ইসলাম শান্তির ধর্ম !!

~~~~~ যেকালে নালন্দা তে রক্তবন্যা বইয়ে দিয়েছিল ইসলামি সন্ত্রাসী ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজি সেকালে আমেরিকা নিশ্চয় মুসলমানের পিছনে লাগে নি । সেকালে নিশ্চয় ট্রাম্পও ছিলো না । তবুও ইসলামি জোশে জঙ্গি খিলজি ইসলামের নিয়ম মেনেই নালন্দার গুরুদের জবাই করেছিল । যা আজও এই ডিজিটাল সময়েও মুসলমানদের মধ্যে দেখতে পাওয়া যায় । অবশ্য মুসলমানদের মধ্যে এসব দেখতে না পাওয়াটাই অস্বাভাবিক ঘটনা ।

~~~~~ সেকালেও কি নালন্দার কেউ শান্তির ধর্ম ইসলাম নিয়ে কটুক্তি করেছিল ?? নাকি মুসলমানের মুসলমানিত্ব জাহির করতেই অমুসলিমের রক্তের দরকার পরে বারবার ??

~~~~~ লক্ষন সেন পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়েছে !! কার ভয়ে , কেন , কে দেখেছে ??? ইখতিয়ারের মত জঙ্গির ভয়ে লক্ষন সেন পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়েছে এই “ফেইক নিউজ” টা স্কুলের পাঠ্যবইতে খুব ভালোভাবে স্থান করে নিয়েছে !! বলা যায় এক ডাকাত এবং জঙ্গিকে কিভাবে নায়ক বানানো যায় তা শিখতে হলে বাংলাদেশের পাঠ্যবইগুলা পড়লেই চলবে।

~~~~~ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের শুরু এই বরবর জঙ্গি মুসলমানদের কারনেই । চর্যাপদ যা বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন তাও প্রায় নষ্ট/বিলুপ্ত হওয়ার হাত থেকে বেচেঁ যায় নালন্দা থেকে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া কিছু ভিক্ষুর কারনেই । নয়তো কিছুই থাকতো না হয়তো বাংলার জন্য !!

~~~~~ বিএনপির সময়কালে বাঁশখালিতে ১১জন মালাউনকে একসাথে একঘরের মধ্যে জ্বালিয়ে দেয়ার ইসলাম সম্মত কাজটি খুব ভালোভাবেই করেছিল শান্তিপ্রিয় মুসলমানগন। শুধু কি তাই ?? সকাল বেলা নিজের ঘরেই প্রফেসর গোপাল কৃষ্ণ মুহুরীকে যেভাবে মুসলমানি কায়দায় মস্তক এফোড় ওফোড় করে বেরিয়ে গিয়েছিল শান্তির বুলেট তাও একটি শান্তির নিদর্শন মাত্র ।

~~~~~ ইসলামি টিটকারিতে সংসদের অধিবেশনও মশগুল ছিলো !! হিন্দু মেয়েকে ধর্ষন করার ঘটনা তুলতেই এক বেজন্মা মুসলমানের মন্তব্য “ঐ মেয়ের প্রজনন ক্ষমতা হয়তো বেশী” ….. পূর্নিমা রানী শীল তো মুসলমানের কাছে ধর্ষিতা হওয়া বাঙালি নারীদেরই একজন যাদের অভিশাপেই হয়তো শান্তির ধর্ম এবং মুসলমানের জন্য সারা পৃথিবীর মানুষ প্রথমেই একদলা থুতু ফেলে আর ঘৃনার চোখে দেখে । পূর্নিমার মা কি কম যন্ত্রনায় বলেছিল “বাবারা তোমরা একজন একজন করে আসো, আমার মেয়েটা ছোট “……

~~~~~ ইসলাম ধর্মিয় অনুভূতিতে আঘাত এবং এই বাহানায় চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে অন্য ধর্মের মানুষ মেরে ফেলা, মন্দির প্রতিমা ভেঙে ফেলা , লুটপাট করা, জবাই করা এসব মুলমানের রক্তে এবং এসবের বাইরে একটা মুসলমান কখনোই যেতে পারবে না । রক্ত কখনোই মিথ্যা বলে না, বলতে পারে না । তাই, মাদ্রাসা পড়ুয়া মুসলমান এবং জিন্স কিংবা কোট টাই পড়ুয়া মুসলমানের মধ্যে আমি কোন পার্থক্য দেখি না । যদি পার্থক্য থাকতো তবে ক্যালেন্ডারে থাকা ছবির কারনে হুলস্থুল বাধাঁতো না ।

~~~~~ মুসলমান হিজাব পরবে নাকি বোরকা পরবে এটা একান্তই মুসলমানের বিষয় । এ ব্যপারে অন্য কেউ কেন নাক গলায় ?? নিজের সন্তানের লাশ দেখার পরেও কি লজ্জা হয় নি ?? ছেলের বউ কেন বলে কলকাতা চলে যেতে ?? আমেরিকাতে কি জায়গার অভাব ??

~~~~~ যে সব বোমাবাজ মুসলিম মহিলাকে সম্প্রতি ধরা হয়েছে এবং যারা আত্মঘাতি হয়ে নিজেদেরকে বোমায় উড়িয়েছে তারা নিশ্চয় জীবনের কোন এক সময় বাঙালির পোষাক শাড়ি পরেছে কিন্তু শাড়ি পরলেই যে মুসলমান বাঙালি হয়ে যাবে এই ধারনা ভুল। যে মুসলমান শাড়ি পরে বলতে পারে দেশ চলছে মদিনা সনদে এবং প্রত্যেকটা চাপাতির কোপের পর বলেছে “ইসলাম শান্তির ধর্ম” ঐ মুসলমান হিজাব পরলেই বা কি ?? সে কি নিজের মূল পরিচয়/শিকড় “আমি মুসলমান” বাদে অন্য কিছু বলবে ?? আর, শিকড় ছাড়া কি গাছ বাঁচবে ??

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “ইসলাম শান্তির ধর্ম !!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 + 2 =