আজ বন্ধু দিবস নয়ঃ আলাদা করে বুঝি না নামাঙ্কিত দিবসের মানে


বন্ধুত্ব দিবসে নির্দিষ্ট করে রাখবার মতো কোনো ব্যাপার নয়, দিন তারিখের হিসেব করে বন্ধুত্ব হয় না। আমার বন্ধু সংখ্যা খুব কম, কিন্তু বন্ধুভাগ্য খুব ভালো। তাদের কেউ আমার এই আইডির কথা জানে না, এই তুচ্ছ পোস্ট পড়বার সম্ভাবনাও নেই, তাই লেখাটাও সহজ হয়ে গেল। কোথাও না কোথাও এই কথাগুলো না লিখে যেতে পারলে অপরাধ হতো।


বন্ধু দিবস জরুরী কিছু নয়, তবে বন্ধু মানে প্রথমেই স্মৃতিতে ডিউর মুখ। আমার সবচেয়ে হিংসুটে বন্ধু ডিউ। আম্মুর হাতে একসাথে ভাত খাওয়ার স্মৃতি। আমার হোমওয়ার্কের খাতা চুরি করে ফেলে দেয়া কিংবা বিব্রত করতে সেই শিশুবেলাতেই ঈদের আগের রাতে দেয়ালে লিখে রাখা “আমি অথবা অন্য কেউ” + “অমুক”। অথবা আদরের বিড়ালিনী কুমু মারা যাওয়ার পর আমাদের একসাথে কান্না। কাঁদতে কাঁদতে হোমিওপ্যাথির শিশিতে চোখের পানি ভরে তার উপরে লিখে দেয়া, “কুমুর জন্য আমাদের অশ্রু”! এরপর কুমুকে ওই শিশি বোতলে সংরক্ষিত নিখাদ ভালোবাসার অশ্রু সহ কবর দেয়া। অথবা একসাথে বাগানে মশার চাষ। চারকোণা একটা ঘর করে ওইখানে একটা গর্তের মত করে সিমেন্ট বালু দিয়ে হালকা প্রলেপ দিয়েছিলাম আমরা, যাতে পানি শুকিয়ে না যায়। জমা পানিতে নাকি মশা ডিম দেয়, সেটা তখনই জানতাম। আর ছালার বস্তার দেয়ালের ভেতর পাতাসহ ডাল ভেঙ্গে ঝোপের মত তৈরী করেছিলাম, যাতে মশাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়। ডিউর সাথে শেষ দেখা ২০০৮ কিংবা ২০০৯-এ। অতীতের এই হিংসুটে এবং পরবর্তীতে গোবেচারা টাইপ হয়ে যাওয়া ছেলেটা জানে না আমার তাকে চিরকাল কতটা পছন্দ।

এরপরে আছে রানা। ক্লাস এইটে নতুন ভর্তি হয়ে এসেছিল। প্রথমদিনেই বলেছিল, তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড হবি? আমি ভাবছিলাম, এই ছেলে এমন ন্যাকা কেন? বন্ধুত্ব কি কেবল মুখে মুখে বলেই হয় নাকি? কিন্তু কিভাবে যেন হয়েও গেল। এই ছেলেটার ছিল আমার হাটার সঙ্গী। আমরা ঘন্টার পর ঘন্টা একসাথে হাঁটতাম, কথা বলতাম। দেখা না হলে ভালোলাগতো না। এই টানের উৎপত্তি কী করে আমি জানি না। মনে আছে, গ্রেসি নামের এক মেয়ের প্রেমে যখন ওর মাথা খারাপ অবস্থা, তখন গ্রেসির বাসার সামনে হ্যাংলার মত দাঁড়িয়ে থাকবার সঙ্গী ছিলাম আমি। পরে ওদের সম্পর্কও হয়েছিল। অতি চালাক মেয়েটা পরে সটকে যায়। রানা এখন আমেরিকায়, পিএইচডি করছে। আমার ধারণা ও কখনো সঙ্গী পাবে না। পৃথিবীটা অদ্ভুত, এখানে কেউ কারো পুরো পৃথিবী হয়ে ওঠে, আবার কেউই কারো না…

এরপর আসবে অন্তু। আমার আম্মুর সাথে ওর আম্মুর খাতির ছিল বেশ, সেখান থেকেই চেনাজানা। এক স্কুলেই পড়তাম। বেশ পয়সাওয়ালা ঘরের ছেলে। কিন্তু নিরহংকারী হওয়ার ব্যাপারস্যাপার, সাধারণ জীবনযাপন, মানুষকে মানুষ হিসেবে মনে করা, এইসব সামান্য ব্যাপারের শিক্ষা অগোচরেই ওর থেকে পেয়েছি। একটা ঘটনা বলি, আমাদের স্কুলে একটা ছেলে ছিল, নাম ছিল আব্দুর রহীম। বাবা খুব গরীব ছিল, বস্তির মত একটা জায়গায় থাকতো। ছেলেটা পড়াশুনায় ভালো ছিল। এই রহীম ছিল অন্তুর সবচেয়ে ভালো বন্ধু। প্রথমবার যখন রহীমের বাসায় নিয়ে যায়, সত্যি বলতে গেলে আমার অস্বস্তি লাগছিল। কেমন যেন একটা বোটকা গন্ধ ছিল ঘরে, আর নোংরাও বলা যায়। আমি স্বাভাবিকভাবেই ফ্রি হতে পারতাম না হয়তো। কিন্তু কিভাবে কিভাবে যেন রহীমও বন্ধু হয়ে যায়। আর্থিক কিংবা সামাজিক অবস্থানকে গোনায় না ধরে যেভাবে নিজেকে একই রকম মানুষ ভাবতে পারছিলো অন্তু, আমার মানসিক পরিপক্কতা তখনো ওই পর্যায়ে যায়নি। ওর সাথে থেকে শিখেছি এমন খুব সাধারণ কিছু ব্যাপার। রহীম এখন মিডলইস্টের কোনো এক দেশে, মার্সিডিজ কিংবা বিএমডব্লিউ টাইপের কোনো গাড়ির রিজিওনাল ম্যানেজার সম্ভবত। অন্তু কিছুদিন আগে হংকং থেকে দেশে ফিরলো, ওর জন্য আমার দেখা সবচেয়ে ভালো মেয়েদের একজনের কথা মনে মনে ভাবছি। যদিও খাবারের ব্যাপারে বাছবিচার নেই, ব্যাং, সাপ, তেলাপোকা সহ সবই নাকি খেয়ে ফেলছে। কিন্তু পৃথিবী এমন নির্লোভ, নিখাদ মানুষ খুব বেশি জন্ম দেয় না।

কলেজে বন্ধু বলতে একমাত্র তারেক। এইচ টি এম ডি এলাহী দাদ তারেক। খারাপ ছাত্র, লাফাঙ্গা স্বভাবের এই ছেলেটার সাথেই প্রথম কথা হয় কলেজে ভর্তি পরীক্ষার দিন। কলেজে ক্লাস শুরুর পর আলাদা সেকশনে ছিলাম, কিন্তু ক্লাস ব্রেক, টিফিন ব্রেক কিংবা ছুটির পর একমাত্র সঙ্গী এই তারেক। কলেজের শেষদিন থেকে শুরু করে পেশাগত জীবনে প্রবেশের আগেরদিন পর্যন্ত একমাত্র বন্ধু। ওর বাবা ছিল ডাক্তার, একটা পিচ্চি বোন ছিল, হুমা নাম। হুমা নাকি ফারসি শব্দ, যার মানে পাখি। কী কারণে এই বন্ধুত্ব আলাদা করে বের করতে পারছি না। কিন্তু আঠার মত একসাথে থাকতাম। সম্ভবত অন্যদের মত আমরা অতটা মাঞ্জামারা স্বভাবের ছিলাম না। মুখে কথার তুড়ি ফুটতো কম। রতনে রতন চেনে, চোরে চেনে চোর। আর আমরা চিনে নিয়েছিলাম আমাদের। আমরা অতি সাধারণ, আমাদের মধ্যে সেই সময়ে আলাদা কিছু ছিল না। আমার জীবনে আমি তারেককে যতবার খুঁজেছি, খোঁজ নিয়েছি নানা জায়গায়, আর কাউকে এমন করে খুঁজিনি। পেশাগত কারণে টানা ছয়মাসের মত সকল সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবার পর ছুটিতে এসে যখন ফোন করি, শুনতে পেলাম সংযোগ বিচ্ছিন্ন। কলেজের অনেক ক্লাসমেট, ফেসবুক সহ সমস্ত উপায়ে খোঁজ করেও পাইনি। একটা মানুষ কী করে এভাবে উধাও হয়ে যায় বুঝি না। জীবনে অন্তত আরেকবার একসাথে ধানমন্ডি লেকে অর্থহীন ঘোরাঘুরি, নিউমার্কেটে ৫০ টাকার টি-শার্টের দাম আরও ১০ টাকা কমাতে তুমুল দামাদামি অথবা নীলক্ষেত কিংবা ফুলার রোডে ওরসাথে একসাথে গল্প করতে করতে হাঁটবার সাধ মিটবে না।

এরপর পেশাগত জীবনে এসে অনেককের সাথেই পরিচয় হয়, একসাথে থাকা, হাসি কান্না, ঘাম, উল্লাস সবকিছু চলতে থাকে। কিন্তু মুখে সবাই বন্ধু হলেও বন্ধুর মত বন্ধু খুব কমই হয়। এখানে এসেই পরিচয় ফাহাদ, শতদ্রু, মুনমুন, চমক কিংবা সাফায়েতের সাথে। ফাহাদের বিশাল দেহ নিয়েও শিশুর মত কান্না ভুলতে পারিনা। প্রায় প্রতিদিনই কাঁদতো। বলতো, “দোস্ত, আর সহ্য হয়না, পালাইয়া যামুগা।” ওর মা নিজের ছেলের সাথে আমাকেও আলাদা চিঠি লিখতো। বলতো ওকে বোঝানোর জন্য। ও শেষ পর্যন্ত আমাদের জীবনে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেনি। বছর চারেক পর চাকরি ছেড়ে দেয়। এখন লন্ডনে আছে। বেশ নামকরা ফটোগ্রাফার হয়ে গেছে। মনে পড়ে, ওর কলেজ জীবনের প্রেম ছিল সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের তানিয়া। ওই মেয়ের জন্যও যে আমি কত এসএমএস লিখলাম বাজি ধরে, বেশ অনেকগুলো কবিতাও। ওর সাথে শর্ত ছিলো ওই মেয়েকে দুনিয়ার কারো পক্ষে আগ্রহী করে তোলা সম্ভব না। প্রায় সফলকাম হয়ে যাওয়ার সময় নিজের নাম্বার থেকে এমএমএস করে জানায়, এইসব এসএমএস, কবিতা আর কথাবার্তা সব আমার (ফাহাদের)! ফাহাদ এখনো অমন পাগলই আছে, কিন্তু অসময়ে চুল পরা শুরু হয়ে গেছে, এই যা।

শতদ্রু আমার স্টাইল আইকন, ভীষণ স্মার্ট ছেলে। মানসিকতার প্রচন্ডরকম মিল থাকায় কাছাকাছি আসা, বিপদে কিংবা আনন্দে অন্য বিকল্প ভাবা যায় না। গতবছর ওর বিয়েটাও হলো আমার ঘটকালিতে। দুইপক্ষের মুরুব্বীদের রাজী করানোর প্রায় অসম্ভব কাজটা কীভাবে যেন করে ফেললাম। ওর বিয়ে হয়েছে মুনমুনের সাথে, মুনমুনের কথায় পরে আসবো।

সাফায়েতের কথা বলি। বিশাল ধনী পরিবারের, সুপার ব্রিলিয়ান্ট ল্যাথার্জিক একটা ছেলে। কিন্তু এত ভাল মনের মানুষ, সবকিছু থেকেও এত সরল জীবন খুব কম মানুষের মধ্যেই দেখেছি। শাফায়েত কিংবা এলিন হচ্ছে অন্তুর আরও প্রকট সন্নাসী ভার্সন। আমাদের পেশায় বেমানান, কিন্তু টীকে আছে কীভাবে যেন। শেভ না করে অফিসে যাওয়া ক্রাইমের মত, ওইটা সে রেগুলারই করতে ভুলে যায়। লেট করাও অপরাধ, কিন্তু আজন্ম লেট লতিফ। খচ্চরও বলা যায়। পোষাকআষাকের ঠিক থাকে না, গোসল কয়দিন পরপর করে কে জানে? খামখেয়ালি এই ছেলেটার সামান্য একটা গল্প বলি, অফিসের কাজে ৬ মাসের জন্য রুমানিয়া যাবার কথা ছিল। আমার সাথেই ছিল ঢাকার সময়টায় চিটাগাং থেকে এসে, সবসময় তাই করে। সন্ধ্যায় ফ্লাইট, বিকেল থেকে খোঁজ করেও পাচ্ছিলাম না। ওর গার্লফ্রেন্ডের সাথে রাগারাগি করে মোবাইল অফ রাখা কিংবা এমনি এমনি না ধরাও খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। যাইহোক, এর কিছুদিন পর ফেসবুকে দেখলাম ওর ছবি। দেখি যে গায়ে আমার নাইকির টি-শার্ট আর নিম্নের অর্ধাংশের অর্ধ ঢেকে রাখা আমার থ্রি-কোয়ার্টার দিয়ে। তখনই ফেসবুকে কল দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, আমার জিনিস তোর গায়ে কেন?তখন উত্তর দিলো, “কী করবো? দুপুরে আইসা দেখি সময় নাই। কাপড়চোপড় তো আনি নাই। তোর কয়টা টি-শার্ট, জিন্সের প্যান্ট, বেল্ট আর কি কি যেন নিয়ে আসছি।” এইরকম উদাহরণ আরও আছে। কিন্তু এই ছেলেটার প্রতি রাগ করতে পারি না। এর অন্তরে ভরপুর কাঁদামাটিজল। একবার ওর সাথে আসবার সময় এক রিক্সাওয়ালা কথায় কথায় অভাবের কথা বলছিল। ২০ হাজার টাকা দিয়ে দিল রুমে এসেই। ওর কাছে তখন অতটুকুই ছিল সম্ভবত। কিংবা মাঝেমাঝেই একটা ছেলের কাছে টাকা দিতে বলতো। পরে জানতে পারি অভাবী ওই ছেলেটার পড়বার খরচ ওই দেয়। ছেলেটা লজ্জ্বা পেতে পারে দেখে কাউকে বলেনি সেই কথা। আমার চরমতম বিপদের কথা শুনে যখন ছুটি চাইলো, কিন্তু মানা করা হলো। একমাত্র ওর পক্ষেই মনে হয় বলা সম্ভব ছিল, “চাকরী থাকলে থাকবে, আমি গেলাম!” রাত ১১টার সময় শুনে সাথে সাথেই ঢাকা রওনা দেয় চিটাগাং থেকে। এখনো যখন রাত ১২ টা ১ টার পর না জানিয়ে এসে পরে, তখন গালি দেই, “শুওরের বাচ্চা, ফোন কইরা আসতে পারলি না?” শুকনা মুখ দেখে আবার বুঝি, খায়নি কিছু। এই খামখেয়ালি, কিছুটা নোংরা স্বভাবের ছেলেটা আমার বন্ধু তালিকায় এসে গেছে সৌভাগ্যক্রমে, এই ছেলেটা আমার অন্যতম প্রিয়মানুষ। যখন এই লাইনগুলো লিখছি, তখন আমার চোখে টলটল জল। কে বলে এই দুনিয়ায় ভালোমানুষ নেই, এরা তাহলে কে?

মুনমুন, আমার চেয়ে মনে হয় আমার মায়ের সাথেই দোস্তি বেশি। প্রথম যেদিন দেখা হয় গত দশকের মাঝামাঝি সময়ে, এই মেয়েটা হাত বাড়িয়ে দেয় হ্যান্ডশেকের জন্য। আমি মনে মনে ভাবছিলাম, “এই মেয়ে তো অভদ্র, ছেলেদের সাথে শুরুতেই হাত বাড়িয়ে দেয় নাকি কেউ?” আমি ভুল ছিলাম। ধীরে ধীরে আমার জানা সবচেয়ে আদর্শ নারীদের একজন এই মুনমুন। লিখতে গেলে অনেক কথাই লেখা যায়, থাক সেসব। আমার চোখে ভাসছে নিজেদের জন্য স্ন্যাক্সের অর্ডার দিয়ে আমার সাথে ষড়যন্ত্র করে আমার জন্য স্ন্যাক্সের কথা না বলা পরবর্তী ঝগড়ার কথা। ওইদিন ঠিক করেছিলাম এরসাথে আর কথা নাই, কিন্তু পরেরদিন সকালেই আবার ঘ্যানঘ্যান। এই কাজ ওই কাজে কই কই যাবে, এইজন্য আমার বাইক সাপোর্ট লাগতো। সেই সকাল থেকে শুরু, সারাদিন এখানে সেখানে নিয়ে গেলাম, কিন্তু কথা বলিনি। ও ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে আমার পর, এরপর আমার এখানেই পোস্টিং হয়। সকালে নিয়ে যাওয়া, দুপুরে অফিস ছুটির পর ফিরে আমিও বাসায় চলে যেতাম, ওর বাসাও ছিল আমার বাসার পথেই। ড্রেস চেঞ্জ করতে ওর দেরী দেখে কত যে গালাগালি করলাম, সেইসবও মধুর স্মৃতি। ৩-৪ দিন আগে ছুটিতে দেশে ফিরলো, আবার ওই একই প্রিয়মুখ দেখবার যে আনন্দ অনুভব করলাম, তার জন্ম পবিত্র কোথাও। আমার সদ্য অতীত খারাপ সময়ে এই মেয়েটা আমার জন্য যে মমতা দেখিয়েছে, তার প্রতিদান অসম্ভব। সেইসব অন্য গল্প, লিখে বুক ভারী করতে চাই না। আমার জীবনের সমস্ত পূণ্য আমি ওর নামে লিখে দিতে রাজী।

বন্ধুত্ব দিবসে নির্দিষ্ট করে রাখবার মতো কোনো ব্যাপার নয়, দিন তারিখের হিসেব করে বন্ধুত্ব হয় না। আমার বন্ধু সংখ্যা খুব কম, কিন্তু বন্ধুভাগ্য খুব ভালো। তাদের কেউ আমার এই আইডির কথা জানে না, এই তুচ্ছ পোস্ট পড়বার সম্ভাবনাও নেই, তাই লেখাটাও সহজ হয়ে গেল। কোথাও না কোথাও এই কথাগুলো না লিখে যেতে পারলে অপরাধ হতো।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 20 = 25