চক্ষু- আলোক রশ্মী যে ভাবে চক্ষু অভ্যন্তরে ও মস্তিস্কে ভ্রমন করে, পর্ব-২২ (২)

চক্ষু- আলোক রশ্মী যে ভাবে চক্ষু অভ্যন্তরে ও মস্তিস্কে ভ্রমন করে, পর্ব-২২ (২)
এই পর্বটা বুঝতে গেলে আপনাদের পর্ব-২১ (৫)
টা একটু পড়ে আসতে হবে।

(পোষ্টে সরাসরি চিত্র দেওয়ার সুযোগ না থাকায় যথাস্থানে চিত্রের লিংক দেওয়া হল,দুখিত। আপনারা লিংকে গিয়ে চিত্র দেখতে পারবেন।)

চক্ষু গোলকের গঠন দেখতে নীচে You Tube Video No- 1-3 দেখুন।

আমরা জানি দেখতে গেলে পদার্থ হতে বিচ্ছুরিত আলোক রশ্মী ৪টি স্বচ্ছ পদার্থের মধ্যদিয়ে ভ্রমন করে রেটিনা পর্যন্ত পৌছানো লাগে। এরপর রেটিনা হতে এই আলোক রশ্মী বিদ্যুৎপ্রবাহে (Action Potential) রুপান্তরিত হয়ে মস্তিস্কে প্রবেশ করে। তারপর আমরা সেই বস্তু দেখতে ও বুঝতে পারি। এই পর্বে এ সম্পর্কে বর্ণনা করা হচ্ছে।

আর হ্যাঁ, RODS & CONES স্নায়ূ কোষ গুলী কী ভাবে আলোক রশ্মী শক্তিকে (Electromagnetic energy) বৈদ্যুতিক শক্তিতে (Electrochemical Action Potential) রুপান্তরিত (Transduction) করে?
এটা জানতে ১৭ তম পর্ব (স্নায়ূ কোষ) (৮) ও ১৮ তম পর্ব (৯)পুনরায় দেখুন।

এই স্বচ্ছ পদার্থ ৪টি হচ্ছে –
১) কর্নিয়া- চক্ষুগোলকের সর্ব প্রথমে গোলাকার পাতলা স্বচ্ছ পর্দার নাম কর্ণিয়া।কর্ণিয়া হইল চোখ দ্বারা বহির্বিশ্ব দেখার জানালা। আবার বহির্বিশ্ব হতে চক্ষু-অভ্যন্তরে আলোক রশ্মীর ভ্রমন সর্ব প্রথম কর্ণিয়ার মধ্য দিয়েই আরম্ভ হয়। কর্নিয়াকে অশ্রুজল (Lacrimal secretion) ভিজিয়ে শিক্ত রাখে। (কী ভাবে অশ্রু নিঃসরন হয় তা জানতে Video No-11 দেখুন)

কর্নিয়া আলোক রশ্মীকে Converge বা একত্রিত (Refraction) করে। এবং চক্ষুর অভ্যন্তরকে বাহিরের আবর্জনা হতেও রক্ষা করে। সর্ব প্রথম আলোক রশ্মী কর্নিয়া অতিক্রম করার পর একোয়াছ হিউমার (Aqueous Humor)-নামক একটি স্বচ্ছ তরল পদার্থকে অতিক্রম করতে হয়।

২)একোয়াছ হিউমার (Aqueous Humor)- ইহা একটি স্বচ্ছ তরল পদার্থ যা Irish এর পিছনে ও সামনে থাকে ও চোখের অভ্যন্তরের চাপ নিয়ন্ত্রন করে। ইহার সঠিক প্রবাহে বিঘ্ন ঘটিলে-

চোখের অভ্যন্তরে চাপ মাত্রা বেড়ে গিয়ে Glaucoma নামক এক মারাত্মক লক্ষন হীন রোগের উৎপত্তি হয়।

চোখের স্বাভাবিক চাপ মাত্রার রেঞ্জ ১২-২২ mmhg (Millimeter Murcury ।(৪)
Glaucoma কে চোখের Silent Killer ও বলা হয়। কারণ রোগী এটা টের পাওয়ার পূর্বেই তার সেই চক্ষুটি অন্ধ হয়ে যায়। ( কী ভাবে Aqueous humor উৎপন্ন ও চলাচল করে তা You Tube Video No 10 ও11 দেখুন)

একারনে চক্ষু চিকিৎসকের নিকটে গিয়ে অন্ততঃ ২/৩ বছরে ১ বার Odometer দ্বারা চক্ষুর চাপ পরীক্ষা করানো ভাল।

এরপর আলোকরশ্মী আইরিশ (Irish) নামক একটি কালো রংএর পদার্থের মধ্যখানে পিউপিল নামক একটি নিয়ন্ত্রন যোগ্য গোলাকার ছিদ্র পথের মধ্য দিয়ে লেন্স এ পৌছায়।(চিত্র-২,৪)

আইরিশ টি ক্যামেরার Shutter এর ন্যায় কাজ করে।

আইরিশ এই পিউপিল (Pupil) নামক ছিদ্র পথটিকে সংকুচিত বা প্রসারিত করিয়া প্রয়োজনানুসারে কম অথবা অধিক পরিমান আলোক রশ্মী অভ্যন্তরে প্রবেশ করায়। এভাবেই পিউপিল অভ্যন্তরে আলোক ঢুকানোর পরিমান কে নিয়ন্ত্রন করে।
এর পর পিউপিলের মধ্য দিয়ে পরিমিত ও একত্রিত আলোক রশ্মী সোজাসুজি লেন্স এর অভ্যন্তরে প্রবেশ করে।

৩)Crystalline Lense (স্বচ্ছ লেন্স)- (চিত্র-৩) এই লেন্সটি একটি Natural এবং Flexible স্বচ্ছ Convex লেন্স যার সামনে Aqueous humor ও পিছনে Vitreous Humor থাকে। Convex লেন্স বলা হয় যার বক্রতা বাইরের দিকে বা মধ্যখানে পুরু ও কিনারে পাতলা থাকে। এই Convex lense টির বক্রতা কিছু পেশী আস দ্বারা বাড়িয়ে কমিয়ে নিয়ন্ত্রন করা হয়। অর্থাৎ লেন্সটি একটি Flexible lense। ঠিক পাথরের মত একেবারে নিরেট শক্ত নয়। এর বক্রতা নিয়নত্রন যোগ্য, অর্থাৎ কমানো বাড়ানো যায়।

লেন্সটির কাজ ঠিক ক্যামেরার লেন্স এর মত আলোক রশ্মীকে Refraction করা। অর্থাৎ সোজা পথে আসা আলোক রশ্মীকে বাকিয়ে একত্র করে একটি পয়েন্ট এ Focus করা।
লেন্সটির বক্রতা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে পদার্থ হতে আগত আলোক রশ্মী হতে প্রতিফলিত ছবিটার সঠিক প্রতিফলনের স্থান (Focal point) নির্নিত করা হয়।(চিত্র-২,৩)

স্বাভাবিক চোখে Focal point টি সোজাসোজি ঠিক রেটিনার উপর মধ্যখানে Fovea নামক স্থনে পড়ে। দুরবর্তী দৃষ্টির জন্য লেন্সটির বক্রতা কমানো- বাড়ানোর দরকার হয়না।
চক্ষু গোলকের তুলনায় Lense টির বক্রতা বৃদ্ধি অথবা হ্রাসের কারণে Focal point টি যদি ঠিক রেটিনার উপর না পড়ে রেটিনার সামনে অথবা পিছনে পড়ে তা হলে আপনার দুরবর্তি অক্ষর অথবা নিকট অক্ষর পরিস্কার দেখতে পাইবেন না। একে যথাক্রমে MYOPIA ও HYPEROMIA বলে।

বয়স বৃদ্ধির সংগে সংগে লেন্সটি তার Elasticity হারিয়ে ফেলে শক্ত হয়ে যেতে থাকে। ফলে তখন এর বক্রতাকে আর কমিয়ে বা বাড়িয়ে Focal point টিকে সঠিক স্থানে স্থাপনের নিশ্চয়তা বিধান করতে পারেনা।

এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তিটি নিকট বা দুরের লেখা সঠিক ভাবে পড়তে পারেনা। তার কাছে নিকট অথবা দূরের অক্ষর গুলী পরিস্কার না হয়ে ঝাপসা ঝাপসা লাগে।

তখন চিকিৎসকের দ্বারা চক্ষু পরীক্ষা করিয়া সঠিক লেন্সটির চশমা ব্যবহার করতে হয়।
Focal point কী? (চিত্র -৪ দেখুন) Convex lense এর মধ্য দিয়ে আলোক রশ্মী অতিক্রম করিলে, রশ্মী গুলী সোজা সুজি না গিয়া বাকিয়া যায়। একে Refraction বলে। এক পয়েন্টএ আগত সমস্ত রশ্মীগুলী একত্রে মিলিত হয়ে যায়। এই পয়েন্টকেই Focal point বলে। বস্তুর পূর্ণ ও চিত্রটি এখানেই অঙ্কিত হয়। অতএব বস্তুকে ভালো ভাবে দেখতে হলে Focal point টি Retina এর Fovea এর উপর পড়তে হবে। (১)

লেন্স হতে Focal point এর দুরত্ব , যাকে Focal length বলে, কতটুকু হবে তা নির্ণয় করে লেন্স এর বক্রতা।

Accommodation- একটি স্বাভাবিক elastic lense কে প্রয়োজনানুসারে তার Focal length বাড়িয়ে কমিয়ে দেখাকে Accommodation বলে।

Presbiopia-বয়ো বৃদ্ধির সংগে সংগে elasticity নষ্ট হওয়ার কারণে এটা নিকটবর্তী দৃষ্টির জন্য আর করা যায়না, একে Presbyopia বলে, তাই তখন সঠিক মাপের lense ব্যবহার করা লাগে।

Cataract- Lense এর স্বচ্ছতা নষ্ট হয়ে গেলে তখন এর মধ্য হতে আলোক অতিক্রম করতে পারেনা, একে Cataract বা চোখে ছাদি পড়া বলে। বয়োবৃদ্ধি, আঘাত, ডায়াবেটিছ ইত্যাদি কারণে এটা হতে পারে। তখন চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

লেন্স এর বক্রতা কমিয়ে বা বাড়িয়ে Focal length বা Focal point এর দুরত্ব যথাক্রমে বাড়ানো বা কমানো হয়।

৪) ভিট্রিয়স হিউমার- এটা লেন্স এর পিছনে থাকে। আলোক রশ্মীটি লেন্স অতিক্রম করার পর সোজাপথে ভিট্রিয়স হিউমার নামক একটি জেলীর মত স্বচ্ছ জলীয় পদার্থের মধ্য দিয়া অতিক্রম করিয়া চক্ষু গোলকের সর্বশেষ প্রান্তে অবস্থিত “রেটিনা” নামক লেয়ারের মধ্যখানে Fovea নামক স্থানে বস্তুটির আলোক চিত্রটি পৌছে দেয়।(৩)

এই ভিট্রিয়স হিউমার চক্ষুকোটর কে ভর্তি রাখিয়া এর আকৃতি ঠিক রাখে ও রেটিনাকে সংরক্ষনে সহযোগিতা করে।

,
এরপর রেটিনার এক ধরনের বিশেষ কোষ আলোকে সাড়া দেয়। এদেরকে Photorecetor (আলোক গ্রহণকারী) বলা হয়।এদের নাম রডছ (Rods) ও কোনছ (Cones)।

এই আলোক গ্রহন কারী কোষগুলী এই আলোক বস্তুকে (Electromagnetic energy) বৈদ্যুতিক শক্তিতে (Electrochemical Action Potential) শক্তিতে রুপান্তরিত (Transduction) করে?

বৈদ্যুতিক প্রবাহে (Action potential) রুপান্তরিত করিয়া Optic Nerve এর মধ্য দিয়া এই বৈদ্যুতিক প্রবাহ মস্তিস্কের পিছনে অবস্থিত দৃষ্টি কেন্দ্র (Visual Center) নামক স্থানে পৌছিয়া দিলেই আমরা বস্তুটিকে দেখে উপলদ্ধি করতে পারি।(১,২,৩)
নীচের চিত্র-৫,৬ লক্ষ করুন।

কীভাবে Optic nerve মস্তিস্কের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে ও কাজ করে?
জী,হ্যা,

১) Optic Chiasm- এটা পিটুইটারি গ্লান্ড এর সম্মুখে অবস্থিত। এই খানে উভয় চক্ষুর Optic Nerve এর Axon ফাইবার গুলী এসে কিয়দংস ফাইবার (উভয়ের নাসিকা পার্শের ফাইবার) একে অপরকে ক্রস করে পার্শ পরিবর্তন করে, ডান পার্শের গুলী মস্তিস্কের বাম পার্শে ও বাম পার্শের টা ঠিক বিপরীত দিকে চলে যায়। এবং টেম্পোরাল পার্শের Axon ফাইবার গুলী নিজ নিজ পার্শ ঠিক রাখে। এই ঘটনার কারণে দৃষ্টি ফিল্ড এর বাম অংস মস্তিস্কের ডান পার্শে ও ডান ফিল্ড এর অংস মস্তিস্কের বাম অংসে গ্রহন করে। ( এব্যাপারে Video no- 4 দেখুন)

এরপর থেকে এই উভয় পার্শের মিশ্রিত ফাইবার গুলী Optic Tract নাম ধারন করে পিছনের দিকে চলে গেছে।

২) LGN (Lateral Geniculate Nucleus – এটা থ্যালামাস এর পিছনে অবস্থিত। এটা একটা রিলে ষ্টেষন হিসাবে কাজ করে। এবার Optic Tract এর Axon ফাইবার গুলী এই ষ্টেষনে পৌছায়। এখান থেকে Optic Tract এর Axon ফাইবার গুলী আরো পিছনে লিম্ন বর্নিত জায়গায় চলে যায়।

৩) Visual Cortex 1, Primary Visual center or (V1)- এটা মস্তিকের সর্ব পিছনে Calcarine Fissure এর উভয় পার্শে , (Area 17 described by the anatomist Brodmann in the early 20th century) মস্তিস্ক বিভাজনের ১৭ নং অবস্থানে থাকে। মগজের বাহিরে এটা দর্শণীয় নয়। LGN হতে Neve ফাইবার গুলী বৈদ্যুতিক প্রবাহ প্রথমে এই V1 এ পৌছাইয়া দেয়। ( এর জন্য Video no- 7,8,9 দেখুন)

এই V1 বস্তুটির সঠিক চিত্রটি অংকন করে দেয়।

৪) এবার Nerve ফাইবার গুলী বৈদ্যুতিক প্রবাহ Visual Cortex এর V2 ও V3, V4ও V5 এ পৌছাইয়া দেয়।

বিজ্ঞানীরা এ পর্যন্ত দৃষ্টি গ্রহন ও বিশ্লেষন করার জন্য মস্তিস্কে অন্তত ৩০ টি দৃষ্টি কেন্দ্রের সন্ধান পেয়েছেন। (৭)

এই অংশগুলী বস্তুটির আরো সূক্ষ খুটি নাটি বিষয় গুলী ধরতে সক্ষম হয়।

৫) Analysis center, Temporal lobe and parietal lobe- এরপর V1 ও V2,V3, V4,V5 তে সংগৃহীত তথ্যকে সামনের পথ দিয়ে Temporal Lobe এ ও পিছনের পথ দিয়ে Parietal Lobe এ পাঠিয়ে দেওয়া হয়। (চিত্র-৬ দেখুন)

Temporal Lobe বস্তুটাকে চিনতে পারে এবং Parietal lobe এ বস্তুটার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে।

এরপরেই তখনি আমরা বস্তুটির ধারণা পাই।

আমাদের কোন বস্তু দেখতে এত গুলী ঘটনা এক অভূতপূর্ব জটিল প্রকৃয়া নয় কি !! এসব ঘটনা আমাদেরই অজান্তে ইচ্ছার বাইরেই ঘটে যায়।

(৬)

চিত্র-৫ দেখুন-

১নং চিত্রের লিংক-

Source of figure-

চিত্র-১ চক্ষুগোলক ,পার্শ হতে মাঝখান দিয়ে আড়াআড়ি খন্ডন (HORIZONTAL SECTION)

Sorce of figure- http://www.nkcf.org/about-keratoconus/how-the-human-eye-works/

২নং চিত্রের লিংক-

চিত্র-২, বস্তু হতে প্রতিফলিত আলোক রশ্মী সর্বপ্রথম ১) কর্নিয়া ২) AQUEOUS HUMOR FLUID ৩) পিউপিল নামক ছিদ্র ৪) স্বচ্ছ লেন্স ৪) VITREOUS (ভিট্রিওয়াস) এর মধ্য দিয়ে একত্রিত (CONVERGED) হয়ে রেটিনা নামক লেয়ারে পৌচাচ্ছে।

Source of figure- http://www.passmyexams.co.uk/GCSE/physics/concave-lenses-convex-lenses.html

৩ নং চিত্রের লিংক-

চিত্র-৩ ,একটি CONVEX LENSE আলোক রশ্মীকে কী ভাবে CONVERGE করিয়া FOCUS করে
লক্ষ করুন।

৪নং চিত্রের লিংক-

Source of figure- http://www.gridgit.com/post_iris-eye-diagram_21350/

চিত্র-৪ লক্ষ করুন IRISH ও তার মধ্য খানে অবস্থিত ছিদ্র যাকে PUPIL বলা হয়।

৫নং চিত্রের লিংক–

source of figure – http://thebrain.mcgill.ca/flash/d/d_02/d_02_cr/d_02_cr_vis/d_02_cr_vis.html
চিত্র ৫- মস্তিকের পিছনাংশে দৃষ্টি কেন্দ্র (VISUAL CORTEX)। মস্তিস্কের HORIZONTAL SECTION এ দেখানো হয়েছে। এখানে দেখানো হয়েছে কোন পথে Optic nerve প্রবাহ কে মস্তিস্কের দৃষ্টি কেন্দ্রে পৌছিয়ে কোন বস্তুকে আমাদের উপলদ্ধি করায়।

৬ নং চিত্রের লিংক- ?w=479

Source of figure- http://thebrain.mcgill.ca/flash/i/i_02/i_02_cr/i_02_cr_vis/i_02_cr_vis.html
চিত্র-৬

এই চিত্রে মস্তিস্কের পিছনের কিছু Visual Center দেখানো হয়েছে।

Updated on 01/25/2017

চলতে থাকবে। সংগে থাকুন।

পূর্ববর্তী পর্বগুলী এখানে দেখুন- https://chkdr02.wordpress.com/

You- tube-Video ( anatomy of eyeball, visual pathway, brain.Lacrimal system)

1)Human Eye – Structure and Function

2) Learn Structure of Eye Ball in 15 Minutes!

3) Anatomy – Eye Overview

4)Visual Nerve Pathways

5) VISUAL PATHWAY ANIMATED ANATOMY VIDEO LECTURE

6) The Visual Pathway: Neuroanatomy Video Lab – Brain Dissections

7) Brain Anatomy 2 – Functional Cortical Anatomy (Lateral Surface

8) Brain Anatomy 3 – Gross Cortical Anatomy (Medial Surface)

9) Brain Anatomy 4 – Functional Cortical Anatomy (Medial Surface)

10) Aqueous Humor – Production, Circulation & Drainage part 1/2

11)Aqueous Humor – Production, Circulation & Drainage part 2/2

12) LACRIMAL SYSTEM-

২২তম পর্বের রেফারেন্স সমুহ-
১) http://www.nkcf.org/how-the-human-eye-works/
২) http://www.webmd.com/eye-health/amazing-human-eye
৩) NURO SCIENCE FOR KIDS
http://faculty.washington.edu/chudler/retina.html
৪) GLAUCOMA
http://www.glaucoma.org/treatment/understand-your-glaucoma-diagnosis.php
৫) পর্ব-২১
http://chkdr02.wordpress.com/2014/02/23/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BF-
৬) Brain pathway
http://thebrain.mcgill.ca/flash/d/d_02/d_02_cr/d_02_cr_vis/d_02_cr_vis.html
৭) VISUAL CENTERS IN BRAIN
http://thebrain.mcgill.ca/flash/i/i_02/i_02_cr/i_02_cr_vis/i_02_cr_vis.html
৮) ১৭ তম পর্ব
ডিএনএ কী? ১৭ তম পর্ব। ফিজিওলজী অথবা মেডিসিনে ২০১৩ এর নোবেল বিজয়ীগন, স্নায়ু কোষ কী? (২)
৯)১৮ তম পর্ব (স্নায়ূ কোষ)
ডিএনএ কী? ১৮ তম পর্ব। ফিজিওলজী অথবা মেডিসিনে ২০১৩ এর নোবেল বিজয়ীগন। (৩)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

14 − = 10