আল্লার দেশে আল্লার প্রিয় বান্দা সৌদিদের কাছে ধর্ষিত হওয়াও তো সোয়াবের !

?oh=75097fb08b11ed478dd6a1473f157f26&oe=590CC17C” width=”500″ />

বাংলা দেশের মুক্তি যুদ্ধের সময় ইসলামিক পন্ডিতগণ ফতোয়া দিয়েছিলো পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যারা অস্ত্র তুলবে তারা ইসলামের শত্রু, ভারতের দালাল, কাফের মুরতাদ। ইসলামী মতে এদেরকে হত্যা করা ধর্ষণ করা এবং এদের ধন সম্পদ লুট করা জায়েজ। ঈমানদার মুসলিমদের এই কাজ করা অত্যন্ত ফরজ। এর ফলশ্রুতিতেই তখন পাকি সেনা ও রাজাকার দ্বারা ধর্ষিত হয়েছিল প্রায় ২ লক্ষ মা বোন। হত্যা করা হয়েছিল প্রায় ৩০ লক্ষ নিরীহ মানুষকে। যুদ্ধে পাকিস্তান পরাজিত হলেও বাংলাদেশ লাভ করেছিল পাকিদের অযাচিত ফসল পাকি বংশধর।

কিন্তু শুধু কি পাকি বংশধর হলে আমাদের চলবে? অন্যান্য মুসলিম দেশের বংশধর ও তো আমাদের চাই।অন্তত আল্লার প্রিয় দোস্ত মুহাম্মদ এর বংশধর কিংবা আল্লার প্রিয় ভূমি আরবদের বংশধর ও তো আমাদের থাকতে হবে।পাকিস্তানী সংস্কৃতির সাথে আরবীয় সংস্কৃতি না থাকলে বড্ডো বেমানান লাগে।আর এই সংস্কৃতি আনতে না হয় আমাদের মা বোন কেই আরবদের হাতে তুলে দেব। তবুও আল্লার দেশের বংশধর আমাদের চাই চাই।আর সরকার ও তো আমাদের ফ্রি তে পাঠাচ্ছেন।তাহলে কেন আমরা এই সুযোগ গ্রহণ করবো না।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে গৃহকর্মীসহ বিভিন্ন পেশায় নারী কর্মীর অভিবাসন হয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার ৪৪ জনের। এর মধ্যে গত এক বছরে সৌদি আরবে গেছেন ৬৪ হাজার ২৮৬ জন। জর্দানে গেছেন ২২ হাজার ৬৮৯ জন, ওমানে ১২ হাজার ৮৯৭ জন, কাতারে পাঁচ হাজার ৩৮১ জন ও আরব আমিরাতে গেছেন পাঁচ হাজার ১৫১ জন। আর ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বিদেশের মাটিতে নারী কর্মী গেছেন পাঁচ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫ জন। এর মধ্যে আরব আমিরাতে গেছেন, এক লাখ ২২ হাজার ৭২৯ জন,সৌদি আরবে , এক লাখ ২১ হাজার ৩৭৫ জন,জর্দানে এক লাখ ৯ হাজার ৯৪৮ জন, লেবাননে এক লাখ দুই হাজার ৫৬৫ জন, ওমানে ৫৫ হাজার ৪০৩ জন, কাতারে ২২ হাজার ৬১৩ জন কর্মীর অভিবাসন হয়েছে।

সম্প্রতি খবরে জানা যাচ্ছে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে মেয়েরা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে দেশে ফিরছে। খুব শীঘ্রই ১৫০ জন গর্ভবতী মেয়ের একটি চালান বাংলাদেশ পেয়ে যাচ্ছে। খবরটি জেনে অনেকের হয়তো চুলকানি হতেপারে। আল্লার প্রিয় দেশের বান্দারা এমন কাজ করতেই পারেনা। এটা নিশ্চই ইহুদি নাসারা কিংবা ইন্ডিয়ার চক্রান্ত।এই সমস্ত মুমিনদের জ্ঞাতার্থে বলছি এই খবরে লজ্জিত হওয়ার কিছু নেই। দাসী ধর্ষণ করা বা দাসীর পেটে বাচ্চা পয়দা করার নিয়ম তো ইসলাম স্বীকৃত। নবী মুহাম্মদ কিংবা নবী ইব্রাহিমের জীবনী ঘাটলে এর সত্যতা বেরিয়ে আসবে।এর পর ও যাদের চুলকানি তাদের জন্য ইবনে কাথির এর সূরা নিসার তাফছিরটি রইলো

একজন সধবা নারী যখন বিক্রি হয় তখন তার শরীরের উপর তার স্বামীর চাইতে বেশি হকদার হন তার মালিক।হযরত আবদুল্লাহ (র) ও হযরত ইব্রাহিম (র) এইমত দেন সুরা নিসার তাফসির করতে গিয়ে। সবচেয়ে বড় কথা নবী মুহাম্মদের প্রিয় সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ একই মত দিয়েছেন বাড়ির দাসীবাদীদের সম্পর্কে। (ইবনে কাথিরের তাফসির, সুরা নিসা, পৃষ্ঠা: ৩৪৪)।

সূরা নিসা ৪.২৪ আয়াতের সাথে সাতক্ষীরার শাহনাজের দেয়া বয়ান হুবহু মিলে যায়। সৌদি থেকে পেটে বাচ্চা নিয়ে ফেরা শাহানাজ জানাচ্ছেন অভাবের সংসারে সচ্ছলতার আশায় অনেক সপ্ন নিয়ে সৌদি আরব যাই। দেখতে শুনতে ভালো বয়স কম এবং দেহের গঠন দেখে ৩০ হাজার টাকা মাসিক চুক্তিতে আমাকে একজন তার বাড়িতে গৃহ কর্মী হিসেবে নিয়ে যাই। যাওয়ার কয়েকদিন খুব আরামে থাকলেও কিছুদিন পর আমার উপর দোজকের যন্ত্রনা নেমে আসে । একরাতে বাড়ির মালিক আমার ঘরে ঢুকে জোর করেই আমাকে রেপ করে।যাওয়ার সময় বলে গেলো আমাকে যে এতো টাকা দিয়ে এনেছে তা আমার এই সুন্দর দেহকে ভোগ করার জন্য।

এখানেই শেষ নয়। বাড়ির মালিক ধর্ষণ করার পর একে একে তার ৪ ছেলেও তাকে ধর্ষণ করতো। কান্নায় ভেঙে পরে শাহানাজ বলে ফজরের আযান থেকে শুরু করে রাত দশটা পর্যন্ত কাজ করে ক্লান্ত শরীর নিয়ে যখন নিজের ঘরে যেতাম তখন থেকেই একদল হায়েনা সারা রাত ধরে তাকে ছিড়ে ছিড়ে খেত। দিনের বেলা হাতে তসবি নিয়ে ঘুরে বেড়ানো ভালো মানুষ সাজা লোকগুলো রাতের বেলা যে কি বিকৃতি রূপ নিতো তা বলে বোঝানো যাবে না।শাহানাজ বলছিলো মাঝে মাঝে নীল ছবি এনে চালিয়ে সেই ভাবে আমাকে করতে বলতো।না করলে অমানুষিক ভাবে চলতো মারধর।

কি আর বলবো। আল্লার দেশ বলে কথা।এতেও হয়তো সোয়াব থাকতে পারে!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “আল্লার দেশে আল্লার প্রিয় বান্দা সৌদিদের কাছে ধর্ষিত হওয়াও তো সোয়াবের !

  1. আরব দেশগুলো হচ্ছে অমানুষের
    আরব দেশগুলো হচ্ছে অমানুষের দেশ। অসভ্য ও বর্বর আরবদের অসভ্যতা ও বর্বরতা ধর্মেও ছিল, কর্মেও ছিল এবং এখনো আছে। ইসলাম ধর্মটা হচ্ছে আরবের সংস্কৃতি। এই অসভ্য সংস্কৃতিকে কৌশলে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আশাকরি, বাংলাদেশের মুসলমানদের সৌদি ভক্তি কমবে। যাদের কমবে না তারা তাদের নিকটজনদের আরবের শেখদের কাছে পাঠিয়ে ধর্মের আসল রূপ পরখ করে দেখতে পারেন।

    1. ইবনে কাসিরের বাংলা তাফসিরের
      ইবনে কাসিরের বাংলা তাফসিরের লিংক এখানে : http://www.quraneralo.com/tafsir/
      ডাউনলোড করুন , তারপর চেক করুন। তয় পরে যদি বলেন উহা সহিহ অনুবাদ নহে , সে জন্যে আমরা দায়ী না। কারন সেটা আমরা অনুবাদ করি নাই। করেছে প্রথিতযশা ইসলামী শিক্ষক ও আলেম।

  2. কম পয়সায় এরা হজ্জ সেরে , সেই
    কম পয়সায় এরা হজ্জ সেরে , সেই সাথের নবীর গোত্রের লোকদের দ্বারা যৌনকাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। এদের বেহেস্তে গমন সুনিশ্চিত। বলুন , সুবাহান আল্লাহ !

  3. প্রিয় Ashiq Mahmud ইবনে
    প্রিয় Ashiq Mahmud ইবনে কাথিরের তাফসির, সুরা নিসা, পৃষ্ঠা: ৩৪৪ দেওয়া আছে।তারপর ও আপনি এই লিংকে গিয়ে দেখতে পারেন। http://www.qtafsir.com/index.php?option=com_content&task=view&id=685&Itemid=59#1

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

55 − 49 =