তখন কি ওদের বাধ্য করা হবে না?

তখন কি ওদের বাধ্য করা হবে না? – অবশ্যই; যখন ওরা মাতৃত্ব প্রত্যাখান করবে, গর্ভধারণে অস্বীকৃতি জানাবে। তখন এমন নয়, প্রথমেই ওরা ঘরে ঘরে ধর্ষিত হতে থাকবে, বন্দি হতে থাকবে; এমন নয়, প্রথম দিকেই ওদের গর্ভবতী করে বন্দি করা হবে, শিশুর জন্মের আগপর্যন্ত বন্দি রাখা হবে; তবে, ওদের বুঝানো হবে মাতৃত্বের মহত্ব; এবং দেখানো হবে, এটার জন্য ওরা কতো বেশি সম্মানের অধিকারী হচ্ছে; ভয় দেখানো হবে, বিবাহিতরা তালাকও পাবে; আর কেউ-ই যদি তা মানতে না চায়, এবং বলতে চায়, এর কারণেই ওরা সবচেয়ে বেশি অত্যাচারিত হচ্ছে, বন্দিত্ব বরণ করতে হচ্ছে, তখন তাদের সাথে কি করা হবে? এ কি বলা হবে না, যেহেতু সে নারী হয়ে জন্মেছে, সে গর্ভধারণে বাধ্য; এই ঈশ্বরের নিয়ম, প্রকৃতির নিয়ম? আর একদিন পৃথিবীর সব নারী যদি মাতৃত্ব প্রত্যাখান করে, প্রকৃতি কি মানুষকে রক্ষার নতুন ফন্দি হিসেবে পুরুষকে মাতৃত্ব দান করবে? তখন কি পুরুষ গর্ভধারণ করবে? আর এখন পৃথিবী যেহেতু নারীকে গর্ভপাতে বাধ্য করতে পারে, তারা কি অদূর ভবিষ্যতের প্রকৃতির দিকে চেয়ে বসে থাকবে? – না; তারা আইন করবে- নারী মাত্রই গর্ভধারণে বাধ্য থাকবে; ধর্ষন করবে, ধর্ষনাগার বানাবে, গর্ভবতীর কারাগার বানাবে; যেহেতু ব্রোথেলগুলো সহজেই চোখে পড়ে, ওসব মোটেই কঠিন হবে না; তবে ব্রোথেলকেও কারাগার বলতে পারি; আর এখনো যেহেতু নারী গর্ভধারণে দ্বিধা করছে না, ফলে ব্রোথেল শুধু আনন্দের জন্য; যেমন, এই সেদিন বলতে শুনলাম, ক্ষমতা থাকলে, কে রাজাদের মতো মাগী নাচাতে চায় না? আর একদিন ওরা মাতৃত্ব প্রত্যাখান করলেই দেখবে, এর মহত্ব কতো নগণ্য! তখন যেহেতু এটা ওদের উপর চাপিয়ে দেয়া হবে, বুঝা যাবে এটা চাপিয়ে দেয়াই ছিলো এবং কতোটা নিকৃষ্ট উপায়ে তা করা হতো! আর একদিন যখন ওরা পেটে সন্তান নিয়ে নয় মাস অপেক্ষা করবে না, এমন নয়, তখন এমন কেউ থাকবে না, যারা আমাকে ষড়যন্ত্রকারী ভাববে!

২১১২১৬, ঢাকা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 6 = 2