৭১ এর রাজাকার আর ২০১৩ এর হেফাজত

যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্ভবত ব্যর্থ হতে যাচ্ছে। যেখানে হত্যাকারী,ধর্ষকের বিচারের প্রশ্নেও জাতি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যাচ্ছে, ধর্ষকের শাস্তির প্রতিবাদে হরতাল হচ্ছে, ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে কিছু অমানুষকে রক্ষা করার জন্য সেখানে এই বিচারের কোন সমাপ্তি দেখিনা আমি। শুধু জামায়াতে ইসলামি যদি এই কর্মকাণ্ডগুলো করত তাহলে আমি এতটা হতাশ হতামনা। ৭১ এ স্বাধীনতার বিরধিতাকারী দলটা হত্যাকারীদের পক্ষে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিএনপিও ওদের সাথে যোগ দিয়েছে। যে দলটির প্রতিষ্ঠাতা বীরউত্তম জিয়াউর রহমান, যিনি প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
এই ২০১৩ সালে এসেও ৭১ এর ফ্রেম স্ট্রাকচার ধরেই ওরা এগুচ্ছে। ৭১ এ ওরা ধর্মকে ব্যবহার করতে চেয়েছে। এবারও তাই। তখন তুলেছিল মুসলিম রাষ্ট্র অমুসলিম রাষ্ট্রের ধোঁয়া। এবার তুলেছে নাস্তিক আস্তিকের ধোঁয়া। তখনো ধর্মান্ধ গোষ্টীকে ব্যাবহার করা হয়েছিলো। এবারও হেফাজতের মত উগ্র ধর্মান্ধ নাগরিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তবে আদালতের বিচারের পরও থাকে মানুষের বিচার। আমার বিচারটা আমি ভালভাবেই করবো। যদি কোন যুদ্ধাপরাধী মুক্তিও পায়। যদি আবার অন্য একটি সরকার এসে আবারো ওদের সাধারন ক্ষমার উদারতা দেখায়। যদি ওদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। যদি ওদের নোংরা দেহের সমাধি শহিদদের পবিত্র রক্তস্নাত বাংলাদেশের মাটিতে হয় তাহলে আমি অন্তত একবার গিয়ে ওই ঘৃণ্য কবরে থুতু দিয়ে আসব। মৃত মানুষের প্রতি স্বাভাবিক সম্মান প্রদর্শনের উদারতাও আমি দেখাবনা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১১ thoughts on “৭১ এর রাজাকার আর ২০১৩ এর হেফাজত

  1. ভালোই বলেছেন ।আপনি শিডিউল এ
    ভালোই বলেছেন ।আপনি শিডিউল এ দুইটা পোস্ট দিতে মানা করছেন ।তাইলে কি একদিনে বেশি পোস্ট দিবনা ? দিলে তো ওইখানেই চলে যায় ।

    1. শিডিউল এর প্রথম পেজ এ দুইটা
      শিডিউল এর প্রথম পেজ এ দুইটা দিয়ো না। সব পোস্ট এ শিডিউলে যায় । কিন্তু প্রথম পেজ এ নিজের ২ টা পোস্ট না রাখায় ভাল। দিন এ অনেক পোস্ট দেওয়া যায় । তুমি বরং ইস্টিশন এর ৫ নোং রুল টা দেখ বুঝতে পারবে । @আমি দেশপ্রেমিক

  2. ভালোই বলেছেন ।আপনি শিডিউল এ
    ভালোই বলেছেন ।আপনি শিডিউল এ দুইটা পোস্ট দিতে মানা করছেন ।তাইলে কি একদিনে বেশি পোস্ট দিবনা ? দিলে তো ওইখানেই চলে যায় ।

  3. “যে দলটির প্রতিষ্ঠাতা
    “যে দলটির প্রতিষ্ঠাতা বীরউত্তম জিয়াউর রহমান, যিনি প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।”
    আপনার এ তথ্যটি সম্ভবত ভুল আছে। ২৫ মার্চ রাতে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হবার একটু আগে ২৫শে মার্চ রাত ১২টার পর (অর্থাৎ, ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে) তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন। ঘোষণাটি চট্টগ্রামে অবস্থিত তত্কালীন ই.পি.আর এর ট্রান্সমিটারে করে প্রচার করার জন্য পাঠানো হয়। ২৬শে মার্চ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের কয়েক’জন কর্মকর্তা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম.এ.হান্নান প্রথম শেখ মুজিব এর স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রটি মাইকিং করে প্রচার করেন। পরে ২৭শে মার্চ পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বাঙালি অফিসার মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাটি শেখ মুজিবর রহমানে পক্ষে পুনরায় পাঠ করেন।

    আর বিম্পিকে নিয়ে আফসোস করার কিছু নেই। কারন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কোরবানি করেই এই দলটি গঠন করেছেন এই দলটির প্রতিষ্ঠাতা। মাডাম জিয়ার দোষ দিয়ে আর কি হবে!

    1. ভুল হতে পারে। ব্যাপারটি নিয়ে
      ভুল হতে পারে। ব্যাপারটি নিয়ে অনেক বিতর্কও আছে। আমি আসলে বহুল প্রচলিত তথ্যটিই ব্যবহার করেছি।

  4. বিএনপির জন্মই হয়েছিলো এই দেশে
    বিএনপির জন্মই হয়েছিলো এই দেশে আবার রাজাকার জামাতকে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যেই। বর্তমান এবং অতীত বিশ্লেষণ করলে দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়। আফসোস হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ তার আদর্শ থেকে আজ অনেক দূরে। আমরা তাই এখন রাজনৈতিক আশ্রয়হীন একটা জাতি। হয়ত আবার দাঁড়াবে কেউ…

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 3 = 6