির ইসলামের সৈনিকরা তারা কি বলগার ছিল ?? তাদের কি কোন ফেসবুক আইডি ছিল ?? ইসলামের কটুক্তি করে কোন লেখা কি তারা লিখেছিল ?? অবশ্যই না। তবুও তাদের মরতে হয়েছে ইসলামি চাপাতির কোপ খেয়ে ভোর বেলায় ফুল তুলতে যাওয়ার সময় , হাটাহাটির সময়, পূজা করতে যাওয়ার সময় ! এদেরকে আসলে মরতে বাধ্য করেছে মহিলা জিহাদির আস্থার প্রতীক ইসলামি সৈনিকরা । কারন দেশ চলছে মদিনা সনদে আর রাষ্ট্রধর্ম যেহেতু ইসলাম তাই এদের মেরে ফেলার ফতোয়া হাটহাজারীর এক বেজন্মা আগেই দিয়ে রেখেছে । তাই কোপাও !!

৭. মুসলমানের ধর্মিয় অনুভূতির দোহাই দিয়ে স্কুলের বই থেকে মালাউনদের কমিয়ে ফেলা হয়েছে , সরিয়ে দেয়া হয়েছে । ভালো , কিন্তু আমাদের সন্তানদের উপর কেন মুসলমানের হিংস্র জংলি আরবী সাহিত্য চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে ?? মুসলমানের কোন কিছু পড়ার পর যদি আমার সন্তান মুসলমানের মত চাপাতি সন্ত্রাসী হয়, আত্মঘাতী বোমা হামলা কারী হয়, মানুষ জবাই করার পর পাস্তা খেতে ভালোবাসে তবে এর দায় কে নেবে ?? মহিলা জিহাদি কি নেবে এর দায় ??

৮. মালয়েশিয়াতে আই এস সন্দেহে দুই মুসলিম বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে !! কেন ?? আটক করার কি দরকার ?? এরা কি ইসলামের বিরুদ্ধে গেছে নাকি ?? অবশ্যই না । ফালতু মালয়েশিয়ার সরকার সাধু সাজতে চাইছে অথচ এরাই মায়ানমারকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে শাসিয়েছে এই বলে যে ” মায়ানমারে আইএসের উত্থান হতে পারে “…… হয়তো এরা ভুল করে আমেরিকাতে না গিয়ে মায়েশিয়াতে ঢুকে পরেছে । কারন কাজের কাজি ছিল নাফিস ! যে কিনা চেয়েছিল গাড়ি বোমায় ফেডারেল রিজার্ভ ভবন উড়িয়ে দিতে !! অথচ দোষ কিন্তু ট্রাম্পের !

৯. ট্রাম্প আর মহিলা জিহাদির মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে একপক্ষ নিজের দেশকে ভালোবাসে আর একপক্ষ শান্তির ধর্ম জপতে জপতে মদিনা সনদের নামে , ধর্মিয় অনুভূতিতে আঘাতের নামে ইসলামি চাপাতি হত্যাকারিদের খুনিদের উৎসাহিত করে । ট্রাম্প কেবল মুসলমানদেরই শত্রু । তাই বাংলাদেশের কোন মুসলিম মেয়ে মার্কিন পতাকাকে “হিজাব” বানিয়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্লোগান দিলেই কি আর না দিলেই কি । ট্রাম্প যা বলার অভিষেকের অনুষ্ঠানেই বলেছে ….” ইসলামি সন্ত্রাসবাদ শক্ত হাতে দমন করবো ” …….

আর হ্যাঁ, মন যদি খুব খারাপ থাকে তবে এই জোকসটা মনে করবেন …. “ইসলাম শান্তির ধর্ম ”

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 31 = 36