ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মুসলিম ব্যান

ডোনাল্ড ট্রাম্প ৭ মুসলিম দেশের মানুষকে আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

চারিদিকে মুসলিমদের চিৎকার, ডোনাল্ড ট্রাম্প রেসিস্ট, নো মুসলিম ব্যান, ট্রাম্প ইসলামোফোব। মুসলিমদের আর্তনাদ দেখে কিছু কথা না লিখলেই নয়।

১) এই নিষেধাজ্ঞা মাত্র ৩ মাসের জন্য। আজীবনের জন্য নয়।

২) এই ৭ দেশের নাগরিকরা আমেরিকায় ভিসার এপ্লাই করলে ভিসা না হওয়ার চান্স ৯৮%। বাকি ২% এর জন্য এত কান্নাকাটি করার কোন মানে আছে বলে মনে করি না। তাও ৩ মাসের জন্য।

৩) বিশ্বের প্রথম পাঁচ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশগুলিকে কিন্তু ব্যান করা হয়নি। ইন্ডিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, ইজিপ্ট। তারপরেও কান্নাকাটি।

৪) এই সাত দেশের মুসলিমরা তেলসমৃদ্ধ প্রতিবেশী মুসলিম দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, আরব আমিরাত, বাহরাইনে ঢুকতেই পারেনা। এই ধনী দেশগুলি এই ৭ দেশের মুসলিমদের কেন ঢুকতে দেয়না সেই প্রশ্ন কি কেউ কোনদিন করেছে। তারা শুধু সৌদি আরবে শুধু হজ করার সুযোগ পায়। কই এই নিয়ে তো কখনো মুসলিমদের কান্নাকাটি দেখলাম না?

৫) এই যুদ্ধবিধ্বস্ত সাত দেশকে আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করায় সাময়িকভাবে আমেরিকায় ইমিগ্রেশন ব্যান করা হয়েছে, মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা থেকে নয়।

৬) বিশ্বের ১৬ টি মুসলিম দেশ শুধুমাত্র ধর্মের কারনে ইজরায়েলের সাথে সকল কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে এবং ইজরায়েলের কোন মানুষ এই ১৬ দেশে কখনই প্রবেশ করতে পারবে না। ইহুদীফোবিয়া কি তখন চোখে পড়ছে না?

৭) অন্য দেশের কথা বাদই দিলাম, সিরিয়ার ২৩% মানুষ আইসিসকে সাপোর্ট করে। যেই দেশগুলিতে ইসলামিক জিহাদী ও টেরোরিস্ট মুসলিম দ্বারা পরিপূর্ণ, আপনি কি কখনই নিজের দেশের নিরাপত্তা হুমকিতে রেখে তাদের নিজের দেশে ঢুকতে দিবেন? ইউরোপ সেই একই ভুল করেছিল, তার ফল তারা হাতেনাতে টের পাচ্ছে।

আসুন আমরা না বুঝেই চিৎকার না করে বাস্তবকে বোঝার চেষ্টা করি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 + = 11